বর্তমান বিশ্বের অন্যতম আলোচিত মেগা প্রকল্প নিওম বা দ্য লাইন। এই প্রকল্প অনেকগুলো ছোট ছোট প্রকল্পের সমন্বয়ে বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে। আর এই ছোট ছোট প্রকল্পের একটি হলো অক্সাগন, যা বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভাসমান অবকাঠামো বা শহর হতে চলেছে। অন্তত নিওমের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে এমনটাই দাবি করা হয়েছে।
সৌদি আরবের নিওম কর্তৃপক্ষের দাবি, নিওম প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এটি হবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় আবাসিক শহর, যা যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের আয়তনের চেয়েও অন্তত ৩৩ গুণ বড় হবে। নিওম কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুসারে, এই প্রকল্প প্রায় ২৬ হাজার ৫০০ বর্গকিলোমিটার জায়গাজুড়ে নির্মিত হতে যাচ্ছে।
যাই হোক, এই মেগা প্রকল্পের ছোট্ট একটি অংশ অক্সাগন, যার আয়তন হবে প্রায় ৫০ বর্গকিলোমিটার। লোহিতসাগরের বুকে এই ভাসমান শিল্পনগরী নির্মাণ করা হবে। লোহিত সাগরের যে অংশে এই শহর নির্মাণ করা হবে, সেখানকার গড় গভীরতা প্রায় ৫০০ মিটার করে।
নিওমের ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য বলছে, এই অক্সাগন শহরের সম্পূর্ণ জ্বালানি চাহিদা মেটানো হবে নবায়নযোগ্য জ্বালানির মাধ্যমে। এ ছাড়া ইন্টারনেট অব থিংস (ইন্টারনেটের সাহায্যে সংযুক্ত ইলেকট্রনিক ডিভাইসসমূহ) কৃত্রিম ও ভবিষ্যদ্বাণীমূলক বিভিন্ন বুদ্ধিমত্তা এবং ব্যাপক রোবট ব্যবহার করা হবে এই শহরে এবং প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে একটি নিখুঁত ও নিরবচ্ছিন্ন বুদ্ধিমান ও কার্যকর সরবরাহ চেইনও গড়ে তোলা হবে এই শহরে।
অক্সাগন সৌদি আরবের ভিশন-২০৩০ নামে পরিচিত এক বৃহত্তর উদ্যোগের এক বিশেষ অংশ। তেলের ওপর সৌদি আরবের অর্থনীতির অত্যধিক নির্ভরতা কমিয়ে সেটিকে বৈচিত্র্যময় করার লক্ষ্যে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এই প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছেন। নিওম প্রকল্পের অংশ হিসেবে ৪৭টি মূল প্রকল্প প্রকাশ করা হয়েছে, যার মধ্যে অক্সাগন উল্লখযোগ্য।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
৩ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
১০ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
৩১ মিনিট আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
৩৫ মিনিট আগে