
চীনের বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন, তাঁরা এমন এক শক্তিশালী রাডার চিপ আবিষ্কার করেছেন, যা বিশ্বের অন্য যেকোনো রাডার চিপের চেয়ে শক্তিশালী। চীনের সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক নিষেধাজ্ঞার মুখেও দেশটি এমন আবিষ্কারের দাবি করল। হংকংভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
পিয়ার রিভিউড জার্নাল রিসার্চ অ্যান্ড প্রোগ্রেস অব সলিড-স্টেট ইলেকট্রনিকসে প্রকাশিত নিবন্ধে চীনের বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন, তাঁদের আবিষ্কৃত চিপটি এমন শক্তিশালী রাডার সিগন্যাল উৎপন্ন করতে সক্ষম, যার সর্বোচ্চ ক্ষমতা ২ দশমিক ৪ কিলোওয়াট পর্যন্ত হতে পারে। এটি বিদ্যমান রাডার সিস্টেমের চিপেরে চেয়ে অন্তত এক থেকে দ্বিগুণ বেশি শক্তিশালী।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই চিপ এমন শক্তিশালী রাডার তৈরি করতে সক্ষম হবে, যা সামরিক ক্ষেত্রে ব্যবহৃত এক্স-ব্যান্ড (সাধারণত যে তরঙ্গ সামরিক ক্ষেত্রে ক্ষেপণাস্ত্র, বিভিন্ন সামরিক যান এবং হুমকি খুঁজে বের করতে ব্যবহৃত হয়) তরঙ্গ খুব ভালোভাবে ব্যবহার করতে পারবে। এই চিপ ব্যবহার করলে এমন তরঙ্গ উৎপাদনের খরচও পড়বে কম।
পুরোনো চিপের সঙ্গে নতুন চিপের তুলনা করতে গিয়ে চায়না ইলেকট্রনিকস টেকনোলজি গ্রুপের জ্যেষ্ঠ প্রকৌশলী ও চিপ আবিষ্কারক দলের প্রধান হু ইয়ানশেং বলেন, ‘বিদ্যমান চিপ প্রযুক্তি অতি উচ্চশক্তির মাইক্রোওয়েভ সিস্টেমের চাহিদা মেটাতে পারে না তাদের শক্তির অপেক্ষাকৃত কম ঘনত্বের কারণে। কিন্তু নতুন চিপটি এই সমস্যার মোকাবিলা করেছে।’
বিজ্ঞানীরা বলেন, তাঁরা প্রত্যাশা করছেন যে নতুন প্রজন্মের অ্যাকটিভ ফ্রেজ অ্যারে রাডারের ক্ষমতা সর্বোচ্চ ৩০ মেগাওয়াট পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। এই শক্তিশালী রাডার সাড়ে ৪ হাজার কিলোমিটার দূরের কোনো লক্ষ্যবস্তুকে শনাক্ত করতে সক্ষম। তবে এমন রাডারকে কার্যকর করতে নতুন আবিষ্কৃত এক আঙুল পরিমাণ দৈর্ঘ্যের কয়েক হাজার চিপ লাগবে।
এর আগে চলতি বছরের জুনে চীন ঘোষণা দেয় তারা সাগরে যুদ্ধজাহাজে ব্যবহারের জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী রাডার নির্মাণ করবে। নতুন এই চিপ আবিষ্কার চীনের এই উদ্যোগকে নিঃসন্দেহে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।

ইরানে মার্কিন হামলার পক্ষে দেশটির মাত্র চারজন নাগরিকের মধ্যে একজন সমর্থন জানিয়েছেন। অর্থাৎ এই হামলার পক্ষে মাত্র ২৫ শতাংশ আমেরিকান আর ৭৫ শতাংশই বিপক্ষে। রয়টার্স/ইপসোসের এই জরিপ থেকে জানা গেছে, প্রায় অর্ধেক আমেরিকান মনে করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক শক্তি প্রয়োগে বড্ড বেশি আগ্রহী।
৪ মিনিট আগে
ইরান একদিনে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কমপক্ষে ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১৪৮টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে নয়টি ব্যালিস্টিক আর ছয়টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। এ নিয়ে গত শনিবার থেকে আরব আমিরাতে ১৭৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, আটটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ৬৮৯টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে তেহরান।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের একেকটি ড্রোন তৈরিতে খরচ হয় মাত্র ৩৫ হাজার ডলার। বিপরীতে এটি ধ্বংস করতে একেকটি ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে ব্যয় হচ্ছে ৫ থেকে ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত। এটিই এখন পশ্চিমা সামরিক পরিকল্পনাকারীদের প্রধান দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
স্টারমার বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই আক্রমণাত্মক হামলায় যোগ দিচ্ছি না। আমাদের সিদ্ধান্ত কেবল দীর্ঘদিনের বন্ধু ও মিত্রদের সম্মিলিত আত্মরক্ষা এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন রক্ষার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে।’
২ ঘণ্টা আগে