মুসলমানদের পবিত্র দিন আশুরায় ইরাকের কারবালা শহরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন। ইরানের মেহের নিউজ এজেন্সি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
ইরাকের স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার আশুরা পালনে হাজার হাজার শিয়া মুসলিম শহরটিতে জড়ো হয়েছিলেন। এ সময় সড়কে ৮টি গ্যাসের সিলিন্ডারে আগুন লেগে যায় এবং বিস্ফোরণ ঘটে। এতে আগুন আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে এবং আলাউই মার্কেটের কয়েকটি দোকানে আগুন ধরে যায়। এ ঘটনায় আটজন নিহত হন।
আগুনের কারণে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা কারবালার ইমাম আলি স্ট্রিট বন্ধ করে দেয় এবং আটকে পড়া লোকদের উদ্ধার করে।
ইমাম হুসাইন ও হযরত আব্বাস (রা.) এর মাজারে আগুন ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা দেখা দেয়। তবে তার আগেই দমকলকর্মীরা আগুন নিভিয়ে ফেলতে সক্ষম হয়।
স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৮ জনের ছয়জন ইরাকি। তবে বাকি দুজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ইরাকের জরুরি সেবা প্রদানকারী সংস্থার এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী আশুরা পালনে আগতদের জন্য অস্থায়ীভাব তৈরি করা হয় একটি বিশ্রামাগার। সেই তাবুর রান্নাঘরে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে আগুন পার্শ্ববর্তী একটি বাজারে ছড়িয়ে পড়ে। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভায়।

ইরানে মার্কিন হামলার পক্ষে দেশটির মাত্র চারজন নাগরিকের মধ্যে একজন সমর্থন জানিয়েছেন। অর্থাৎ এই হামলার পক্ষে মাত্র ২৫ শতাংশ আমেরিকান আর ৭৫ শতাংশই বিপক্ষে। রয়টার্স/ইপসোসের এই জরিপ থেকে জানা গেছে, প্রায় অর্ধেক আমেরিকান মনে করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক শক্তি প্রয়োগে বড্ড বেশি আগ্রহী।
৫ মিনিট আগে
ইরান একদিনে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কমপক্ষে ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১৪৮টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে নয়টি ব্যালিস্টিক আর ছয়টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। এ নিয়ে গত শনিবার থেকে আরব আমিরাতে ১৭৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, আটটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ৬৮৯টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে তেহরান।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের একেকটি ড্রোন তৈরিতে খরচ হয় মাত্র ৩৫ হাজার ডলার। বিপরীতে এটি ধ্বংস করতে একেকটি ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে ব্যয় হচ্ছে ৫ থেকে ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত। এটিই এখন পশ্চিমা সামরিক পরিকল্পনাকারীদের প্রধান দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
স্টারমার বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই আক্রমণাত্মক হামলায় যোগ দিচ্ছি না। আমাদের সিদ্ধান্ত কেবল দীর্ঘদিনের বন্ধু ও মিত্রদের সম্মিলিত আত্মরক্ষা এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন রক্ষার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে।’
২ ঘণ্টা আগে