
যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ছবিসংবলিত ২৪ ক্যারেটের একটি বিশেষ স্বর্ণমুদ্রার চূড়ান্ত নকশা অনুমোদন করেছে দেশটির ফেডারেল আর্টস কমিশন। গতকাল বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) কমিশন সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। আগামী ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০ বছর পূর্তি উদ্যাপনের অংশ হিসেবে স্মারক মুদ্রাটি প্রকাশ করা হবে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী, স্বর্ণমুদ্রার সামনের অংশে ট্রাম্পের স্যুট-টাই পরা একটি গাম্ভীর্যপূর্ণ ছবি থাকবে। ছবিতে তাঁকে একটি ডেস্কে হাত রেখে সামনের দিকে ঝুঁকে থাকা অবস্থায় দেখা যাবে। মুদ্রার ওপরের অংশে খিলান আকৃতিতে লেখা থাকবে ‘লিবার্টি’ এবং তার নিচেই ‘১৭৭৬’ ও ‘২০২৬’ সাল উল্লেখ করা থাকবে। নিচের অংশে লেখা থাকবে ‘ইন গড উই ট্রাস্ট’। এ ছাড়া মুদ্রার একপাশে সাতটি এবং অন্যপাশে ছয়টি তারকা খচিত থাকবে।
মুদ্রার উল্টো পিঠে ডানা মেলা একটি ইগলের ছবি থাকবে, যার ডান পাশে ‘ইউনাইটেড স্টেটস অব আমেরিকা’ এবং বাঁ পাশে ‘ই প্লুরিবুস উনুম’ কথাটি লেখা থাকবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আইন অনুযায়ী, কোনো জীবিত প্রেসিডেন্টের ছবি দেশটির মুদ্রায় ব্যবহার করা নিষিদ্ধ। তবে মার্কিন মিন্টের ডিজাইন ম্যানেজমেন্ট অফিসের ভারপ্রাপ্ত প্রধান মেগান সুলিভান জানান, ট্রেজারি সেক্রেটারির বিশেষ স্মারক মুদ্রা অনুমোদনের ক্ষমতা রয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেই এই নকশাটি পছন্দ করেছেন।
হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের বিশেষ সহকারী ও কমিশনার চেম্বারলেইন হ্যারিস বলেন, ‘এটি প্রেসিডেন্টের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং কঠোর প্রতিচ্ছবি। দেশের ২৫০তম বছরে দায়িত্ব পালনরত একজন প্রেসিডেন্টের ছবি স্মারক মুদ্রায় থাকা যৌক্তিক।’
অন্য এক কমিশনার জেমস ম্যাকক্রেরি জানান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বড় আকারের জিনিস পছন্দ করেন, তাই মুদ্রার আকার যতটা সম্ভব বড় করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘এই পরিস্থিতি অর্থনীতিকে মন্দার দিকে ঠেলে দিতে পারে তা এখনই বলছি না, তবে আমাদের ধারণার চেয়েও অনেক বেশি দুর্বল করে দিতে পারে।’
১ ঘণ্টা আগে
ইউরোপের দেশ চেক প্রজাতন্ত্রে ইসরায়েলের বৃহত্তম অস্ত্র প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ‘এলবিট সিস্টেমস’-এর একটি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার ‘আর্থকোয়েক ফ্যাকশন’ নামক একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। তারা জানিয়েছে, ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি....
২ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান উত্তেজনার প্রভাব এবার সরাসরি বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতি ও সামরিক কৌশলে পড়তে শুরু করেছে। একদিকে ইরান হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে নতুন নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে, অন্যদিকে নিরাপত্তা শঙ্কার মুখে ইরাক থেকে সৈন্য প্রত্যাহার শুরু করেছে ন্যাটো।
২ ঘণ্টা আগে
ইরান জানিয়েছে, তাদের উপকূল ঘেঁষে তৈরি এই নতুন করিডর দিয়ে কেবল তাদের বাছাই করা জাহাজগুলোই যাতায়াত করতে পারবে। ইনজামাম রশিদ বলেন, ‘ইরান স্পষ্ট করে দিয়েছে, আইআরজিসির পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো জাহাজ এ পথে প্রবেশ করতে পারবে না।’
২ ঘণ্টা আগে