
অস্ট্রিয়ার সাল্জবুর্গের কাছে এলসবেথেন অঞ্চলের এক পরিত্যক্ত কনভেন্টে ফিরে গিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন তিন প্রবীণ নান বা খ্রিষ্ট ধর্মীয় সন্ন্যাসিনী। আপাতত তাঁরা সেখানেই থাকতে পারবেন। তবে শর্ত হলো—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে তাঁদের সম্পূর্ণভাবে দূরে থাকতে হবে। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) দেশটির চার্চ কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান জানিয়েছে, ৮৮ বছর বয়সী সিস্টার বের্নাডেট, ৮৬ বছর বয়সী রেজিনা ও ৮২ বছর বয়সী রিটা—তিনজনই একসময় গোল্ডেনস্টাইন ক্যাসেলের পাশের স্কুলের শিক্ষক ছিলেন। কয়েক মাস আগেই তাঁরা সীমাবদ্ধতা ভেঙে নিজেদের ক্যাথলিক কেয়ার হোম থেকে বেরিয়ে হঠাৎ করেই পুরোনো কনভেন্টে ফিরে যান। একসময় তাঁরা সেখানেই বসবাস করতেন।
এই ঘটনার পর বিশ্ব গণমাধ্যমে শোরগোল পড়ে যায় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁরা ব্যাপক সমর্থনও পান। তাঁদের সাবেক শিক্ষার্থীরা খাবার-দাবার, পোশাক, চিকিৎসাসেবা থেকে শুরু করে নিরাপত্তা পর্যন্ত বিভিন্ন সহায়তা করেন। এমনকি কনভেন্টের তৃতীয় তলায় ওঠার জন্য একটি চেয়ারলিফটও বসিয়ে দেন।
তবে নানদের ধর্মীয় পর্যবেক্ষক রাইখার্সবার্গ অ্যাবির প্রোভোস্ট মার্কুস গ্রাসল শুরু থেকেই দাবি করে আসছিলেন, এই তিন প্রবীণ নারী ওই পুরোনো পাথুরে ভবনে নিরাপদে বাস করতে পারবেন না। তাঁর অভিযোগ—তাঁরা নাকি আনুগত্যের শপথ ভেঙেছেন; যদিও সন্ন্যাসিনীরা তা অস্বীকার করেছেন।
অবশেষে শুক্রবার চার্চ কর্তৃপক্ষ জানায়, গ্রাসলের প্রস্তাবের ভিত্তিতেই আপাতত সন্ন্যাসিনীরা কনভেন্টে থাকতে পারবেন। তবে তাঁরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো কার্যক্রম চালাতে পারবেন না। বাইরের কোনো অতিথিও কনভেন্টে প্রবেশ করতে পারবেন না এবং চলমান আইনি বিরোধও সমাধান করতে হবে। সন্ন্যাসিনীদের স্বাস্থ্য অবনতি হলে তাঁদের এলসবেথেন নার্সিং হোমে নিবন্ধিত করে অপেক্ষমাণ তালিকায় রাখা হবে।
তবে রাতেই সন্ন্যাসিনীরা বিবৃতি দিয়ে জানান, কোনো আলোচনাই নাকি তাঁদের সঙ্গে করা হয়নি। চার্চের প্রস্তাবকে তাঁরা একতরফা ও আইনগত ভিত্তিহীন বলে অভিহিত করেছেন। বিশেষ করে, ‘যত দিন নতুন নির্দেশ না আসে’ ধরনের বাক্যাংশকে তাঁরা ‘আইনগতভাবে মূল্যহীন’ বলে মন্তব্য করেছেন। তাঁদের অভিযোগ—চার্চের প্রস্তাবটি একপ্রকার বিধিনিষেধমূলক চুক্তি, যা তাঁদের আইনি সহায়তা নেওয়া বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করা থেকে বিরত রাখতে চায়।
তাঁরা মত দিয়েছেন—চার্চ কর্তৃপক্ষ যদি সত্যিই সমাধান চায়, তবে সন্ন্যাসিনীদের দাবি ও প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে ন্যায়সংগত ও আইনসম্মত সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য যথাযথ আলোচনায় বসতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
২ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
১০ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
৩১ মিনিট আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
৩৪ মিনিট আগে