পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান দুর্নীতিসহ একাধিক মামলায় দণ্ডিত হয়ে আদিয়ালা কারাগারের সাজাভোগ করছেন। চলতি বছরের জানুয়ারিতে দুর্নীতির দায়ে তাঁর ১৪ বছরের কারাদণ্ড হয়। এর আগে ২০২৩ সালের আগস্টে একাধিক মামলায় তাঁর কারাদণ্ড হয়।
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান জেলের ভেতরে মারা গেছেন—এই দাবিতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি বিজ্ঞপ্তির ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। একই ক্যাপশনে বিভিন্ন এক্স ও ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ছবিটি পোস্ট করা হয়েছে। কথিত ওই বিজ্ঞপ্তির ছবিতে পাকিস্তান সরকারের লোগো রয়েছে এবং প্রকাশের তারিখ ১০ মে উল্লেখ করা।
Amitabh Chaudhary নামের একটি এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে গতকাল শনিবার (১০ মে) সন্ধ্যা ৭টা ৪১ মিনিটে পোস্ট করা ছবিটি বেশি ছড়িয়েছে। ক্যাপশনে লেখা, ‘অফিসিয়াল নিশ্চিতকরণ। তারা ইমরান খানকে হত্যা করেছে। আইএসআই ও মুনির তাঁর জনপ্রিয়তায় ভয়ে ছিল। পাকিস্তানে এখন গৃহযুদ্ধ অনিবার্য।’ (ইংরেজি থেকে বাংলায় অনূদিত)
আজ রোববার বিকেল ৫টা পর্যন্ত এই পোস্ট ৪৯ হাজার মানুষ দেখেছে এবং ২৪৯টি রিঅ্যাকশন পড়েছে। এতে বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট থেকে ৪৭টি কমেন্ট করা হয়েছে এবং রিপোস্ট (শেয়ার) হয়েছে ১২৪ বার।
Himanshu Choudhary ও Sanjay Balasubramaniyam নামের এক্স অ্যাকাউন্ট ও Sabka jammu kashmir sjk নামের ফেসবুক পেজ থেকে একই দাবিতে বিজ্ঞপ্তির ছবিটি পোস্ট করা হয়েছে।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কথিত ভাইরাল বিজ্ঞপ্তির সত্যতা জানার জন্য আজকের পত্রিকার ফ্যাক্টচেক বিভাগ মন্ত্রণালয়টির বিজ্ঞপ্তির অপশনে গিয়ে খোঁজ নেয়। তবে এতে ১০ মে (গতকাল) তারিখে ইমরান খানের মৃত্যুর বিষয়ে কোনো বিজ্ঞপ্তি পাওয়া যায়নি।
পাশাপাশি যে ছবিটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়েছে, তাতে অসংগতিও পাওয়া গেছে। যেমন কথিত বিজ্ঞপ্তিটির তৃতীয় প্যারার শেষের দিকে একটি লাইনে ‘Isetively’ লেখা হয়েছে। ইংরেজি ভাষায় এর কোনো অর্থ নেই।

এ ছাড়া এ বিষয়ে প্রাসঙ্গিক কি-ওয়ার্ড সার্চ করে পাকিস্তান ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে ইমরান খানের জেলের ভেতরে মারা যাওয়ার বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
তবে এ বিষয়ে পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের ফ্যাক্টচেক বিভাগের এক্স অ্যাকাউন্টে গতকাল শনিবার (১০ মে) এ বিষয়ে একটি পোস্ট (আর্কাইভ) পাওয়া যায়।

এই পোস্ট থেকে জানা যায়, ইমরান খানের জেলের ভেতরে মারা যাওয়ার দাবিতে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কথিত ভাইরাল বিজ্ঞপ্তিটি ভুয়া।
সুতরাং, জেলের ভেতরে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মারা যাওয়ার দাবিটি সত্য নয়। একই দাবিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কথিত ভাইরাল বিজ্ঞপ্তিটিও ভুয়া।

‘শুধুমাত্র শিবিরকে ভালো লাগার কারণে যদি আমায় ছাত্রদল থেকে বহিষ্কারও করে, তাতেও আমার কোনো আফসোস নেই। আমি সর্বদা ইনসাফের পক্ষে’—শেখ তানভীর বারী হামিমের নামে এমন মন্তব্য সম্বলিত একটি ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
ফেসবুকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েমের নামে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে। দাবি করা হয়েছে, বর্তমান সরকারের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের পরিণতি সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ মুরাদ হাসান—এর মতো হবে। ফটোকার্ডটি বিভিন্ন ফেসবুক পেজ ও ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে শেয়ার করা হয়ে
১৮ ঘণ্টা আগে
‘বাংলাদেশে টিকটক প্ল্যাটফর্ম বন্ধ করতে যাচ্ছে সরকার’—এমন দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে। বর্তমান সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী মাহবুব আনামের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রচারিত ফটোকার্ডটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়।
৩ দিন আগে
চলচ্চিত্রে ধূমপানের দৃশ্য থাকলে জাতীয় পুরস্কার নয়—এমন দাবিতে জাতীয় দৈনিক কালের কণ্ঠের লোগো সংবলিত একটি ফটোকার্ড ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ফটোকার্ডটি শেয়ার করেছেন লেখক ও অ্যাকটিভিস্ট ফাহাম আবদুস সালাম, তাসলিমা নাসরিনসহ অনেকে।
৩ দিন আগে