
ক্যাথলিক খ্রিষ্টানদের ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিসের মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস এবং লেবাননের রাজনৈতিক ও সামরিক সংগঠন হিজবুল্লাহ। দুই সংগঠনই তাঁর আন্তধর্মীয় সংলাপ ও মানবিক মূল্যবোধ রক্ষার প্রচেষ্টার প্রশংসা করে বিবৃতি দিয়েছে।
আজ সোমবার এক বিবৃতিতে হামাস জানায়, ধর্মীয় ও মানবিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখতে পোপ ফ্রান্সিসের অবদান আজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি বৈষম্য, বর্ণবাদ ও আগ্রাসনের বিরোধিতা করেছেন এবং গাজায় ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে সংঘটিত যুদ্ধাপরাধ ও গণহত্যার স্পষ্ট প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘আমরা হামাসের পক্ষ থেকে শোক প্রকাশ করছি এবং পোপ ফ্রান্সিসের নৈতিক ও মানবিক অবস্থানকে শ্রদ্ধা জানিয়ে বিশ্বের সমস্ত মুক্তিকামী জনগণ ও ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে একত্রে ন্যায়বিচার, স্বাধীনতা ও নিপীড়িতদের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানাই।’
এদিকে হিজবুল্লাহর বিবৃতিতে বলা হয়, ‘পোপ ফ্রান্সিস শান্তির প্রতি বিশ্বাসী ছিলেন। তিনি যুদ্ধবিরোধী, ভালোবাসা ও সহনশীলতার বার্তা প্রচার করেছেন। ধর্ম, সভ্যতা ও জাতির মধ্যে সংলাপ গড়ে তোলার জন্য তিনি আন্তরিকভাবে কাজ করেছেন।’
বিশেষ করে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে পোপের অবস্থানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে হিজবুল্লাহ জানায়, ‘তিনি তাঁর জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের অবসানের আহ্বান জানিয়েছেন। ফিলিস্তিনে সংঘটিত গণহত্যার নিন্দা, মানবিক সহায়তার দাবি এবং ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি প্রদান ছিল তাঁর সাহসী ও মানবিক অবস্থানের নিদর্শন।’
লেবাননের খ্রিষ্টানদের উদ্দেশে হিজবুল্লাহ আরও বলে, পোপ ফ্রান্সিস লেবাননকে ‘একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তার দেশ’ বলে আখ্যা দিয়েছিলেন। এই বার্তার আলোকে জাতিগত বিভেদ ভুলে ঐক্য ও সহাবস্থানের পথে লেবানিজ জনগণকে এগিয়ে যেতে হবে।
৮৮ বছর বয়সে দীর্ঘ অসুস্থতার পর সোমবার পোপ ফ্রান্সিসের মৃত্যু হয় বলে ভ্যাটিকান সূত্রে জানানো হয়। তিনি ছিলেন লাতিন আমেরিকা থেকে নির্বাচিত প্রথম ক্যাথলিক ধর্মগুরু।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
১৯ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
২৬ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
১ ঘণ্টা আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
১ ঘণ্টা আগে