
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণ না করায় ন্যাটোর সদস্য ও দীর্ঘদিনের মিত্র দেশগুলোকে কঠোর ভাষায় আক্রমণ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে তিনি এই মিত্রদের ‘ভীরু-কাপুরুষ’ বলে অভিহিত করেছেন এবং ভবিষ্যতে বিষয়টি মনে রাখা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর পোস্টে লিখেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া ন্যাটো একটি কাগুজে বাঘ!’ তিনি অভিযোগ করেন, ন্যাটোর দেশগুলো ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দিতে অনীহা দেখাচ্ছে, অথচ তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে তারা ঠিকই অভিযোগ করে যাচ্ছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে অস্থিরতা বিরাজ করছে। এই যুদ্ধে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু এবং লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুদ্ধের সামরিক জয় প্রায় নিশ্চিত হওয়ার পথে এবং এখন হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করা একটি সহজ সামরিক কৌশলের বিষয় মাত্র।
তিনি মিত্র দেশগুলোর সমালোচনা করে বলেন, ‘এই যুদ্ধে আমরা জয়ের পথে। এখন তাদের জন্য ঝুঁকি কম, ঠিক এই সময়ই তারা তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে অভিযোগ করছে। অথচ তেলের দাম বাড়ার একমাত্র কারণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকা। এটি খুলে দিতে তারা কোনো সাহায্য করতে চায় না।’
শেষে ট্রাম্প অত্যন্ত কড়া ভাষায় লিখেছেন, ‘তোমরা কাপুরুষ, এই অসহযোগিতা মনে রাখা হবে!’
উল্লেখ্য, ইরান যুদ্ধ শুরুর আগে ট্রাম্প তাঁর কোনো প্রধান মিত্র দেশের সঙ্গে পরামর্শ করেননি বা তাদের আগাম তথ্য দেননি বলে অভিযোগ রয়েছে। এখন সেই মিত্র দেশগুলোকেই তিনি হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিতে জাহাজ ও সেো পাঠাতে চাপ দিচ্ছেন।

তিনি বলেন, ‘এই পরিস্থিতি অর্থনীতিকে মন্দার দিকে ঠেলে দিতে পারে তা এখনই বলছি না, তবে আমাদের ধারণার চেয়েও অনেক বেশি দুর্বল করে দিতে পারে।’
২ ঘণ্টা আগে
ইউরোপের দেশ চেক প্রজাতন্ত্রে ইসরায়েলের বৃহত্তম অস্ত্র প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ‘এলবিট সিস্টেমস’-এর একটি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার ‘আর্থকোয়েক ফ্যাকশন’ নামক একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। তারা জানিয়েছে, ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি....
২ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান উত্তেজনার প্রভাব এবার সরাসরি বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতি ও সামরিক কৌশলে পড়তে শুরু করেছে। একদিকে ইরান হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে নতুন নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে, অন্যদিকে নিরাপত্তা শঙ্কার মুখে ইরাক থেকে সৈন্য প্রত্যাহার শুরু করেছে ন্যাটো।
২ ঘণ্টা আগে
ইরান জানিয়েছে, তাদের উপকূল ঘেঁষে তৈরি এই নতুন করিডর দিয়ে কেবল তাদের বাছাই করা জাহাজগুলোই যাতায়াত করতে পারবে। ইনজামাম রশিদ বলেন, ‘ইরান স্পষ্ট করে দিয়েছে, আইআরজিসির পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো জাহাজ এ পথে প্রবেশ করতে পারবে না।’
২ ঘণ্টা আগে