
ভারতের উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেছেন যে, জাতি, উপাসনা পদ্ধতি বা ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন আমাদের জন্য চরম ধ্বংসের কারণ হয়ে দাঁড়াবে, ঠিক যেমনটা আজ বাংলাদেশে দেখা যাচ্ছে। এ সময় তিনি বলেন, বাংলাদেশ ‘আমাদের জন্য এক সতর্কবার্তা।’ গতকাল শনিবার তিনি এই কথা বলেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের খবরে বলা হয়েছে, প্রয়াগরাজে মাঘ মেলার এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় যোগী আদিত্যনাথ বলেন, ‘সেখানকার (বাংলাদেশ) ঘটনা নিয়ে কেউ কোনো কথা বলে না। যারা ধর্মনিরপেক্ষতার দোকান খুলে বসেছেন, হিন্দু সমাজ ও সনাতন ধর্মকে ভেঙে ফেলার জন্য তাদের ক্ষমতার অভাব নেই; কিন্তু বাংলাদেশের ঘটনায় তাদের মুখে যেন ফেভিকল আর টেপ সেঁটে দেওয়া হয়েছে। এমনকি বাংলাদেশের ঘটনা নিয়ে কোনো মোমবাতি প্রজ্বালন মিছিলও নেই। এটা আমাদের জন্যও একটা সতর্কবার্তা।’
আদিত্যনাথ সতর্ক করে বলেন, যারা সমাজকে বিভক্ত করে তারা কখনোই মানুষের শুভাকাঙ্ক্ষী হতে পারে না। তিনি বলেন, ‘যখন ক্ষমতায় ছিল, এই মানুষগুলো নিজের পরিবারের বাইরে কিছু ভাবতে পারেনি। তারা আবার অনেক স্লোগান দেবে, কিন্তু সুযোগ পেলে সেই আগের কাজই করবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যেন, তাদের সেই কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি না ঘটে। ডাবল-ইঞ্জিন সরকার সব সময় সনাতন বিশ্বাসকে শক্তিশালী করতে পাশে আছে। বিভাজনকারীদের কখনোই আমাদের দুর্বল করতে দেবেন না। আমরা যদি এই সংকল্প নিয়ে এগিয়ে যাই, তবে ভবিষ্যৎ হবে সনাতন ধর্মের। রাম মন্দিরের ওপর যেমন নিশান উড়ছে, তেমনি সারা বিশ্বে সনাতন পতাকা উড়বে; তখন বাংলাদেশে দুর্বল এবং দলিত হিন্দুদের ওপর হাত তোলার সাহস কেউ পাবে না।’
তিনি দাবি করেন, সাধু-সন্তরাই সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করার পথ তৈরি করেন। তাঁর ভাষ্যমতে, ‘অযোধ্যায় বিশাল রাম মন্দির নির্মাণ হলো শ্রদ্ধেয় সন্তদের ঐক্যের ফল। ১৯৫২ সালের প্রথম সাধারণ নির্বাচনের পর দেশ অনেক প্রধানমন্ত্রী দেখেছে। তাঁরা প্রত্যেকেই উন্নয়নে অবদান রেখেছেন, কিন্তু অযোধ্যার মূল আত্মা শ্রদ্ধা পাওয়ার যোগ্য ছিল এবং রাম লাল্লাকে পুনরায় স্থাপন করার সেই আবেগকে মূর্ত রূপ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।’

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
১৪ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
২১ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
৪২ মিনিট আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
১ ঘণ্টা আগে