
গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন? জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘নো কমেন্ট’ (কোনো মন্তব্য নয়)। কোনো স্পষ্ট উত্তর না দিয়ে তাঁর এই অবস্থান ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে কোনো রফাদফা না হলে ডেনমার্ক, নরওয়ে, ফ্রান্স, জার্মানিসহ আটটি ইউরোপীয় দেশের ওপর যে শুল্কের হুমকি তিনি দিয়েছেন, তা থেকে একচুলও নড়বেন না। তিনি বলেন, ‘আমি এটি করবই, শতভাগ নিশ্চিত থাকেন।’
ইউরোপীয় নেতারা যখন গ্রিনল্যান্ডের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সোচ্চার, তখন ট্রাম্প তাঁদের রাশিয়ার সঙ্গে চলমান যুদ্ধ নিয়ে মনোযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, ‘ইউরোপের উচিত রাশিয়া ও ইউক্রেনের যুদ্ধের দিকে নজর দেওয়া। কারণ, সত্যি বলতে, সেই যুদ্ধ তাদের কোথায় নিয়ে গেছে, তা আপনারা দেখছেন। গ্রিনল্যান্ড নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে ওদিকেই তাদের মনোযোগ দেওয়া উচিত।’
নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী জোনাস গার স্টোরকে লেখা চিঠি প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, নোবেল শান্তি পুরস্কারের ওপর নরওয়ে সরকারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। তিনি বলেন, নরওয়ে এই পুরস্কার পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করে, তারা মুখে যা-ই বলুক না কেন।
প্রসঙ্গত, গত বছর নোবেল না পাওয়ায় ট্রাম্প ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছিলেন। তবে নরওয়ে সরকার বরাবরই বলে আসছে, নোবেল কমিটি সম্পূর্ণ স্বাধীন এবং এতে সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ নেই।
এদিকে আজ সোমবার নরওয়ের প্রধানমন্ত্রীকে পাঠানো এক চিঠিতে ট্রাম্প লিখেছেন, যেহেতু তাঁকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়নি, তাই তিনি আর শান্তির তোয়াক্কা করবেন না। এখন থেকে তিনি কেবল যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের কথাই ভাববেন। আর সেই স্বার্থেই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ গ্রিনল্যান্ডের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ চায় ওয়াশিংটন। নরওয়ের সংবাদমাধ্যম ভিজিকে চিঠিটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী জোনাস গার স্টোর।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, দুই দেশ যুদ্ধ অবসান, ইরানের ওপর মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার লক্ষ্যে একটি কাঠামোগত সমঝোতায় পৌঁছেছে। তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ এখনই নির্ধারিত হয়নি।
৩ ঘণ্টা আগে
লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরায়েলের হামলা এবং ইরানের পাল্টা প্রতিক্রিয়ার হুমকি সত্ত্বেও যুদ্ধ অবসানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য চুক্তি এখনো স্বাক্ষরের পথে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ সময় তিনি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ‘বিচারবোধহীন’...
৪ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ অবসান, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং অবরোধ প্রত্যাহার নিয়ে একটি প্রাথমিক চুক্তিতে পৌঁছেছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ এখনো আলোচনার টেবিলে।
৪ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ অবসান, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং অবরোধ প্রত্যাহার নিয়ে একটি প্রাথমিক চুক্তিতে পৌঁছেছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ এখনো আলোচনার টেবিলে।
৪ ঘণ্টা আগে