
ইরানে হামলায় ঘাঁটি ব্যবহার করতে দিতে অস্বীকৃতি জানানোর পর স্পেনের ওপর চটেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দেশটির সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করারও হুমকি দিয়েছেন। তারপরও স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ বলেছেন, তিনি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের পক্ষে নন। তিনি মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনাকে ‘লাখ লাখ মানুষের ভাগ্যের সঙ্গে রাশিয়ার রুলেট’ খেলার সঙ্গে তুলনা করেছেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান এক প্রতিবেদনে জানায়, গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সোচ্চার পেদ্রো সানচেজ। তিনি ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার বিষয়ে তাঁর সরকারের অবস্থান তুলে ধরছেন তিন শব্দে- ‘যুদ্ধ চাই না’।
সানচেজ বলেছেন, তাঁর দেশ ‘বিশ্বের জন্য খারাপ কিছু ডেকে আনতে পারে এমন কিছুতে জড়িত হবে না’। তিনি বলেন, ‘এটি আমাদের মূল্যবোধ এবং স্বার্থেরও পরিপন্থী।’
এর আগে হোয়াইট হাউসে স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডেরিখ মার্জের সঙ্গে বৈঠকের সময় ট্রাম্প ইরানে হামলার জন্য ঘাঁটি ব্যবহার করতে দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় স্পেনের কড়া সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘স্পেন খুব খারাপ।’ তিনি আরও বলেন, তিনি অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টকে স্পেনের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করতে নির্দেশ দিয়েছেন।
এরপর আজ বুধবার এক ভাষণে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানকে যুদ্ধ বন্ধ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, খুব দেরি হওয়ার আগেই এ যুদ্ধ বন্ধ হওয়া উচিত। না হলে মানবতার মহাবিপর্যয় শুরু হবে। ট্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘আপনি লাখ লাখ মানুষের ভাগ্য নিয়ে রাশিয়ান রুলেট খেলতে পারবেন না...এখন কী ঘটবে তা কেউ নিশ্চিতভাবে জানে না। এমনকি যারা প্রথম আক্রমণ শুরু করেছিল, তাদের উদ্দেশ্যও স্পষ্ট নয়। তবে আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে, এই যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হতে পারে, অনেক প্রাণহানি হতে পারে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা দিতে পারে।
সানচেজ ২০০৩ সালে ইরাক অভিযানের কথা স্মরণ দিয়ে বলেন, তাঁর পূর্বসূরি হোসে মারিয়া আজনার এই যুদ্ধ সমর্থন করেছিলেন। যদিও ওই যুদ্ধের উদ্দেশ্য ছিল সাদ্দাম হোসেনের গণবিধ্বংসী অস্ত্র নির্মূল করা, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা এবং বিশ্বব্যাপী নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। কিন্তু তা বার্লিন প্রাচীর ধ্বংসের পর ইউরোপ মহাদেশে সবচেয়ে বড় নিরাপত্তাহীনতার কারণ হয়েছে।

ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন করতে চান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, তিনি বিশ্বাস করেন, ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনে তাঁর ব্যক্তিগতভাবে সংশ্লিষ্ট থাকা উচিত।
২৫ মিনিট আগে
অধ্যাপক শুয়েকিন জিয়াং ২০২৪ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরান যুদ্ধ নিয়ে তিনি যে তিনটি বড় ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, তার দুটি এরই মধ্যে হুবহু মিলে গেছে। এখন তাঁর তৃতীয় ও সবচেয়ে ভয়ংকর ভবিষ্যদ্বাণী—‘ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের পরাজয়’ নিয়ে বিশ্বজুড়ে চলছে তোলপাড়।
৩০ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনী ইরানের ৩ হাজার ৬০০ টির বেশি বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তেহরান। এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, চলমান হামলায় ইরানের স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলো ১৩ দফায় আক্রান্ত হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে একটি মেয়েদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভয়াবহ হামলার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন এখনো তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। হামলাটি সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সামরিক অভিযানের প্রথম দিকে ঘটে এবং এতে বিপুলসংখ্যক শিশু নিহত হয়।
১ ঘণ্টা আগে