
স্পেনের একটি বৃদ্ধাশ্রমে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত ১০ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অনেকে। এদের মধ্যে দুজনের অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তপক্ষ। আজ শুক্রবার স্পেনের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম এল পেইসের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে আল-জাজিরা।
আজ শুক্রবার স্থানীয় সময় ভোর ৫টায় উত্তর-পূর্ব আরাগন অঞ্চলের জারাগোসা শহর থেকে ১৮ মাইল দূরে ‘জার্ডিন্স দে ভিলাফ্রাঙ্কা’ বৃদ্ধাশ্রমে আগুনের সূত্রপাত হয়। দমকল কর্মীরা প্রায় ২ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
ভিলাফ্রাঙ্কা দে এব্রো শহরের মেয়র ভলগা রামিরেজ সাংবাদিকদের জানান, আগুন লেগে তীব্র ধোঁয়ায় শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মৃত্যুর ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগুন লাগার কারণ এখনও জানা যায়নি। তবে আগুন একটি কক্ষেই সীমাবদ্ধ ছিল।
স্পেনের সংবাদপত্র এল পেইস জানায়, বৃদ্ধাশ্রমটি ২০০৮ সালে খোলা হয়। সম্প্রতি মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় থাকা বৃদ্ধদের জন্য এটি বিশেষায়িত করা হয়েছিল। ঘটনার সময় সেখানে ৮২ জন ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে শোক প্রকাশ করে লেখেন, তিনি ‘দুঃখিত ও শোকাহত’।
এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার কিছুদিন আগেই পূর্বাঞ্চলীয় ভ্যালেনসিয়া অঞ্চলে বিধ্বংসী বন্যায় ২০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়, যাতে হাজার হাজার বাড়িঘর ধ্বংস হয়ে যায়। এটি স্পেনের সাম্প্রতিক ইতিহাসে সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক বিপর্যয়।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
১৮ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
২৬ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
১ ঘণ্টা আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
১ ঘণ্টা আগে