রোজায় খাদ্যাভ্যাস ও খাওয়ার সময়সূচিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসে। সেহরি বা ইফতারে বেশি খাবার খেলে রক্তে সুগারের মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যায়। ফলে দীর্ঘদিন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের এই সময় রক্তে হঠাৎ সুগার বেড়ে গিয়ে চোখের ভেতর রেটিনায় রক্তক্ষরণ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এ কারণে ডায়াবেটিস রোগীদের খাবারদাবার সুনিয়ন্ত্রিত এবং পরিমিত হওয়া প্রয়োজন।
রোজায় ডায়াবেটিসের রোগীদের চোখের যত্নে করণীয়—
দীর্ঘ সময় পানি পান না করার কারণে রোজায় শরীর পানিশূন্য হয়ে যেতে পারে, যা চোখের শুষ্কতা বাড়ায়। তাই ইফতার ও সেহরির মধ্যে পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে।
ভিটামিন এ, সি, ই-সমৃদ্ধ খাবার; যেমন গাজর, পালংশাক, বাদাম, কমলা ইত্যাদি চোখের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
রক্তে শর্করার মাত্রা অনিয়ন্ত্রিত থাকলে চোখের রক্তনালি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই রোজার সময়ও নিয়মিত রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করান।
দীর্ঘ সময় স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকবেন না। প্রতি ২০ মিনিট পর ২০ সেকেন্ডের জন্য দূরে তাকান।
চোখ শুষ্ক হয়ে গেলে কিংবা চুলকালে হাত দিয়ে ঘষবেন না। প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে চোখের ড্রপ ব্যবহার করুন।
পর্যাপ্ত ঘুম না হলে চোখের ফোলা ও লালচে ভাব এবং চোখের শুষ্কতা বাড়তে পারে। প্রতিদিন কমপক্ষে ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমান।
ঝাপসা দেখা, চোখে ব্যথা কিংবা আলোতে সংবেদনশীলতা অনুভব করলে দ্রুততম সময়ে চক্ষুবিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

রমজান হলো আত্মশুদ্ধি ও সংযমের মাস। তবে খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তন হওয়ার কারণে এই সময়ে আমাদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কিংবা ইমিউন সিস্টেম কিছুটা ভিন্নভাবে কাজ করে। একজন চিকিৎসক ও অণুজীববিজ্ঞানী হিসেবে মনে করি, সঠিক বৈজ্ঞানিক সচেতনতা থাকলে রোজার মাধ্যমেও শরীর রোগমুক্ত, দূষণমুক্ত...
২ দিন আগে
রমজান মাস আমাদের ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক উন্নতির সময় হলেও এই সময়ে আমাদের শরীরের বিভিন্ন অংশের, বিশেষত চোখের যত্ন নেওয়া জরুরি। দীর্ঘ সময় সেহরি থেকে ইফতার পর্যন্ত পানাহার এবং ঘুমের অভাব আমাদের চোখের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে। তাই রমজানে চোখের সঠিক যত্ন নেওয়া প্রয়োজন।
২ দিন আগে
থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতিকে বলা হয় হাইপোথাইরয়েডিজম। এটি হতে পারে অটো এমিনোর কারণে কিংবা থাইরয়েড গ্রন্থিতে কোনো সংক্রমণ বা আয়োডিনের ঘাটতি অথবা থাইরয়েডের কোনো অপারেশন বা থাইরয়েড গ্রন্থিতে রেডিও আয়োডিন থেরাপি দেওয়ার পর।
২ দিন আগে
রমজান মাসে আমাদের স্বাভাবিক অভ্যাসে কিছু পরিবর্তন আসে। এ সময় খাওয়াদাওয়ার সময় ও ধরন বদলে যায়। আরও বদলে যায় ঘুমের সময়। এই নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে হয় শরীরকে। এ জন্য নতুন করে অনেক অভ্যাস তৈরি করতে হয়।
২ দিন আগে