আগামী ছয় মাসের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ৯/১১-এর সন্ত্রাসী হামলার গোপন নথি প্রকাশের আদেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। স্থানীয় সময় শুক্রবার এই নির্বাহী আদেশ দেন তিনি। খবর বার্তা সংস্থা এএফপির।
এই নথি প্রকাশের জন্য ওই ঘটনায় হতাহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে মার্কিন সরকারকে চাপ দেওয়া হচ্ছিল। ৯/১১-এর ওই হামলায় প্রায় ৩ হাজার মানুষ নিহত হন।
এ বিষয়ে এক বিবৃতিতে বাইডেন বলেন, আজ আমি একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছি, যেখানে আমি ছয় মাসের মধ্যে বিচার বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিভাগকে নির্দেশ করে ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার বিষয়ে ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের গোপন নথি প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছি। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে ঘৃণিত ওই সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ২ হাজার ৯৭৭ জনের পরিবার যে অবর্ণনীয় কষ্ট ও ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে, সেটা আমরা কখনোই ভুলে যাব না।
চলতি বছরই ৯/১১ হামলার ২০ বছর পূর্তি হবে। ওই হামলার পর তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ আফগানিস্তানে যুদ্ধ শুরুর নির্দেশ দেন। অভিযোগ ছিল, আল-কায়দা নেতাদের সাহায্য করছে তালেবান। গত মাসে আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সব সেনাকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
ধারণা করা হয়, ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে আল কায়েদার চালানো বিমান হামলার সঙ্গে মার্কিন মিত্র সৌদি আরবের সম্পৃক্ততা রয়েছে। তবে ৯/১১ হামলার বিষয়ে গঠিত কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সৌদি সরকার অথবা কোনো কর্মকর্তা এই হামলার জন্য অর্থায়ন করেনি।

তিন নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইসলাম বিষয়ক বিশিষ্ট গবেষক ও সুইস বংশোদ্ভূত একাডেমিক তারিক রমাদানের বিরুদ্ধে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে বিচার শুরু হচ্ছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাঁর সর্বোচ্চ ২০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।
৬ মিনিট আগে
বাহরাইনের একটি বন্দরে নিক্ষিপ্ত অজ্ঞাত দুটি বস্তুর আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মার্কিন পতাকাবাহী ট্যাংকার ‘স্টেনা ইম্পেরেটিভ’। স্থানীয় সময় সোমবার ভোরে এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে দুটি সামুদ্রিক নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে।
৩০ মিনিট আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আলোচনার দাবি নাকচ করেছে ইরান। হামলা আরও জোরদার করেছে তারা। গত রোববার রাতে ও গতকাল সোমবার উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে তারা। হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র।
৩৯ মিনিট আগে
ইরানে মার্কিন হামলার পক্ষে দেশটির মাত্র চারজন নাগরিকের মধ্যে একজন সমর্থন জানিয়েছেন। অর্থাৎ এই হামলার পক্ষে মাত্র ২৫ শতাংশ আমেরিকান আর ৭৫ শতাংশই বিপক্ষে। রয়টার্স/ইপসোসের এই জরিপ থেকে জানা গেছে, প্রায় অর্ধেক আমেরিকান মনে করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক শক্তি প্রয়োগে বড্ড বেশি আগ্রহী।
১ ঘণ্টা আগে