
সৌদি আরবের নাগরিক আতি আল-মালিকি মক্কায় বসবাস করেন। সম্প্রতি তাঁর ছেলে আবদুল্লাহকে হত্যা করেছিলেন এক ব্যক্তি। এ ঘটনায় সৌদি বিচারব্যবস্থায় ওই হত্যাকারীর মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়েছিল। কিন্তু দণ্ড কার্যকরের কয়েক দিন আগেই সেই খুনিকে ক্ষমা করে দিলেন আতি আল-মালিকি।
এ বিষয়ে আজ রোববার গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৭ এপ্রিল মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কথা ছিল আবদুল্লাহর খুনি শাহর দিফাল্লাহ আল হারিথির। কিন্তু গতকাল শনিবার শবে কদর রাতে কোনো প্রতিদান ছাড়াই ওই খুনিকে ক্ষমা করে দিয়েছেন আবদুল্লাহর বাবা আতি আল-মালিকি।
মুসা আল-মালিকি নামে এক সৌদি নাগরিক আতি আল-মালিকির ‘ক্ষমা ঘোষণার’ মুহূর্তটির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে শেয়ার করেছেন। ভিডিওতে দেখা গেছে, রমজান মাসের পবিত্রতম রাতে হারিথিকে ক্ষমা করে দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানাচ্ছেন দুঃখ ভারাক্রান্ত সন্তান হারানো বাবা। ঘোষণা শেষ হওয়া মাত্রই উপস্থিত অনেকে তাঁকে জড়িয়ে ধরে কপালে চুমু খান।
ক্ষমা ঘোষণার সময় আতি আল-মালিকির চারপাশে জড়ো হয়েছিলেন বেশ কয়েকজন। তাঁরা মালিকির সিদ্ধান্তের প্রশংসা করছিলেন এবং তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছিলেন।
মহিমান্বিত রাতের এই ঘটনাটি এখন সৌদি আরবের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। সবাই আতি আল-মালিকির ক্ষমাকে অনেক বড় ঘটনা হিসেবে আখ্যায়িত করছেন।
সৌদি আরবে পরিকল্পিত হত্যার জন্য কেউ দোষী সাব্যস্ত হলে তাঁকে সাধারণত মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। তবে হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়া ব্যক্তির স্বজনেরা চাইলে ক্ষতিপূরণ নিয়ে কিংবা ক্ষতিপূরণ ছাড়াই অপরাধীকে ক্ষমা করে দিতে পারেন। বেশির ভাগ ক্ষমা ঘোষণার ক্ষেত্রেই ক্ষতিপূরণের বিষয়টি সম্পর্কিত থাকে। তবে কোনো প্রতিদান ছাড়াই ক্ষমা করে দিয়েছেন আতি আল-মালিকি। ধারণা করা হচ্ছে, ক্ষমা করে দেওয়ায় শিগগির মুক্তি পাবেন আবদুল্লাহর খুনি শাহর দিফাল্লাহ আল হারিথি।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
২০ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
২৭ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
১ ঘণ্টা আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
১ ঘণ্টা আগে