রেজা করিম, ঢাকা
আন্দোলনের পাশাপাশি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লড়ারও প্রস্তুতি আছে বিএনপির। পিছিয়ে নেই দলটির মিত্ররাও। তবে এই মুহূর্তে নির্বাচনের চেয়ে তাদের কাছে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে নির্বাচনকালীন সরকার প্রতিষ্ঠার দাবি। এই দাবি আদায় করেই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে পুরোপুরি মনোযোগ দিতে চায় তারা। বিএনপির সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন থাকলেও এ বিষয়ে একমত জামায়াতে ইসলামীও।
বিএনপি গত বছরের আগস্ট থেকে নিয়মিত কর্মসূচি পালন করে চলেছে। ২০ দলীয় জোট বিলুপ্তির পর ১০ দফা দাবিতে বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলন করছে বিভিন্ন দল ও জোট। ওই আন্দোলনে আছে ১২ দলীয় জোট, ১১ দলীয় জোট (জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট), গণতন্ত্র মঞ্চ, গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য ছাড়াও এলডিপি, গণফোরামসহ বিভিন্ন দল। তাদের দাবিনামার অন্যতম হলো সরকারের পদত্যাগ, সংসদ বিলুপ্ত করা এবং নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন। বিএনপিসহ জোট ও দলগুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধনের কাজ করছে একটি লিয়াজোঁ কমিটি।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও লিয়াজোঁ কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান অবশ্য আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়ে বিএনপির এই মুহূর্তে কোনো ভাবনা নেই। শরিকদের সঙ্গে আমরা যুগপৎ আন্দোলন নিয়ে আলোচনা করছি, সেই বিষয়ে কাজ করছি।’
তবে বিএনপি ও মিত্র দলের বেশ কয়েকজন নেতা জানান, আন্দোলনের পাশাপাশি নির্বাচন নিয়েও ভাবনা আছে। বিএনপির পাশাপাশি অন্য দলগুলোও এ নিয়ে নিজেদের মতো চিন্তা করছে। অনেক জায়গায় সম্ভাব্য প্রার্থী কে হবেন, সেটা নিয়েও প্রাথমিক চিন্তা করা হয়েছে। শরিকদের সঙ্গে বিএনপি এ নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো আলোচনা না করলেও নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়ে ইঙ্গিত আছে। নির্বাচন ঘিরে আসন বণ্টনের প্রাথমিক চিন্তার কথাও জানিয়েছেন জোট নেতাদের কেউ কেউ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নেতা বলেন, অন্তত ২৫০ আসনে নিজস্ব প্রার্থী দেওয়ার কথা ভাবছে বিএনপি। দলটি অবশিষ্ট ৫০ আসন মিত্রদের ছেড়ে দিতে পারে। যদিও নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো আলোচনা হয়নি।
১২ দলীয় জোটের এক নেতা বলেন, নির্বাচন অনুষ্ঠানের উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি হলে তিন দিনে সব গুছিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা আছে সরকারবিরোধীদের। মানুষ ব্যালটের মাধ্যমে সরকারকে বিদায় করতে মুখিয়ে আছে।
লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি অলি আহমেদ বীর বিক্রম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এই সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের সম্ভাবনা নেই। সে কারণে এই বিষয়টাতে আমরা মোটেও গুরুত্ব দিচ্ছি না। তত্ত্বাবধায়ক সরকার না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন নিয়ে আমাদের কোনো চিন্তা নেই। তত্ত্বাবধায়ক সরকার হয়ে গেলে এটা কোনো কঠিন বিষয় হবে না।’
গণতন্ত্র মঞ্চের নেতা ও নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘আমরা একটা কথাই বলছি, শেখ হাসিনার সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন করব না। এটা সমাধান করে পরে নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হবে।’ তিনি জানান, বিএনপির পক্ষ থেকে এখনো নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।
এদিকে সম্পর্কের টানাপোড়েন থাকলেও বিএনপিসহ সরকারবিরোধীদের দাবিদাওয়ার সঙ্গে একমত জামায়াত। যেকোনোভাবে সরকারের পতন চায় দলটি। দলটির নেতারা মনে করছেন, এই সরকার সরে গেলেই জামায়াতের নিবন্ধনসহ সব সমস্যার সমাধান হবে। তাঁরা বলছেন, বর্তমান সরকারের পতন হলে এবং নির্দলীয় সরকার এলে অনেক সমস্যারই সমাধান হবে। সে ক্ষেত্রে নির্বাচনে অংশ নেওয়া নিয়ে জামায়াতের সমস্যাগুলোও সমাধান হয়ে যাবে। জামায়াতের এক নেতা বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী সব সময়ই একটি নির্বাচনমুখী দল। নির্বাচনের প্রস্তুতি আমাদের আছে। পরিস্থিতির আলোকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
বিএনপির কর্মসূচি দেখে কর্মসূচি পালন করা থেকে সম্প্রতি সরে এসেছে জামায়াত ক্ষোভের কারণে। দলটির নেতা-কর্মীদের অভিযোগ, মিত্র হিসেবে সব সময় বিএনপির পাশে থেকেছে জামায়াত। কিন্তু জামায়াতের দুঃসময়ে তাদের পাশে পাওয়া যায় না। গত বছর জামায়াতের আমির গ্রেপ্তার হলে বিএনপির পক্ষ থেকে কোনো বিবৃতিও দেওয়া হয়নি। পরে যুগপৎ আন্দোলন করতে গিয়ে জামায়াতের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা হলেও প্রতিবাদ করেনি বিএনপি।
এ প্রসঙ্গে জামায়াতের এক নেতা বলেন, বিএনপির সাহস কম। সাহস নেই বলেই তারা জামায়াতকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছে। তবে চলমান আন্দোলনে জামায়াতের সমর্থন আছে বলে তিনি জানান। ওই নেতা বলেন, ‘কে ডাকল কি ডাকল না, সে নিয়ে আপাতত চিন্তা করছি না। বৃহত্তর স্বার্থে জামায়াত নিজেদের জায়গা থেকে কর্মসূচি পালন করে যাবে।’
আন্দোলনের পাশাপাশি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লড়ারও প্রস্তুতি আছে বিএনপির। পিছিয়ে নেই দলটির মিত্ররাও। তবে এই মুহূর্তে নির্বাচনের চেয়ে তাদের কাছে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে নির্বাচনকালীন সরকার প্রতিষ্ঠার দাবি। এই দাবি আদায় করেই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে পুরোপুরি মনোযোগ দিতে চায় তারা। বিএনপির সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন থাকলেও এ বিষয়ে একমত জামায়াতে ইসলামীও।
বিএনপি গত বছরের আগস্ট থেকে নিয়মিত কর্মসূচি পালন করে চলেছে। ২০ দলীয় জোট বিলুপ্তির পর ১০ দফা দাবিতে বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলন করছে বিভিন্ন দল ও জোট। ওই আন্দোলনে আছে ১২ দলীয় জোট, ১১ দলীয় জোট (জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট), গণতন্ত্র মঞ্চ, গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য ছাড়াও এলডিপি, গণফোরামসহ বিভিন্ন দল। তাদের দাবিনামার অন্যতম হলো সরকারের পদত্যাগ, সংসদ বিলুপ্ত করা এবং নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন। বিএনপিসহ জোট ও দলগুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধনের কাজ করছে একটি লিয়াজোঁ কমিটি।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও লিয়াজোঁ কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান অবশ্য আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়ে বিএনপির এই মুহূর্তে কোনো ভাবনা নেই। শরিকদের সঙ্গে আমরা যুগপৎ আন্দোলন নিয়ে আলোচনা করছি, সেই বিষয়ে কাজ করছি।’
তবে বিএনপি ও মিত্র দলের বেশ কয়েকজন নেতা জানান, আন্দোলনের পাশাপাশি নির্বাচন নিয়েও ভাবনা আছে। বিএনপির পাশাপাশি অন্য দলগুলোও এ নিয়ে নিজেদের মতো চিন্তা করছে। অনেক জায়গায় সম্ভাব্য প্রার্থী কে হবেন, সেটা নিয়েও প্রাথমিক চিন্তা করা হয়েছে। শরিকদের সঙ্গে বিএনপি এ নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো আলোচনা না করলেও নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়ে ইঙ্গিত আছে। নির্বাচন ঘিরে আসন বণ্টনের প্রাথমিক চিন্তার কথাও জানিয়েছেন জোট নেতাদের কেউ কেউ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নেতা বলেন, অন্তত ২৫০ আসনে নিজস্ব প্রার্থী দেওয়ার কথা ভাবছে বিএনপি। দলটি অবশিষ্ট ৫০ আসন মিত্রদের ছেড়ে দিতে পারে। যদিও নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো আলোচনা হয়নি।
১২ দলীয় জোটের এক নেতা বলেন, নির্বাচন অনুষ্ঠানের উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি হলে তিন দিনে সব গুছিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা আছে সরকারবিরোধীদের। মানুষ ব্যালটের মাধ্যমে সরকারকে বিদায় করতে মুখিয়ে আছে।
লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি অলি আহমেদ বীর বিক্রম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এই সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের সম্ভাবনা নেই। সে কারণে এই বিষয়টাতে আমরা মোটেও গুরুত্ব দিচ্ছি না। তত্ত্বাবধায়ক সরকার না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন নিয়ে আমাদের কোনো চিন্তা নেই। তত্ত্বাবধায়ক সরকার হয়ে গেলে এটা কোনো কঠিন বিষয় হবে না।’
গণতন্ত্র মঞ্চের নেতা ও নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘আমরা একটা কথাই বলছি, শেখ হাসিনার সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন করব না। এটা সমাধান করে পরে নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হবে।’ তিনি জানান, বিএনপির পক্ষ থেকে এখনো নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।
এদিকে সম্পর্কের টানাপোড়েন থাকলেও বিএনপিসহ সরকারবিরোধীদের দাবিদাওয়ার সঙ্গে একমত জামায়াত। যেকোনোভাবে সরকারের পতন চায় দলটি। দলটির নেতারা মনে করছেন, এই সরকার সরে গেলেই জামায়াতের নিবন্ধনসহ সব সমস্যার সমাধান হবে। তাঁরা বলছেন, বর্তমান সরকারের পতন হলে এবং নির্দলীয় সরকার এলে অনেক সমস্যারই সমাধান হবে। সে ক্ষেত্রে নির্বাচনে অংশ নেওয়া নিয়ে জামায়াতের সমস্যাগুলোও সমাধান হয়ে যাবে। জামায়াতের এক নেতা বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী সব সময়ই একটি নির্বাচনমুখী দল। নির্বাচনের প্রস্তুতি আমাদের আছে। পরিস্থিতির আলোকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
বিএনপির কর্মসূচি দেখে কর্মসূচি পালন করা থেকে সম্প্রতি সরে এসেছে জামায়াত ক্ষোভের কারণে। দলটির নেতা-কর্মীদের অভিযোগ, মিত্র হিসেবে সব সময় বিএনপির পাশে থেকেছে জামায়াত। কিন্তু জামায়াতের দুঃসময়ে তাদের পাশে পাওয়া যায় না। গত বছর জামায়াতের আমির গ্রেপ্তার হলে বিএনপির পক্ষ থেকে কোনো বিবৃতিও দেওয়া হয়নি। পরে যুগপৎ আন্দোলন করতে গিয়ে জামায়াতের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা হলেও প্রতিবাদ করেনি বিএনপি।
এ প্রসঙ্গে জামায়াতের এক নেতা বলেন, বিএনপির সাহস কম। সাহস নেই বলেই তারা জামায়াতকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছে। তবে চলমান আন্দোলনে জামায়াতের সমর্থন আছে বলে তিনি জানান। ওই নেতা বলেন, ‘কে ডাকল কি ডাকল না, সে নিয়ে আপাতত চিন্তা করছি না। বৃহত্তর স্বার্থে জামায়াত নিজেদের জায়গা থেকে কর্মসূচি পালন করে যাবে।’
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫পাকিস্তানে ভারতের হামলার সমালোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চীনও এই হামলাকে ‘দুঃখজনক’ বলে অভিহিত করেছে। উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘও। উত্তেজনা যেন আরও না বাড়ে, সে জন্য দুই পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ, ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশ। এদিকে ভারতের অবস্থানকে সমর্থন করেছে...
০৮ মে ২০২৫