
আর্সেনালের সাবেক ফুটবলার থমাস পার্টের বিরুদ্ধে পাঁচটি ধর্ষণ এবং একটি যৌন নিপীড়নের অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছে, ২০২১ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে এসব ঘটনা ঘটে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অভিযোগগুলোর মধ্যে এক নারীর ক্ষেত্রে দুবার ধর্ষণ, দ্বিতীয় এক নারীর ক্ষেত্রে তিনবার ধর্ষণ এবং তৃতীয় এক নারীর সঙ্গে একটি যৌন নিপীড়নের ঘটনা রয়েছে।
শুক্রবার বিবিসি জানিয়েছে, থমাস পার্টে ২০২০ সাল থেকে আর্সেনাল দলের হয়ে খেলেছেন। গত সোমবার তাঁর ক্লাবের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে বিবিসি নিউজ আর্সেনাল দলের কাছে মন্তব্য চেয়েছে।
এ ঘটনার তদন্তের দায়িত্বে থাকা ডিটেকটিভ সুপারিনটেনডেন্ট অ্যান্ডি ফারফি বলেন, ‘আমাদের অগ্রাধিকার হচ্ছে, যারা অভিযোগ করেছে, তাদের পাশে থাকা ও সহায়তা প্রদান। কেউ যদি এই মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত হন বা কোনো তথ্য জানেন, তবে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ করছি।’
থমাস পার্টে আগামী ৫ আগস্ট মঙ্গলবার ওয়েস্টমিনস্টার ম্যাজিস্ট্রেটস কোর্টে হাজির হবেন বলে জানা গেছে।
থমাস পার্টের জন্ম ঘানায়। ২০১৬ সালে ঘানার জাতীয় দলে তাঁর অভিষেক ঘটে। খেলোয়াড় হিসেবে নাটকীয়ভাবে ইউরোপে উঠে আসেন তিনি এবং আটলেটিকো ও আর্সেনালে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁর খেলার ধরন, ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতা ও আন্তর্জাতিক অবদান তাঁকে একজন সম্মানিত খেলোয়াড়ে পরিণত করেছিল। বর্তমানে নির্ভরযোগ্য এক ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবে তাঁকে নিয়ে অনেক ক্লাবের আগ্রহ রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
১৯ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
২৬ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
১ ঘণ্টা আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
১ ঘণ্টা আগে