
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার ঘোষণা দিয়েছেন যে যুক্তরাজ্য মধ্যপ্রাচ্যে তাদের সামরিক উপস্থিতি জোরদার করছে। এতে নতুন করে যুদ্ধবিমান ও অন্যান্য সামরিক উপকরণ মোতায়েন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
কানাডায় অনুষ্ঠিতব্য গ্রুপ অব সেভেন (জি৭) সম্মেলনে অংশ নিতে যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় স্টারমার বলেন, ‘আমরা যুদ্ধবিমানসহ আরও সামরিক সম্পদ অঞ্চলটিতে পাঠাচ্ছি, যাতে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে সামাল দেওয়া যায়।’
প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র জানান, শুক্রবার সকাল থেকেই অঞ্চলটির নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি স্পষ্ট হওয়ার পরই এই মোতায়েনের প্রস্তুতি শুরু হয়। এরই মধ্যে যুক্তরাজ্যের ঘাঁটি থেকে অতিরিক্ত রিফুয়েলিং বিমান পাঠানো হয়েছে এবং আরও যুদ্ধবিমান পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
বর্তমানে যুক্তরাজ্যের যুদ্ধবিমান ইরাক ও সিরিয়ায় চলমান চরমপন্থী হুমকি মোকাবিলায় মোতায়েন রয়েছে। নতুন এই মোতায়েন পূর্ব ঘোষিত মিশনের অতিরিক্ত একটি প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

স্টারমার বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই আক্রমণাত্মক হামলায় যোগ দিচ্ছি না। আমাদের সিদ্ধান্ত কেবল দীর্ঘদিনের বন্ধু ও মিত্রদের সম্মিলিত আত্মরক্ষা এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন রক্ষার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে।’
২২ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে বড় ধরনের সামরিক হামলা চালালেও ‘সবচেয়ে বড় ঢেউ’ এখনো আসেনি। স্থানীয় সময় সোমবার (২ মার্চ) সকালে সিএনএনকে দেওয়া প্রায় ৯ মিনিটের এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানকে ‘ভালোভাবেই আঘা
৪১ মিনিট আগে
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ ঘোষণা দিয়েছেন, তাঁর দেশ কয়েক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক ওয়ারহেডের সংখ্যা বাড়াবে। মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে শুরু হওয়া যুদ্ধের মধ্যে তিনি এমন ঘোষণা দিলেন।
১ ঘণ্টা আগে
ফার্স নিউজ প্রকাশিত ফুটেজে দেখা যায়, একটি বিশাল আন্ডারগ্রাউন্ড টানেলে সারি সারি ড্রোন রকেট লঞ্চারের ওপর বসানো রয়েছে। বাংকারের দেয়ালগুলো ইরানের জাতীয় পতাকা এবং সম্প্রতি প্রয়াত দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছবিতে সাজানো। ভিডিওতে ড্রোনের এই বিশাল সম্ভারকে ইরানের সামরিক শক্তির অন্যতম
১ ঘণ্টা আগে