সাইপ্রাসে এবার পাওয়া গেল করোনার যুগল রূপ ‘ডেলটাক্রন’। এর আগে করোনাভাইরাসের ডেলটা ধরনে সারা বিশ্ব ভুগেছে। এখন ভুগছে ওমিক্রন ধরনের কারণে। এর মধ্যে সংক্রমণ হারে ওমিক্রন এবং আক্রান্তের অসুস্থতার মাত্রা বিচারে ডেলটা ধরন নিয়ে উদ্বিগ্ন বিশেষজ্ঞরা। এবার এ দুইয়ের সমন্বয়ে এসেছে ডেলটাক্রন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, ডেলটা ও ওমিক্রনের সমন্বিত একটি ধরন সাইপ্রাসে শনাক্ত হয়েছে। একে ডেলটাক্রন বলা হচ্ছে। এরই মধ্যে এই নতুন ধরনে আক্রান্তদের ২৫টি নমুনা গত শুক্রবার ভাইরাসের ধরন সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক তথ্যভান্ডার জিআইএসএইডে পাঠানো হয়েছে।
সাইপ্রাস বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞানের অধ্যাপক এবং ল্যাবরেটরি অব বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড মলিকিউলার ভাইরোলজির প্রধান লিওনডিস কোস্ট্রিকিস জানিয়েছেন, কোভিড-১৯ এর একটি নতুন ধরন পাওয়া গেছে, যা ভাইরাসটির ডেলটা ও ওমিক্রন ধরনের সমন্বিত একটি রূপ। শুক্রবার সাইপ্রাসের স্থানীয় টিভি চ্যানেল সিগমা টিভিতে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘ডেলটা ও ওমিক্রনের যুগল সংক্রমণ হচ্ছে এখন। আমরা দেখেছি, এটা হচ্ছে একটি নতুন ধরনের কারণে, যা এই দুইয়ের সমন্বিত একটি রূপ। এতে জিনোম ডেলটার মতো, যেখানে রয়েছে ওমিক্রনের জেনেটিক কাঠামোর স্বাক্ষরও।’
কোস্ট্রিকিস ও তাঁর সহকর্মীরা এ ধরনের ২৫টি সংক্রমণ শনাক্ত করেন। প্রাথমিক গবেষণায় তাঁরা দেখেন, ডেলটাক্রনে ধরন কোভিড আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের ক্ষেত্রে বেশি দেখা যাচ্ছে। কোস্ট্রিকস বলেন, ‘এর সংক্রমণ হার বেশি নাকি এর কারণে গুরুতর অসুস্থ হওয়ার হার বেশি, তা আমরা পরবর্তী ধাপে বোঝার চেষ্টা করছি।’

ইরানে মার্কিন হামলার পক্ষে দেশটির মাত্র চারজন নাগরিকের মধ্যে একজন সমর্থন জানিয়েছেন। অর্থাৎ এই হামলার পক্ষে মাত্র ২৫ শতাংশ আমেরিকান আর ৭৫ শতাংশই বিপক্ষে। রয়টার্স/ইপসোসের এই জরিপ থেকে জানা গেছে, প্রায় অর্ধেক আমেরিকান মনে করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক শক্তি প্রয়োগে বড্ড বেশি আগ্রহী।
৪ মিনিট আগে
ইরান একদিনে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কমপক্ষে ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১৪৮টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে নয়টি ব্যালিস্টিক আর ছয়টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। এ নিয়ে গত শনিবার থেকে আরব আমিরাতে ১৭৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, আটটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ৬৮৯টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে তেহরান।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের একেকটি ড্রোন তৈরিতে খরচ হয় মাত্র ৩৫ হাজার ডলার। বিপরীতে এটি ধ্বংস করতে একেকটি ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে ব্যয় হচ্ছে ৫ থেকে ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত। এটিই এখন পশ্চিমা সামরিক পরিকল্পনাকারীদের প্রধান দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
স্টারমার বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই আক্রমণাত্মক হামলায় যোগ দিচ্ছি না। আমাদের সিদ্ধান্ত কেবল দীর্ঘদিনের বন্ধু ও মিত্রদের সম্মিলিত আত্মরক্ষা এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন রক্ষার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে।’
২ ঘণ্টা আগে