
ইরান যুদ্ধ যখন এক চরম উত্তেজনাকর পর্যায়ে রয়েছে, তখন এক চাঞ্চল্যকর দাবি তুলেছে জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী মিশন। তেহরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে বিভিন্ন আরব দেশের বেসামরিক অবকাঠামো, জনবসতি ও লক্ষ্যবস্তুতে যেসব ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রগুলো আঘাত হেনেছে, তার দায় মার্কিন ইলেকট্রনিক প্রতিরক্ষাব্যবস্থার।
নিউইয়র্কে অবস্থিত ইরানের মিশন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি দীর্ঘ বিবৃতিতে তাদের প্রাথমিক মূল্যায়ন তুলে ধরেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) শুধু মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং কৌশলগত সামরিক সম্পদগুলোকেই লক্ষ্যবস্তু করে হামলা চালাচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য সুনির্দিষ্ট এবং তা শুধু সামরিক স্থাপনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ।’
বেসামরিক এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার ঘটনাগুলো বিশ্লেষণ করে ইরান দাবি করেছে, ‘প্রাথমিক তথ্যপ্রমাণ অনুযায়ী ধারণা করা হচ্ছে, এসব ঘটনার বেশির ভাগ মার্কিন ইলেকট্রনিক প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ইন্টারসেপশন বা বাধার কারণে ঘটেছে। আমেরিকার এই প্রতিরক্ষাব্যবস্থাগুলো ইরানের প্রজেক্টাইল বা ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর গতিপথ পাল্টে দিয়ে সেগুলোকে নির্ধারিত সামরিক লক্ষ্যবস্তুর পরিবর্তে বেসামরিক এলাকায় সরিয়ে দিচ্ছে।’
বেসামরিক মৃত্যুর দায় কার? গত কয়েক দিনের হামলায় কাতার, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন বেসামরিক স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার ফলে বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। এর মধ্যে কাতারের রাস লাফান গ্যাসফিল্ড এবং কুয়েতের আবাসিক এলাকায় আঘাত হানা উল্লেখযোগ্য। ইরান এই প্রথম সরাসরি কোনো বৈশ্বিক মঞ্চে দাবি করল, এই বিপর্যয়গুলোর জন্য তাদের প্রযুক্তিগত ত্রুটি দায়ী নয়, বরং মার্কিন ইন্টারসেপ্টর দায়ী।
কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়ায় ইরানের এই দাবি ওয়াশিংটনে তীব্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো এই পরিস্থিতিতে আরও বেশি শঙ্কার মধ্যে রয়েছে। যদি ইরানের দাবি সত্যি হয়, তবে মার্কিন প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ব্যবহারের ঝুঁকি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠবে।
বিশ্লেষণে সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আধুনিক ‘ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার’ বা ইলেকট্রনিক যুদ্ধে জিপিএস স্পুফিং বা সিগন্যাল জ্যামিংয়ের মাধ্যমে ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ পরিবর্তন করা সম্ভব। তবে ইরান যেভাবে গণহারে সব বেসামরিক মৃত্যুর দায় আমেরিকার ওপর চাপাচ্ছে, তা যুদ্ধের এই পর্যায়ে এক বড় ধরনের প্রোপাগান্ডা যুদ্ধেরই অংশ বলে মনে করা হচ্ছে।

লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরায়েলের হামলা এবং ইরানের পাল্টা প্রতিক্রিয়ার হুমকি সত্ত্বেও যুদ্ধ অবসানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য চুক্তি এখনো স্বাক্ষরের পথে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এসময় তিনি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ‘বিচারবোধহীন’...
২৪ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ অবসান, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং অবরোধ প্রত্যাহার নিয়ে একটি প্রাথমিক চুক্তিতে পৌঁছেছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ এখনো আলোচনার টেবিলে।
৪২ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ অবসান, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং অবরোধ প্রত্যাহার নিয়ে একটি প্রাথমিক চুক্তিতে পৌঁছেছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ এখনো আলোচনার টেবিলে।
১ ঘণ্টা আগে
লোকসভায় দলটির ২৮ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে ২০ জনই এবার দল ছাড়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন। আইনি জটিলতা এড়াতে বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি ত্রিপুরার একটি স্বল্পপরিচিত রাজনৈতিক দল ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টির সাথে একীভূত হতে যাচ্ছে...
১২ ঘণ্টা আগে