ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
ময়মনসিংহের বাজারে কমেছে ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দাম। তবে বেড়েছে সব ধরনের মাছের দাম। এ ছাড়া বেড়েছে আদা, পেঁয়াজ, আটা ও আলুর দাম। সবজির দাম না বাড়লেও এখনো ক্রয় ক্ষমতার বাইরে সাধারণ মানুষের। গতকাল শনিবার সকালে শম্ভুগঞ্জ বাজারে ঘুরে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
ক্রেতা শাহজাহান আলী বলেন, ‘এখন সবজির মৌসম, তারপরও বাজারে আসলে মাথা নষ্ট হয়ে যায়। মনে হচ্ছে আর কয়েক দিন পরে না খেয়ে থাকতে হবে।’
ব্যবসায়ীরা জানান, দেশি আদা ৭০ টাকায় বিক্রি হলেও ইন্ডিয়ান আদা কেজিতে ৭০ টাকা থেকে বেড়ে ১৩০ টাকা হয়েছে। ভারতীয় পেঁয়াজ ৫ টাকা বেড়ে ৪৫ টাকা হলেও দেশি পেঁয়াজ ১০ টাকা বেড়ে হয়েছে ৬০ টাকা। এদিকে রসুন ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। আলু কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে ২৫ টাকা হয়েছে।
শম্ভুগঞ্জে মাছ বিক্রেতা আলামিন জানান, দেশি মাছের দাম কেজিতে ৩০ থেকে ৫০ টাকা বেড়েছে। দেশি ছোট ট্যাংরা ৫০০ টাকা, চাপিলা ৪০০ টাকা, দেশি সুলুঙ্গি ৪০০ টাকা, আইড় ৫০০ টাকা, দেশি ইছা ৬০০ টাকা, বালিয়া ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা, পাঙাশ ১১০ থেকে ১২০ টাকা, চাষের ট্যাংরা ৪০০ টাকা ও পাবদা মাছ ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এ ছাড়া গুতুম ৬৬০ টাকা, ফলিয়া ৩০০ টাকা, রাজপুটি ২০০ টাকা, বাউশ ২৫০ টাকা, কার্প ২২০ টাকা, রুই ২৭০ টাকা, মৃগেল ২৫০ টাকা, শিং ৪৫০ টাকা, মাগুর ৪০০ টাকা, কই মাছ ৩০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
সবজি বিক্রেতারা জানান, কচু ৩০ টাকা কেজি, লতা ৩০ টাকা কেজি, কাঁচা কলা ২৫ টাকা হালি, শশা ৩০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৬০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, পেঁপে ২০ টাকা, লেবু ১৫ টাকা হালি, টমেটো ১২০ টাকা, গাজর ১২০ টাকা, শিম ১৬০ টাকা, ফুলকপি ৮০ টাকা, বেগুন ৬০ টাকা, কাঁচামরিচ ১২০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, দেশি করলা ৮০, হাইব্রিড ৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
রাজলক্ষ্মী স্টোরের বিক্রেতা বোলানাথ দাস দাস বলেন, ছোলা বুট ৭৫ টাকা, চিনি ৮০ টাকা, খোলা আটা ৩২, বুটের ডাল ৮০, খেসারি ৭০ টাকা, মটর ডাল ১১০, মুগডাল ১৪০, ভাঙা মাষকলাই ১০০, মাষকলাই ১৩০, দেশি মসুর ডাল ১১০ টাকা, ভারতীয় মসুর ডাল ৯০, অ্যাংকার ডাল ৪৫ টাকা, খোলা সয়াবিন তেল ১৬০ টাকা, পাম ওয়েল ১৪৫, কোয়ালিটি ১৫০ ও বোতলজাত ১৫৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মুরগি বিক্রেতা রাকিব বলেন, সোনালি ও ব্রয়লার মুরগির দাম কমলেও লেয়ার মুরগি ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার ১৪৫ টাকা, সোনালি ১৮০ ও সাদা কক ১৬০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া ফার্মের মুরগির ডিম ৩৮ টাকা হালি, হাঁসের ৪৫ ও সোনালি মুরগির ডিম ৫০ টাকা হালি বিক্রি হচ্ছে।
মাংস মহালের মাংস বিক্রেতা সুলতা মিয়া বলেন, খাসির মাংস ৮০০ টাকা ও গরুর মাংস ৫৬০ থেকে ৫৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
পারভিন আক্তার বলেন, ‘বাজারে মাংসের চেয়ে সবজির দাম বেশি। কোনো মনিটরিং ব্যবস্থা নাই। দ্রুত বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। অন্যথায় সাধারণ মানুষকে না খেয়ে মরতে হবে।’
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রিজের সহসভাপতি শংকর সাহা বলেন, ‘দ্রব্যমূল্য ঊর্ধ্বগতির বিষয়টিতে আমাদের হাতে নেই। এটা জাতীয় সমস্যা। ঢাকা থেকে ব্যবসায়ীরা যে দামে দ্রব্য ক্রয় করে, এর চেয়ে দুই এক টাকা লাভ করে বিক্রি করছে।’
ময়মনসিংহের বাজারে কমেছে ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দাম। তবে বেড়েছে সব ধরনের মাছের দাম। এ ছাড়া বেড়েছে আদা, পেঁয়াজ, আটা ও আলুর দাম। সবজির দাম না বাড়লেও এখনো ক্রয় ক্ষমতার বাইরে সাধারণ মানুষের। গতকাল শনিবার সকালে শম্ভুগঞ্জ বাজারে ঘুরে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
ক্রেতা শাহজাহান আলী বলেন, ‘এখন সবজির মৌসম, তারপরও বাজারে আসলে মাথা নষ্ট হয়ে যায়। মনে হচ্ছে আর কয়েক দিন পরে না খেয়ে থাকতে হবে।’
ব্যবসায়ীরা জানান, দেশি আদা ৭০ টাকায় বিক্রি হলেও ইন্ডিয়ান আদা কেজিতে ৭০ টাকা থেকে বেড়ে ১৩০ টাকা হয়েছে। ভারতীয় পেঁয়াজ ৫ টাকা বেড়ে ৪৫ টাকা হলেও দেশি পেঁয়াজ ১০ টাকা বেড়ে হয়েছে ৬০ টাকা। এদিকে রসুন ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। আলু কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে ২৫ টাকা হয়েছে।
শম্ভুগঞ্জে মাছ বিক্রেতা আলামিন জানান, দেশি মাছের দাম কেজিতে ৩০ থেকে ৫০ টাকা বেড়েছে। দেশি ছোট ট্যাংরা ৫০০ টাকা, চাপিলা ৪০০ টাকা, দেশি সুলুঙ্গি ৪০০ টাকা, আইড় ৫০০ টাকা, দেশি ইছা ৬০০ টাকা, বালিয়া ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা, পাঙাশ ১১০ থেকে ১২০ টাকা, চাষের ট্যাংরা ৪০০ টাকা ও পাবদা মাছ ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এ ছাড়া গুতুম ৬৬০ টাকা, ফলিয়া ৩০০ টাকা, রাজপুটি ২০০ টাকা, বাউশ ২৫০ টাকা, কার্প ২২০ টাকা, রুই ২৭০ টাকা, মৃগেল ২৫০ টাকা, শিং ৪৫০ টাকা, মাগুর ৪০০ টাকা, কই মাছ ৩০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
সবজি বিক্রেতারা জানান, কচু ৩০ টাকা কেজি, লতা ৩০ টাকা কেজি, কাঁচা কলা ২৫ টাকা হালি, শশা ৩০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৬০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, পেঁপে ২০ টাকা, লেবু ১৫ টাকা হালি, টমেটো ১২০ টাকা, গাজর ১২০ টাকা, শিম ১৬০ টাকা, ফুলকপি ৮০ টাকা, বেগুন ৬০ টাকা, কাঁচামরিচ ১২০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, দেশি করলা ৮০, হাইব্রিড ৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
রাজলক্ষ্মী স্টোরের বিক্রেতা বোলানাথ দাস দাস বলেন, ছোলা বুট ৭৫ টাকা, চিনি ৮০ টাকা, খোলা আটা ৩২, বুটের ডাল ৮০, খেসারি ৭০ টাকা, মটর ডাল ১১০, মুগডাল ১৪০, ভাঙা মাষকলাই ১০০, মাষকলাই ১৩০, দেশি মসুর ডাল ১১০ টাকা, ভারতীয় মসুর ডাল ৯০, অ্যাংকার ডাল ৪৫ টাকা, খোলা সয়াবিন তেল ১৬০ টাকা, পাম ওয়েল ১৪৫, কোয়ালিটি ১৫০ ও বোতলজাত ১৫৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মুরগি বিক্রেতা রাকিব বলেন, সোনালি ও ব্রয়লার মুরগির দাম কমলেও লেয়ার মুরগি ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার ১৪৫ টাকা, সোনালি ১৮০ ও সাদা কক ১৬০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া ফার্মের মুরগির ডিম ৩৮ টাকা হালি, হাঁসের ৪৫ ও সোনালি মুরগির ডিম ৫০ টাকা হালি বিক্রি হচ্ছে।
মাংস মহালের মাংস বিক্রেতা সুলতা মিয়া বলেন, খাসির মাংস ৮০০ টাকা ও গরুর মাংস ৫৬০ থেকে ৫৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
পারভিন আক্তার বলেন, ‘বাজারে মাংসের চেয়ে সবজির দাম বেশি। কোনো মনিটরিং ব্যবস্থা নাই। দ্রুত বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। অন্যথায় সাধারণ মানুষকে না খেয়ে মরতে হবে।’
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রিজের সহসভাপতি শংকর সাহা বলেন, ‘দ্রব্যমূল্য ঊর্ধ্বগতির বিষয়টিতে আমাদের হাতে নেই। এটা জাতীয় সমস্যা। ঢাকা থেকে ব্যবসায়ীরা যে দামে দ্রব্য ক্রয় করে, এর চেয়ে দুই এক টাকা লাভ করে বিক্রি করছে।’
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫পাকিস্তানে ভারতের হামলার সমালোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চীনও এই হামলাকে ‘দুঃখজনক’ বলে অভিহিত করেছে। উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘও। উত্তেজনা যেন আরও না বাড়ে, সে জন্য দুই পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ, ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশ। এদিকে ভারতের অবস্থানকে সমর্থন করেছে...
০৮ মে ২০২৫