
চলতি বছরের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রা ডলারের নোটে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাক্ষর থাকবে। দেশের মুদ্রায় এ ধরনের পরিবর্তন নজিরবিহীন। বিভাগটি বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপনকে সম্মান জানাতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে ট্রাম্প হবেন প্রথম ক্ষমতাসীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট, যার স্বাক্ষর দেশের মুদ্রায় থাকবে। ধারণা করা হচ্ছে, ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্টের স্বাক্ষরের পাশে ট্রাম্পের নাম যুক্ত হবে এবং এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে নোটে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারারের নামটি সরিয়ে দেওয়া হবে।
এক বিবৃতিতে বেসেন্ট বলেন, ‘আমাদের মহান দেশ এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্পের ঐতিহাসিক অর্জনকে স্বীকৃতি দেওয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী উপায় হলো তাঁর নাম বহনকারী মার্কিন ডলার নোট। আর যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই বিশেষ সময়ে এমন ঐতিহাসিক মুদ্রা প্রকাশ করাই যথাযথ।’
এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ট্রাম্পের ছবিসংবলিত ২৪ ক্যারেটের এক বিশেষ স্বর্ণমুদ্রার চূড়ান্ত নকশা অনুমোদন করে দেশটির ফেডারেল আর্টস কমিশন। গত ১৯ মার্চ কমিশন সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। আগামী ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০ বছর পূর্তি উদ্যাপনের অংশ হিসেবে স্মারক মুদ্রাটি প্রকাশ করা হবে।
অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী, স্বর্ণমুদ্রার সামনের অংশে ট্রাম্পের স্যুট-টাই পরা একটি গাম্ভীর্যপূর্ণ ছবি থাকবে। ছবিতে তাঁকে একটি ডেস্কে হাত রেখে সামনের দিকে ঝুঁকে থাকা অবস্থায় দেখা যাবে। মুদ্রার ওপরের অংশে খিলান আকৃতিতে লেখা থাকবে ‘লিবার্টি’ এবং তার নিচেই ‘১৭৭৬’ ও ‘২০২৬’ সাল উল্লেখ করা থাকবে। নিচের অংশে লেখা থাকবে ‘ইন গড উই ট্রাস্ট’। এ ছাড়া মুদ্রার একপাশে সাতটি এবং অন্যপাশে ছয়টি তারকা খচিত থাকবে।
মুদ্রার উল্টো পিঠে ডানা মেলা একটি ইগলের ছবি থাকবে, যার ডান পাশে ‘ইউনাইটেড স্টেটস অব আমেরিকা’ এবং বাঁ পাশে ‘ই প্লুরিবুস উনুম’ কথাটি লেখা থাকবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আইন অনুযায়ী, কোনো জীবিত প্রেসিডেন্টের ছবি দেশটির মুদ্রায় ব্যবহার করা নিষিদ্ধ। তবে মার্কিন মিন্টের ডিজাইন ম্যানেজমেন্ট অফিসের ভারপ্রাপ্ত প্রধান মেগান সুলিভান জানান, ট্রেজারি সেক্রেটারির বিশেষ স্মারক মুদ্রা অনুমোদনের ক্ষমতা রয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেই এই নকশাটি পছন্দ করেছেন।
হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের বিশেষ সহকারী ও কমিশনার চেম্বারলেইন হ্যারিস বলেন, ‘এটি প্রেসিডেন্টের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং কঠোর প্রতিচ্ছবি। দেশের ২৫০তম বছরে দায়িত্ব পালনরত একজন প্রেসিডেন্টের ছবি স্মারক মুদ্রায় থাকা যৌক্তিক।’ অন্য এক কমিশনার জেমস ম্যাকক্রেরি জানান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বড় আকারের জিনিস পছন্দ করেন, তাই মুদ্রার আকার যতটা সম্ভব বড় করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

ইরানে চলমান যুদ্ধে কোনো স্থল সৈন্যের প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তিনি আরও বলেছেন, আমাদের লক্ষ্য অর্জনে মাসের পর মাস নয়, আর মাত্র কয়েক সপ্তাহ সময় লাগবে। আজ শুক্রবার ফ্রান্সে জি-৭ জোটের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
৩৩ মিনিট আগে
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ও আকাশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ব্যয় হওয়ায় ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহ বিলম্বিত হতে পারে বলে মিত্র দেশগুলোকে সতর্ক করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। বিশেষ করে, পেন্টাগন এখন তেহরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে মজুত করা অস্ত্র ব্যবহারে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। ফলে কিয়েভের জন্য...
৪৩ মিনিট আগে
ইরানে হামলার জেরে মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়া সংঘাত থামাতে কূটনীতির ওপরই এখন বেশি জোর দিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ জন্য ইরানের বৈদ্যুতিক স্থাপনায় হামলা চালানোর পরিকল্পনা থেকে সরে এসে সমঝোতার জন্য আর ১০ দিন সময় দিয়েছেন তিনি। এ ছাড়া ইরান ইস্যুতে ধনী দেশগুলোর জোট জি৭-এর নেতাদের সঙ্গে....
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সাধারণ মানুষের আশা-ভয়, অনিশ্চয়তা ও দৈনন্দিন জীবনের প্রতিফলন অপ্রত্যাশিতভাবে উঠে এসেছে এক ব্যতিক্রমী ডায়েরিতে। এই ডায়েরির লেখক আর দশজন সাধারণ নাগরিক নন—তিনি দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানের ছেলে ইউসেফ পেজেশকিয়ান।
২ ঘণ্টা আগে