
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের শুরু করা যুদ্ধে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন জার্মানির ভাইস চ্যান্সেলর লার্স ক্লিংবেইল। তিনি এই যুদ্ধের আন্তর্জাতিক বৈধতা নিয়েও ‘সন্দেহ’ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, জার্মানি এই সংঘাতের অংশ হবে না।
জার্মান সংবাদমাধ্যম আরএনডিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভাইস চ্যান্সেলর ক্লিংবেইল বলেন, ‘আমি পরিষ্কার করে বলছি—এটি আমাদের যুদ্ধ নয়। আমরা এই যুদ্ধে অংশগ্রহণ করব না। বিশ্ব বর্তমানে এমন এক বিপজ্জনক পরিস্থিতির দিকে ধাবিত হচ্ছে যেখানে কোনো নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা করা হচ্ছে না।’
ক্লিংবেইল আরও বলেন, ‘আমরা এমন এক পৃথিবীতে বাস করতে চাই না যেখানে কেবল “জোর যার মুলুক তার” নীতি কার্যকর থাকবে।’
তবে ভাইস চ্যান্সেলরের এই অবস্থান জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মের্ৎসের নেওয়া অবস্থানের সম্পূর্ণ বিপরীত। চ্যান্সেলর মের্ৎস এর আগে ঘোষণা করেছিলেন, তাঁর সরকার ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে একমত। বিশেষ করে ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি, ইসরায়েলের প্রতি তেহরানের হুমকি এবং প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদে সমর্থনের বিষয়ে মের্ৎস পশ্চিমা মিত্রদের পাশে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।
কিন্তু ভাইস চ্যান্সেলর ক্লিংবেইল সরাসরি চ্যান্সেলরের সেই অবস্থানের বিরোধিতা করে আন্তর্জাতিকভাবে আইনের শাসন বজায় রাখার ওপর জোর দিয়েছেন।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চলমান বিমান হামলা বন্ধের দাবিতে লন্ডনের রাজপথে নেমেছেন হাজার হাজার মানুষ। আজ শনিবার স্থানীয় সময় বিকেলে সেন্ট্রাল লন্ডনে অনুষ্ঠিত এই বিশাল বিক্ষোভ মিছিলে অন্তত পাঁচ হাজার মানুষ অংশ নিয়েছেন বলে জানিয়েছে মেট্রোপলিটন পুলিশ।
৫ মিনিট আগে
এর আগে শুক্রবার ট্রাম্প ইরানের ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’-এর দাবি তুলেছিলেন। এর জবাবে ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান আজ রাষ্ট্রীয় টিভিতে সম্প্রচারিত ভাষণে বলেন, ‘যারা ভাবে ইরানি জনগণের নিঃশর্তভাবে আত্মসমর্পণ করবে, তাদের সেই আশা নিয়ে কবরে যেতে হবে।’
১ ঘণ্টা আগে
আজকের এই বিশেষ বৈঠকের নাম দেওয়া হয়েছে ‘শিল্ড অব দ্য আমেরিকাস’। এর মাধ্যমে ট্রাম্প ঘরের কাছের অঞ্চলে নিজের শক্তি ও কর্তৃত্ব জাহির করার সুযোগ পাচ্ছেন, বিশেষ করে যখন মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ফলে তেল ও গ্যাসের দাম বৃদ্ধির মতো বিষয়গুলো তাঁর নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইরান প্রতিবেশীদের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে ‘খুব কঠিন’ হামলারও হুমকি দিয়েছেন তিনি। প্রতিবেশী দেশগুলোর দিক থেকে কোনো হুমকি না এলে ইরান আর তাদের ভূখণ্ডে হামলা করবে না—ইরানি প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং পরে ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস
৩ ঘণ্টা আগে