
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধ সম্প্রসারিত হওয়ায় সোমবার (২ মার্চ) বিকেলে শত শত ইরানি নাগরিক তুরস্কে প্রবেশ করেছেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
এর আগে সোমবার সকালে তুরস্ক সরকার ঘোষণা করেছিল, তুরস্ক–ইরান সীমান্তের তিনটি গেট দিয়ে ইরানি যাত্রীদের পারাপার পারস্পরিকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে। তুরস্ক তখন শুধু নিজেদের নাগরিক এবং তৃতীয় দেশের নাগরিকদের প্রবেশের অনুমতি দিচ্ছিল। রোববার ভ্রমণকারীরা রয়টার্সকে জানিয়েছিলেন, কিছু ইরানি নাগরিককে তুরস্কে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়েছে।
তবে সোমবার বিকেলে পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটে। ইরানিরা তুরস্কের ‘ক্যাপিকয়’ সীমান্ত গেট দিয়ে প্রবেশ করতে শুরু করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তেহরান থেকে আসা এক ব্যক্তি বলেন, ‘তেহরানের পরিস্থিতি ইতিমধ্যেই কঠিন। বোমা হামলা হচ্ছে। সবাই ভীত।’ তিনি জানান, তাঁর স্ত্রী ও সন্তানেরা বর্তমানে তুরস্কেই রয়েছেন। যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিনেই তিনি তেহরানের দোকানগুলোতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে সাধারণ মানুষের প্রচণ্ড ভিড় দেখেছেন। তিনি আরও বলেন, ‘সাধারণ মানুষের ওপর এখনো সরাসরি কিছু ঘটেনি। কিন্তু সবাই আতঙ্কে আছে।’
তুরস্ক সীমান্তের কাছে কাজভিন অঞ্চলের ইরানি নাগরিক বিনালি কিলিচ জানান, তাঁদের এলাকায় জীবনযাত্রা স্বাভাবিক থাকলেও সামরিক এলাকাগুলোতে লাগাতার বোমা হামলা হচ্ছে। এই পরিস্থিতি সাধারণ মানুষের জীবনে প্রভাব ফেলছে। তিনি বলেন, ‘মানুষ এখন ঘরে অবস্থান করছে। আশপাশে বোমা বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে।’
তুরস্ক সীমান্তের কাছে হালকা তুষারপাতের মধ্যে ইরানের অনেক নাগরিককে স্যুটকেস টেনে সীমান্ত গেট পেরিয়ে অপেক্ষমাণ মিনিবাসের দিকে যেতে দেখা গেছে।
ইতিপূর্বে তুরস্কের বাণিজ্যমন্ত্রী ওমের বোলাত বলেছিলেন, ‘তুরস্কের সীমান্ত পারাপার ও বাণিজ্যিক প্রবাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে আমাদের সব ইউনিট উচ্চ সতর্কতায় দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।’

ইরান একদিনে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কমপক্ষে ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১৪৮টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে নয়টি ব্যালিস্টিক আর ছয়টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। এ নিয়ে গত শনিবার থেকে আরব আমিরাতে ১৭৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, আটটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ৬৮৯টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে তেহরান।
২৩ মিনিট আগে
ইরানের একেকটি ড্রোন তৈরিতে খরচ হয় মাত্র ৩৫ হাজার ডলার। বিপরীতে এটি ধ্বংস করতে একেকটি ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে ব্যয় হচ্ছে ৫ থেকে ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত। এটিই এখন পশ্চিমা সামরিক পরিকল্পনাকারীদের প্রধান দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
৩১ মিনিট আগে
স্টারমার বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই আক্রমণাত্মক হামলায় যোগ দিচ্ছি না। আমাদের সিদ্ধান্ত কেবল দীর্ঘদিনের বন্ধু ও মিত্রদের সম্মিলিত আত্মরক্ষা এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন রক্ষার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে।’
১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে বড় ধরনের সামরিক হামলা চালালেও ‘সবচেয়ে বড় ঢেউ’ এখনো আসেনি। স্থানীয় সময় সোমবার (২ মার্চ) সকালে সিএনএনকে দেওয়া প্রায় ৯ মিনিটের এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানকে ‘ভালোভাবেই আঘা
২ ঘণ্টা আগে