
সন্ত্রাসী সংগঠনের তালিকা থেকে আফগানিস্তানের শাসকগোষ্ঠী তালেবানের নাম বাদ দেবে রাশিয়া। এমনটাই জানিয়েছেন, আফগানিস্তানে নিযুক্ত রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত জামির কাবুলভ। গতকাল শুক্রবার তিনি সাংবাদিকদের কাছে এই বিষয়টি জানিয়েছেন। রুশ সংবাদমাধ্যম আরটির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
রাশিয়ার সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম তদারককারী গোয়েন্দা সংস্থা ফেডারেল সিকিউরিটি সার্ভিসের (এফএসবি) প্রধান আলেকজান্দর বর্তনিকভও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ২০২১ সালের আগস্টে আফগানিস্তানে ক্ষমতা দখল করার পর তালেবান সরকারের সঙ্গে যেসব দেশ যোগাযোগ স্থাপন করে, তার মধ্যে প্রথম দিকেই ছিল রাশিয়া। তবে দেশটি আনুষ্ঠানিকভাবে তালেবানকে কাবুলের শাসক হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি।
গত মে মাসে জামির কাবুলভ তালেবান ‘অবশ্যই আমাদের শত্রু নয়’ বলে উল্লেখ করেছিলেন। গতকাল শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বলেন, রাশিয়ার সন্ত্রাসী সংগঠনের তালিকা থেকে তালেবানকে বাদ দেওয়ার জন্য রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, এফএসবিসহ অন্যান্য সরকারি সংস্থা কাজ করছে।
জামির কাবুলভ বলেন, ‘এই ইস্যুতে একটি মৌলিক সিদ্ধান্ত; এরই মধ্যেই রাশিয়ার নেতৃত্ব গ্রহণ করেছে।’ তিনি বলেন, ‘সব আইনি প্রক্রিয়ার অনুমতি দেওয়া দরকার। এ জন্য আইনপ্রণেতাদের, পার্লামেন্ট এবং অন্যান্য রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলোকে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে।’ তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, ‘শিগগিরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হবে।’
এদিকে, এফএসবির প্রধান গতকাল শুক্রবার বলেছেন, মস্কো ‘কালো তালিকা’ থেকে তালেবানদের অপসারণের বিষয়টি চূড়ান্ত করছে। বর্তনিকভের মতে, এই পদক্ষেপটি সংঘটিত অপরাধের বিরুদ্ধে লড়াই এবং ইসলামিক স্টেটের একটি আঞ্চলিক শাখা আইএসআইএসকেসহ অন্য গোষ্ঠীগুলোকে দমনে তালেবানের সঙ্গে ‘ব্যবহারিক সহযোগিতার’ পথ তৈরি করবে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
২ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
৯ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
৩০ মিনিট আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
৩৪ মিনিট আগে