সরাসরি সম্প্রচারে থাকা অবস্থায় ফিলিপাইনে এক রেডিও উপস্থাপককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। আজ রোববার বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হত্যার শিকার ওই ব্যক্তির নাম জুয়ান জুমালোন। তিনি ডিজে জনি ওয়াকার নামেও পরিচিত। এই হত্যার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট মর্কোস জুনিয়র।
ফিলিপাইনের ন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর জার্নালিস্টের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের জুনে মার্কোস জুনিয়র দেশটির প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত চার সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন।
ওই সাংবাদিক ইউনিয়ন দাবি করেছে, সর্বশেষ সাংবাদিক হত্যার ঘটনাটি সবচেয়ে বেশি নিন্দনীয়। কারণ ডিজে জনিকে তাঁর বাসায় ঢুকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। ওই বাসাটি একটি রেডিও স্টেশন হিসেবেও ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় রোববার সকাল সাড়ে ৫টার দিকে ফেসবুকে সরাসরি সম্প্রচারিত একটি অনুষ্ঠানে ছিলেন জনি। এ সময় সন্দেহভাজন হত্যাকারী তাঁর রেকর্ডিং বুথে প্রবেশ করে এবং গুলি করে।
পুলিশের বরাতে স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, হত্যার আগে সন্দেহভাজন ব্যক্তি জনি রেডিও বুথে প্রবেশ করার অনুমতি চায় এই বলে যে—তিনি একটি জরুরি বিষয় ঘোষণা করতে চান।
পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকারীকে শনাক্ত করার জন্য তারা ইতিমধ্যেই জনির বাড়ির আশপাশে থাকা বিভিন্ন সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করেছে। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর জনিকে তাঁর স্ত্রী দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে চিকিৎসকেরা জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই জনির মৃত্যু হয়েছে।
এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট মর্কোস জুনিয়র। এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অ্যাক্সে এক টুইট বার্তায় তিনি পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন যেন সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকারীকে যত দ্রুত সম্ভব বিচারের আওতায় আনা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি পর্যবেক্ষক সংস্থা বলেছে, সারা বিশ্বে সাংবাদিকদের জন্য ফিলিপাইন একটি ভয়ংকর দেশ।

ইরানে মার্কিন হামলার পক্ষে দেশটির মাত্র চারজন নাগরিকের মধ্যে একজন সমর্থন জানিয়েছেন। অর্থাৎ এই হামলার পক্ষে মাত্র ২৫ শতাংশ আমেরিকান আর ৭৫ শতাংশই বিপক্ষে। রয়টার্স/ইপসোসের এই জরিপ থেকে জানা গেছে, প্রায় অর্ধেক আমেরিকান মনে করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক শক্তি প্রয়োগে বড্ড বেশি আগ্রহী।
৩ মিনিট আগে
ইরান একদিনে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কমপক্ষে ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১৪৮টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে নয়টি ব্যালিস্টিক আর ছয়টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। এ নিয়ে গত শনিবার থেকে আরব আমিরাতে ১৭৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, আটটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ৬৮৯টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে তেহরান।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের একেকটি ড্রোন তৈরিতে খরচ হয় মাত্র ৩৫ হাজার ডলার। বিপরীতে এটি ধ্বংস করতে একেকটি ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে ব্যয় হচ্ছে ৫ থেকে ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত। এটিই এখন পশ্চিমা সামরিক পরিকল্পনাকারীদের প্রধান দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
স্টারমার বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই আক্রমণাত্মক হামলায় যোগ দিচ্ছি না। আমাদের সিদ্ধান্ত কেবল দীর্ঘদিনের বন্ধু ও মিত্রদের সম্মিলিত আত্মরক্ষা এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন রক্ষার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে।’
২ ঘণ্টা আগে