
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান রক্তক্ষয়ী সংঘাতের লেলিহান শিখা এবার আফ্রিকার দেশ উগান্ডায় পৌছেছে। উগান্ডার সেনাপ্রধান জেনারেল মুহুজি কাইনেরুগাবা এক ঘোষণায় জানিয়েছেন, ইসরায়েল যদি ধ্বংসের মুখে পড়ে, তবে তার দেশ সরাসরি তেল আবিবের পক্ষে যুদ্ধে অবতীর্ণ হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় তিনি এই কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেন।
জেনারেল মুহুজি লিখেছেন, ‘আমরা চাই মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ এখনই শেষ হোক। বিশ্ব এই সংঘাতে ক্লান্ত। তবে ইসরায়েলকে ধ্বংস বা পরাজিত করার যেকোনো কথা আমাদের এই যুদ্ধে টেনে আনবে। আর আমরা থাকব ইসরায়েলের পক্ষেই!’
উগান্ডার এই ক্ষমতাধর সামরিক কর্মকর্তা সরাসরি ইরানকে লক্ষ্য করে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি বলেন, ‘তেহরান যদি আমাদের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দুঃসাহস দেখায়, তবে আমরাও আমাদের নিজস্ব ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে তার সমুচিত জবাব দেব।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘ইসরায়েলের যদি কোনো সাহায্যের প্রয়োজন হয়, তবে কেবল বললেই হবে। তাদের উগান্ডান ভাইয়েরা সহায়তার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।’
উল্লেখ্য, জেনারেল মুহুজি কাইনেরুগাবা উগান্ডার প্রেসিডেন্ট ইয়োওয়েরি মুসেভেনির পুত্র এবং দেশটির নিরাপত্তা ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। ইসরায়েলি নেতৃত্বের প্রতি তার মুগ্ধতা নতুন কিছু নয়। চলতি বছরের শুরুর দিকে তিনি ১৯৭৬ সালের এন্টেবে উদ্ধার অভিযানে নিহত ইসরায়েলি কমান্ডো জোনাথন নেতানিয়াহুর সম্মানে উগান্ডায় একটি মূর্তি স্থাপনের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছিলেন। এই জোনাথন নেতানিয়াহু ছিলেন বর্তমান ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ভাই।
যদিও উগান্ডা সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এখন পর্যন্ত কোনো সামরিক মোতায়েনের ঘোষণা দেয়নি, তবে সেনাপ্রধানের এমন ইসরায়েলিপন্থী অবস্থান আন্তর্জাতিক মহলে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। জেনারেল মুহুজি তার বিতর্কিত ও স্পষ্টভাষী সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের জন্য আগে থেকেই পরিচিত, যা অনেক সময় আঞ্চলিক কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি করেছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে আফ্রিকার কোনো দেশের এমন সরাসরি অবস্থান নেওয়া অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। যদিও উগান্ডা ঐতিহাসিকভাবেই ইসরায়েলের সঙ্গে নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা ক্ষেত্রে সহযোগিতা বজায় রেখে আসছে, তবে সরাসরি যুদ্ধে জড়ানোর এই হুমকি মধ্যপ্রাচ্য সংকটকে আরও বহুমুখী করে তুলতে পারে।

টানা ৩৫ দিন পর্যন্ত ইরানি ভূখণ্ডের ভেতরে কোনো মার্কিন বিমান বিধ্বস্ত হয়নি। কিন্তু গতকাল ইরানের হামলায় একটি মার্কিন এফ-১৫ই যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়েছে এবং এর একজন ক্রু সদস্যকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও অন্যজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
২০ মিনিট আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করছেন, ইরানের সামরিক শক্তি ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’ হয়ে গেছে। তবে এর মধ্যেই দুটি আধুনিক আমেরিকান সামরিক বিমান ভূপাতিত করেছে ইরান। গত ২০ বছরের মধ্যে এটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি বিরল ঘটনা। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরান ‘সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন’ হয়ে গেছে,
৪০ মিনিট আগে
ইরানের বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং দেশটির শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষায় থাকা নির্বাসিত বিরোধী দলগুলোর মধ্যে গত এক মাসে নাটকীয় পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যুদ্ধের শুরুতে যে উন্মাদনা এবং উল্লাস দেখা গিয়েছিল, তা এখন স্তিমিত হয়ে আসছে। যুদ্ধ যত দীর্ঘায়িত হচ্ছে, সাধারণ ইরানিদের জন্য এর সুফল...
৪০ মিনিট আগে
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) গতকাল শুক্রবার রাতে এক বিশেষ বিবৃতিতে দাবি করেছে, ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিটগুলো গত ২৪ ঘণ্টায় মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর একটি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান এবং পাঁচটি ড্রোন ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে।
৪ ঘণ্টা আগে