দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরুতে ১২০০ বছর আগের ছয়টি শিশুর মমি উদ্ধার হয়েছে। রাজধানী লিমা থেকে ১৬ কিলোমিটার দূরের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় এলাকা কাজামারকুইলা থেকে মমিগুলোর সন্ধান মেলে। গত নভেম্বরে এই মমিগুলোর সন্ধান মেলে।
প্রত্নতত্ত্ববিদদের ধারণা, মৃত সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিকে পরবর্তী জীবনে সঙ্গ দিতে ওই ছয় শিশুকে বলি দেওয়া হয়েছিল। লিমার নিকটবর্তী কাজামারকুইলা বৃহত্তম প্রত্নতাত্ত্বিক কমপ্লেক্সগুলোর মধ্যে গত বছর ওই সম্ভ্রান্ত ব্যক্তির দেহাবশেষ পাওয়া গিয়েছিল। ওই সম্ভ্রান্ত ব্যক্তির বয়স ছিল আনুমানিক ২০। তিনি একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন বলে মনে করছেন প্রত্নতত্ত্ববিদেরা।
পেরুর গবেষক পিটার ভ্যান ডালিন বলেন, ‘গত নভেম্বরে যে ধরনের মমি উদ্ধার করেছিলাম, এগুলোও একইভাবে রাখা ছিল। এখান থেকে উদ্ধার হওয়া ১৩টি মমিই রশি দিয়ে বাঁধা পেয়েছি। হয়তো প্রথা মেনে এভাবে বিশেষ উপায়ে সংরক্ষণ করতেন তাঁরা। তবে সঠিক ধারণা পেতে গবেষণা চলছে।’
প্রত্নতত্ত্ববিদেরা বলছেন, মাটি খুঁড়ে প্রথমে কয়েকটি ঘরের সন্ধান মেলে। পরে ঘরের ভেতরে বস্তায় মোড়ানো ৬ শিশুর মমি উদ্ধার হয়। দেহাবশেষের পাশে মিলেছে বেশ কিছু মাটি ও ধাতুর হাঁড়ি-পাতিল। প্রায় একই জায়গা থেকে গত বছর সাত ব্যক্তির দেহাবশেষ পান গবেষকেরা, যেগুলো মমি করা ছিল না।
কাজামারকুইলায় একটি প্রাচীন শহর ছিল, যা ২০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে গড়ে ওঠে বলে জানিয়েছেন ইতিহাসবিদেরা।

ইরানে মার্কিন হামলার পক্ষে দেশটির মাত্র চারজন নাগরিকের মধ্যে একজন সমর্থন জানিয়েছেন। অর্থাৎ এই হামলার পক্ষে মাত্র ২৫ শতাংশ আমেরিকান আর ৭৫ শতাংশই বিপক্ষে। রয়টার্স/ইপসোসের এই জরিপ থেকে জানা গেছে, প্রায় অর্ধেক আমেরিকান মনে করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক শক্তি প্রয়োগে বড্ড বেশি আগ্রহী।
৩ মিনিট আগে
ইরান একদিনে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কমপক্ষে ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১৪৮টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে নয়টি ব্যালিস্টিক আর ছয়টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। এ নিয়ে গত শনিবার থেকে আরব আমিরাতে ১৭৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, আটটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ৬৮৯টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে তেহরান।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের একেকটি ড্রোন তৈরিতে খরচ হয় মাত্র ৩৫ হাজার ডলার। বিপরীতে এটি ধ্বংস করতে একেকটি ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে ব্যয় হচ্ছে ৫ থেকে ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত। এটিই এখন পশ্চিমা সামরিক পরিকল্পনাকারীদের প্রধান দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
স্টারমার বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই আক্রমণাত্মক হামলায় যোগ দিচ্ছি না। আমাদের সিদ্ধান্ত কেবল দীর্ঘদিনের বন্ধু ও মিত্রদের সম্মিলিত আত্মরক্ষা এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন রক্ষার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে।’
২ ঘণ্টা আগে