গাজার শিশুদের মধ্যে তীব্র অপুষ্টি ছড়িয়ে পড়ছে বলে মন্তব্য করেছে জাতিসংঘ। গত শনিবার ইউএন রিলিফ অ্যান্ড ওয়ার্কস এজেন্সি ফর প্যালেস্টাইন রিফিউজিস (ইউএনআরডব্লিউএ) জানায়, উত্তর গাজায় দুই বছরের কম বয়সী প্রতি তিন শিশুর মধ্যে একজন এখন তীব্রভাবে অপুষ্টিতে ভুগছে। সংস্থাটির এ বক্তব্য, অঞ্চলটিতে দুর্ভিক্ষের বিষয়ে ইসরায়েলের ওপর চাপ আরও বাড়াবে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা এক পোস্টে ইউএনআরডব্লিউএ বলেছে, গাজায় শিশুদের মধ্যে অপুষ্টি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে ও বর্তমানে তা নজিরবিহীন পর্যায়ে পৌঁছেছে। এ অবস্থায় অঞ্চলটিতে স্থলপথে ত্রাণ কার্যক্রম সচলের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
আকাশ ও জলপথে গাজায় ত্রাণ পাঠানো হলেও এগুলো স্থলপথের বিকল্প হতে পারছে না। বিশেষজ্ঞ, এনজিও ও বাসিন্দারা বলছেন, কয়েক লাখ ফিলিস্তিনির চাহিদা মেটাতে এসব ত্রাণ যথেষ্ট নয়। সম্প্রতি প্রায় ২০০ টন খাবার নিয়ে অঞ্চলটিতে পৌঁছেছে একটি ত্রাণবাহী জাহাজ।
তবে এসব ত্রাণ পর্যাপ্ত নয় বলে জানান জাহর সাকর নামের বাস্তুচ্যুত এক ফিলিস্তিনি। তিনি বলেন, ‘গাজার পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে কেউ এটি কল্পনাও করতে পারে না। কারণ পুরো অঞ্চলের সাহায্যের প্রয়োজন। উপকূল থেকে সাহায্য নিতে প্রতিযোগিতায় নেমেছেন বাসিন্দারা।’
চাহিদার তুলনায় ত্রাণের পরিমাণ কম হওয়ায় প্রতিযোগিতা করতে গিয়ে হতাহতের ঘটনাও ঘটছে বলে জানান ফিলিস্তিনিরা। কয়েক দিন আগেও উড়োজাহাজ থেকে ত্রাণের আঘাতে বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়।
এদিকে, আন্তর্জাতিক কোনো চাপই রাফাহ শহরে ইসরায়েলের অভিযান ঠেকাতে পারবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। গতকাল রোববার তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক যেকোনো মাত্রার চাপ আমাদের লক্ষ্য পূরণে বাধা হতে পারবে না। হামাসকে নির্মূল ও জিম্মিদের মুক্ত করতে এই অভিযান চলবে। কোনোক্রমেই গাজাকে আবার ইসরায়েলের জন্য হুমকি হিসেবে রাখা যাবে না।’
অপরদিকে, নেতানিয়াহু সরকারের পদত্যাগের দাবিতে দেশটিতে বিক্ষোভ হয়েছে। গত শনিবার দেশটির প্রধান দুই শহর তেল আবিব ও জেরুজালেমে প্রধান সড়কগুলো আটকে বিক্ষোভ করেছেন আন্দোলনকারীরা। অবিলম্বে নির্বাচন ও হামাসের হাত থেকে ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্ত করার দাবিতে এই আন্দোলন শুরু করেছেন তাঁরা।
আল জাজিরা জানায়, ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্ত করতে ব্যর্থ হওয়ায় দেশটিতে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে জনগণের মধ্যে ক্ষোভ বেড়েছে। অনেক ইসরায়েলি বাসিন্দা যুদ্ধ বন্ধের দাবি জানিয়েছেন। এ সময় পুলিশের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়েন বিক্ষোভকারীরা। এ সময় পুলিশ আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে জলকামান ব্যবহার করে। এমনকি কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করেছে পুলিশ।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, দুই দেশ যুদ্ধ অবসান, ইরানের ওপর মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার লক্ষ্যে একটি কাঠামোগত সমঝোতায় পৌঁছেছে। তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ এখনই নির্ধারিত হয়নি।
১ ঘণ্টা আগে
লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরায়েলের হামলা এবং ইরানের পাল্টা প্রতিক্রিয়ার হুমকি সত্ত্বেও যুদ্ধ অবসানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য চুক্তি এখনো স্বাক্ষরের পথে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ সময় তিনি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ‘বিচারবোধহীন’...
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ অবসান, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং অবরোধ প্রত্যাহার নিয়ে একটি প্রাথমিক চুক্তিতে পৌঁছেছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ এখনো আলোচনার টেবিলে।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ অবসান, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং অবরোধ প্রত্যাহার নিয়ে একটি প্রাথমিক চুক্তিতে পৌঁছেছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ এখনো আলোচনার টেবিলে।
৩ ঘণ্টা আগে