
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নোবেল পুরস্কারের জন্য যত চেষ্টা করেছেন, ইতিহাসে তা বিরল। প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথম মেয়াদেই তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছিলেন। ইসরায়েল-ইরান ও ভারত-পাকিস্তান সংঘাত কমানোর কৃতিত্ব দাবি করে একাধিকবার তিনি নিজেকে নোবেলের যোগ্য বলে প্রচার করেন। এমনকি পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনিরকে আমন্ত্রণ জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বিশেষ আপ্যায়নের আয়োজনও করেছিলেন ট্রাম্প। এরপর পাকিস্তান প্রকাশ্যে তাঁর নোবেল পাওয়ার পক্ষে সমর্থন জানায়।
তবে শেষ পর্যন্ত আশাভঙ্গ হয়েছে ট্রাম্পের। শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ভেনেজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো।
এরপরই নোবেল কমিটির সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছে হোয়াইট হাউস। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের পরিবর্তে ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রীকে পুরস্কার দেওয়ায় হোয়াইট হাউস একে ‘রাজনীতির জয়’ বলে অভিহিত করেছে।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র স্টিভেন চেউং এক্সে এক পোস্টে বলেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শান্তিচুক্তি করবেন, যুদ্ধ থামাবেন এবং মানুষের জীবন বাঁচাবেন। তিনি একজন প্রকৃত মানবতাবাদী। এমন নেতৃত্ব ইতিহাসে আর কেউ দেখায়নি। তিনি নিজের ইচ্ছাশক্তি দিয়ে পাহাড়কেও টলাতে পারেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘নোবেল কমিটি প্রমাণ করেছে—তারা শান্তির চেয়ে রাজনীতিকে বেশি গুরুত্ব দেয়।’
নরওয়ের নোবেল কমিটি জানিয়েছে, মারিয়া কোরিনা মাচাদো স্বাধীনতার সাহসী রক্ষক হিসেবে কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন ও প্রতিরোধ করেছেন। এই অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে এবার শান্তিতে নোবেল দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, চলতি সপ্তাহে গাজা যুদ্ধ থামাতে যুদ্ধবিরতি ও বন্দী বিনিময় চুক্তি ঘোষণা করেন ট্রাম্প। এরও আগে থেকে নিজেকে একজন শান্তির দূত হিসেবে উপস্থাপন করছেন ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, গাজার সংঘাতসহ তিনি মোট আটটি যুদ্ধ থামিয়েছেন। কিন্তু এত কিছুর পরও এবার তাঁর ভাগ্যে নোবেল পুরস্কার জোটেনি।
নোবেল কমিটির এই সিদ্ধান্তের পর এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি তিনি।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, দুই দেশ যুদ্ধ অবসান, ইরানের ওপর মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার লক্ষ্যে একটি কাঠামোগত সমঝোতায় পৌঁছেছে। তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ এখনই নির্ধারিত হয়নি।
১ ঘণ্টা আগে
লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরায়েলের হামলা এবং ইরানের পাল্টা প্রতিক্রিয়ার হুমকি সত্ত্বেও যুদ্ধ অবসানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য চুক্তি এখনো স্বাক্ষরের পথে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ সময় তিনি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ‘বিচারবোধহীন’...
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ অবসান, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং অবরোধ প্রত্যাহার নিয়ে একটি প্রাথমিক চুক্তিতে পৌঁছেছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ এখনো আলোচনার টেবিলে।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ অবসান, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং অবরোধ প্রত্যাহার নিয়ে একটি প্রাথমিক চুক্তিতে পৌঁছেছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ এখনো আলোচনার টেবিলে।
৩ ঘণ্টা আগে