
ইউক্রেনীয় নারীদের ধর্ষণ করতে স্বামীকে ‘উৎসাহিত করায়’ এক রুশ নারীকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। কিয়েভের শেভচেনকিভস্কি জেলা আদালত এই রায় দেন। রাশিয়ান সংবাদপত্র প্রাভদার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
এর আগে ২০২২ সালের এপ্রিলে ইউক্রেনের নিরাপত্তা পরিষেবা (এসএসইউ) বিভাগ একজন রুশ সেনার ফোনালাপ প্রকাশ করে। ওই কথোপকথনে ওলগা বাইকোভস্কায়া নামের নারী তাঁর স্বামী রাশিয়ান সেনা রোমান বাইকোভস্কিকে বলছিলেন, ‘তুমি ইউক্রেনীয় নারীদের ধর্ষণ করতে পারো, কিন্তু সুরক্ষা ব্যবহার কোরো।’
রেডিও লিবার্টির ইউক্রেনীয় ও রুশ সার্ভিসের সাংবাদিকেরা নিশ্চিত করেন, এই দম্পতি রুশ অধিকৃত ক্রিমিয়ার ফিয়োদোসিয়ায় বসবাস করেন। যুদ্ধের আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ ওলগাকে আন্তর্জাতিক ওয়ান্টেড তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে। এরপর ইউক্রেনের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো তদন্ত শেষ করে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে ওলগা বাইকোভস্কায়ার (পিনিয়াসোভা) বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
ইউক্রেনের আদালত গত ডিসেম্বরে এই মামলার শুনানি শেষে বুধবার (স্থানীয় সময়) রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় অভিযুক্ত ওলগা আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। তাঁর অনুপস্থিতিতেই এই রায় দেওয়া হয়।
গত বছর ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা রাশিয়ান সেনাদের বিরুদ্ধে অসংখ্য যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ এনেছে। এর মধ্যে বেসামরিক নাগরিক হত্যা, নারী ধর্ষণ ও গণকবরের ঘটনা সবচেয়ে আলোচিত।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
২ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
১০ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
৩১ মিনিট আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
৩৪ মিনিট আগে