
বোতলজাত পানির চেয়ে সরাসরি ট্যাপের পানি পান করাই বেশি নিরাপদ হতে পারে বলে মত দিয়েছেন একদল মার্কিন পরিবেশবিজ্ঞানী। যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও স্টেট ইউনিভার্সিটির নতুন এক গবেষণায় বোতলজাত পানিতে ট্যাপের পানির তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি মাত্রায় মাইক্রোপ্লাস্টিক ও ন্যানোপ্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন গণমাধ্যম ‘দ্য পিপল’ জানিয়েছে, গবেষণাটিতে যুক্তরাষ্ট্রের লেক ইরি অঞ্চলের আশপাশের চারটি পানি শোধনাগার থেকে সংগৃহীত ট্যাপের পানি এবং ছয়টি ভিন্ন ব্র্যান্ডের বোতলজাত পানির নমুনা বিশ্লেষণ করা হয়। গবেষকেরা এগুলোতে ন্যানোপ্লাস্টিক ও মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পরিমাপ করেন।
‘সায়েন্স অব দ্য টোটাল এনভায়রনমেন্ট’ সাময়িকীতে প্রকাশিত ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, আকারে ছোট মাইক্রোপ্লাস্টিক ও ন্যানোপ্লাস্টিকের ক্ষেত্রে বোতলজাত পানিতে কণার ঘনত্ব ট্যাপের পানির তুলনায় অনেক বেশি।
গবেষণার প্রধান লেখক ও ওহাইও স্টেট ইউনিভার্সিটির পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের পিএইচডি গবেষক মেগান জেমিসন হার্ট বলেছেন, ন্যানোপ্লাস্টিক মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর ঠিক কী ধরনের প্রভাব ফেলে, সেই বিষয়ে এখনো পূর্ণাঙ্গ ধারণা নেই। তবে তিনি যোগ করেন, এখন পর্যন্ত বিদ্যমান প্রমাণ থেকে বোঝা যায়, এসব কণা শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই ঝুঁকি কমানোর চেষ্টা করাই বুদ্ধিমানের।
এই গবেষণার বিশেষত্ব হলো, আগের গবেষণাগুলো যেখানে মূলত মাইক্রোপ্লাস্টিকের ওপর গুরুত্ব দিয়েছিল, সেখানে এবার ন্যানোপ্লাস্টিকের উপস্থিতিও বিশদভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। গবেষকদের মতে, উভয় ধরনের পানির নমুনায় পাওয়া মোট প্লাস্টিক কণার অর্ধেকের বেশি ছিল ন্যানোপ্লাস্টিক। আর বোতলজাত পানির ক্ষেত্রে এসব কণার বড় অংশই এসেছে প্লাস্টিকের বোতলটিতে প্যাকেজিং করার সময়।
মানুষের ক্ষেত্রে এর দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যপ্রভাব এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, মাইক্রোপ্লাস্টিক কোষের ক্ষতি, প্রদাহ এবং হৃদ্রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। আরও পাওয়া গেছে—এগুলো প্রজনন সমস্যা, স্মৃতিশক্তি ও শেখার ক্ষমতা হ্রাস, এমনকি ক্যানসারের ঝুঁকিও তৈরি করতে পারে।
এই প্রেক্ষাপটে হার্ট বলেন, দৈনন্দিন জীবনে ক্ষতিকর রাসায়নিকের সংস্পর্শ কমাতে সচেতন সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি। তাঁর মতে, তৃষ্ণা মেটানোর জন্য বোতলজাত পানি না কিনে সরাসরি ট্যাপের পানি পান করাই সাধারণ মানুষের জন্য তুলনামূলকভাবে ভালো বিকল্প হতে পারে।

রমজান হলো আত্মশুদ্ধি ও সংযমের মাস। তবে খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তন হওয়ার কারণে এই সময়ে আমাদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কিংবা ইমিউন সিস্টেম কিছুটা ভিন্নভাবে কাজ করে। একজন চিকিৎসক ও অণুজীববিজ্ঞানী হিসেবে মনে করি, সঠিক বৈজ্ঞানিক সচেতনতা থাকলে রোজার মাধ্যমেও শরীর রোগমুক্ত, দূষণমুক্ত...
২ দিন আগে
রমজান মাস আমাদের ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক উন্নতির সময় হলেও এই সময়ে আমাদের শরীরের বিভিন্ন অংশের, বিশেষত চোখের যত্ন নেওয়া জরুরি। দীর্ঘ সময় সেহরি থেকে ইফতার পর্যন্ত পানাহার এবং ঘুমের অভাব আমাদের চোখের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে। তাই রমজানে চোখের সঠিক যত্ন নেওয়া প্রয়োজন।
২ দিন আগে
থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতিকে বলা হয় হাইপোথাইরয়েডিজম। এটি হতে পারে অটো এমিনোর কারণে কিংবা থাইরয়েড গ্রন্থিতে কোনো সংক্রমণ বা আয়োডিনের ঘাটতি অথবা থাইরয়েডের কোনো অপারেশন বা থাইরয়েড গ্রন্থিতে রেডিও আয়োডিন থেরাপি দেওয়ার পর।
২ দিন আগে
রমজান মাসে আমাদের স্বাভাবিক অভ্যাসে কিছু পরিবর্তন আসে। এ সময় খাওয়াদাওয়ার সময় ও ধরন বদলে যায়। আরও বদলে যায় ঘুমের সময়। এই নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে হয় শরীরকে। এ জন্য নতুন করে অনেক অভ্যাস তৈরি করতে হয়।
২ দিন আগে