
ভারতের অভ্যন্তরীণ রুটে চলাচলকারী ইনডিগো এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করেছে। মুম্বাই থেকে গুয়াহাটিগামী ১৭৮ জন যাত্রী নিয়ে উড়োজাহাজটি দীর্ঘ সময় এই বিমানবন্দরে অবস্থান করে।
আজ শনিবার ভারতীয় সময় ভোর ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ঘন কুয়াশা ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে এমনটি ঘটেছে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে ইনডিগো কর্তৃপক্ষ। ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
ইনডিগোর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মুম্বাই থেকে গুয়াহাটিগামী ইনডিগোর ৬ই ৫৩১৯ ফ্লাইটটি বৈরী আবহাওয়ার কারণে ঢাকার দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়।
এদিকে ওই উড়োজাহাজের যাত্রীদের পাসপোর্ট না থাকায় আন্তর্জাতিক সীমানা অতিক্রমের নীতি অনুযায়ী নামার অনুমতি পায়নি। ফলে যাত্রীদের পুরো সময় উড়োজাহাজের ভেতরেই অবস্থান করতে হয়।
ফ্লাইটটির যাত্রীরা এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়েছেন।
মুম্বাই যুব কংগ্রেসের সাবেক প্রধান সুরজ সিং ঠাকুর লিখেছেন, ‘মুম্বাই থেকে গুয়াহাটিতে যাচ্ছিলাম। ঘন কুয়াশার কারণে ফ্লাইটটি গুয়াহাটিতে অবতরণ করতে পারেনি। এখন সব যাত্রী পাসপোর্ট ছাড়াই বাংলাদেশে অবস্থান করছেন। উড়োজাহাজের ভেতরেই বসে আছি আমরা।
সেই সঙ্গে ইনডিগো কর্তৃপক্ষ তাদের অফিশিয়াল টুইটারে এই অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে।
এদিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘ভারতের গুয়াহাটিতে বৈরী আবহাওয়ার জন্য ইনডিগো এয়ারলাইনসের একটি বিমান ফ্লাইট ডাইভার্ট হয়ে ঢাকা বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানটি ঢাকায় পাঁচ ঘণ্টা অবস্থান করে। পরে গুয়াহাটির আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে বিমানটি ঢাকা থেকে আবার গুয়াহাটিতে ফেরত যায়।’

যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
৮ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
২৯ মিনিট আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
৩২ মিনিট আগে
পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্য থেকে নির্বাচিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান পার্টির সিনেটর ডেভ ম্যাককরমিক বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যা করতে পারলেও ইরানকে ‘ঠিক’ করতে পারবে না। গতকাল রোববার ট্রাম্পের দলের এই সিনেটর দেশটির সম্প্রচারমাধ্যম ফক্স নিউজের একটি...
১ ঘণ্টা আগে