
বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে আবারও গ্রিনল্যান্ড দখলের ঘোষণা দিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ বুধবার ফোরামে দেওয়া ভাষণে তিনি গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে আনার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন এবং ইউরোপীয় মিত্রদের প্রতি কড়া বার্তা দেন। তিনি ইঙ্গিত দেন, দীর্ঘকাল ধরে যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতি ও সুরক্ষার বিনিময়ে ইউরোপীয় দেশগুলোর উচিত গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা ছেড়ে দেওয়া।
ভাষণে ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে তাঁর অনড় অবস্থানের কথা জানান। তিনি বলেন, ‘আমি যদি অতিরিক্ত শক্তি ও বল প্রয়োগের সিদ্ধান্ত নিই, তবে সত্যি বলতে আমরা হব অপ্রতিরোধ্য। যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনল্যান্ড দখল ঠেকানোর সাধ্য কারও নেই। সম্ভবত সেটি না হওয়া পর্যন্ত আমরা কিছুই পাব না।’
তবে সামরিক উত্তেজনার আশঙ্কার জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘কিন্তু আমি তা করব না। মানুষ ভেবেছিল আমি বল প্রয়োগ করব। আমার শক্তি প্রয়োগের প্রয়োজন নেই, আমি তা চাইও না এবং করবও না।’ ট্রাম্পের এই বক্তব্যকে বিশ্লেষকেরা মিত্রদের ওপর একধরনের ‘মনস্তাত্ত্বিক চাপ’ হিসেবে দেখছেন।
ট্রাম্প তাঁর ভাষণে একটি ঐতিহাসিক দাবি তুলে ধরেন, যা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র কেবল গ্রিনল্যান্ড নামের জায়গাটি চাইছে, যা একসময় আমাদের কাছে “ট্রাস্টি” হিসেবে ছিল, কিন্তু আমরা শ্রদ্ধাভরে ডেনমার্ককে তা ফেরত দিয়েছিলাম।’
তবে ট্রাম্পের এই দাবির ঐতিহাসিক ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসিদের দখলে থাকা ডেনমার্কের সুরক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডে ঘাঁটি গেড়েছিল, কিন্তু দ্বীপটি কখনো যুক্তরাষ্ট্রের ‘ট্রাস্টি’ ছিল না। ১৯৫১ সালের প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্র স্পষ্টভাবে গ্রিনল্যান্ডের ওপর ডেনমার্কের সার্বভৌমত্ব স্বীকার করে নিয়েছিল।
ট্রাম্প মনে করেন, ইউরোপের দেশগুলোকে বছরের পর বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র যে নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সহায়তা দিয়ে আসছে, তার প্রতিদান হিসেবে তাদের গ্রিনল্যান্ড ছেড়ে দেওয়া উচিত। তিনি বলেন, এটি কেবল একটি সাধারণ চাওয়া। অথচ তাঁর এই ‘চাওয়া’র বিপরীতে ডেনমার্কসহ আটটি দেশের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়ে রেখেছেন তিনি।
ট্রাম্পের এই বক্তব্য গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্কের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে এক বড় ধরনের চপেটাঘাত হিসেবে দেখছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন আগেই জানিয়ে দিয়েছেন, গ্রিনল্যান্ড বিক্রির জন্য নয়। ফলে ট্রাম্পের ‘বল প্রয়োগ না করার’ প্রতিশ্রুতি বিশ্বনেতাদের সাময়িক স্বস্তি দিলেও অর্থনৈতিক যুদ্ধের দামামা এখনো কমেনি।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহতের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ভারতের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় কংগ্রেস। শনিবার এক বিবৃতিতে দলটি এই হামলাকে ‘যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়া পরিচালিত হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে স্পষ্ট ভাষায় এর বিরোধিতা করেছে।
৮ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প জানান, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তুলনামূলকভাবে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি নৌযান সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করেছে এবং সাগরে ডুবিয়ে দিয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের নৌবাহিনীর সদরদপ্তরও অনেকাংশে ধ্বংস করে দিয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
গত রাতে মার্কিন বি-২ স্টিলথ বোমারু বিমানগুলো ২ হাজার পাউন্ড ওজনের শক্তিশালী বোমা নিয়ে ইরানের সুরক্ষিত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাগুলোতে আঘাত হেনেছে। আমেরিকার সংকল্প নিয়ে কোনো জাতিরই সন্দেহ করা উচিত নয়।
৯ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর মার্কিন ঘাঁটি থাকা উপসাগরীয় দেশগুলোতে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। এই হামলার জেরে উপসাগরীয় অঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্যে বড় ধরনের অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে