
সারা দেশে শীতের দাপট কমে এসেছে। মাঘ মাসের ১৯ তারিখেও আজ দেশের কোথাও শৈত্যপ্রবাহ বইছে না। গ্রামাঞ্চলে সকালে হালকা শীত পড়লেও দুপুরে সূর্যের মেজাজ বেশ চড়া থাকছে। সর্বনিম্নের সঙ্গে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার পার্থক্যও বেশ বড় হচ্ছে।
গতকাল রোববার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল কক্সবাজারের টেকনাফে ৩২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ সোমবার সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল চুয়াডাঙ্গায় ১০ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা একই জেলায় আগের দিন ছিল ১০ দশমিক ২।
রাজধানী ঢাকার তাপমাত্রা ১৭ দশমিক ১ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে আজ সকালে ছিল ১৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
বিভাগীয় শহরগুলোর মধ্যে রাজশাহীতে গতকাল সকালের তাপমাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৮, আজ হয়েছে ১১ দশমিক ২, রংপুরে ১৪ দশমিক ৮ থেকে কমে হয়েছে ১৪ দশমিক ২, ময়মনসিংহে ১৫ দশমিক ৫ থেকে বেড়ে হয়েছে ১৬ দশমিক ২, সিলেটে ১৩ দশমিক ৮ থেকে হয়েছে ১৪ দশমিক ২।
এ ছাড়া চট্টগ্রামে গতকালের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬ থেকে হয়েছে ১৭ দশমিক ১, বরিশালে ১২ দশমিক ৮ থেকে হয়েছে ১৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে খুলনায় আগের দিনের মতো আজও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩ দশমিক ৫।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে আজ ও কাল মঙ্গলবার তাপমাত্রা বাড়তে পারে। পরদিন ৪ ফেব্রুয়ারি বুধবারও আবহাওয়া অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি রাতের বেলা তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। অবশ্য দেশের বিভিন্ন স্থানে থাকবে কুয়াশা।

রাজধানী ঢাকাসহ আজ রোববার সারা দেশে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর ফলে রাজধানীতে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও দেশের অন্যান্য স্থানে তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। ফলে ভ্যাপসা গরম কমার সম্ভাবনা সামান্যই।
২১ ঘণ্টা আগে
আজ সকাল থেকে ঢাকা ও এর আশপাশের অঞ্চলের আকাশ রয়েছে মেঘাচ্ছন্ন। আবহাওয়ার সকাল ৭টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বেলা ১টা পর্যন্ত ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। এর সঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
২ দিন আগে
দিনভর রোদের ভ্যাপসা গরমের পর বিকেলে আচমকা ঝুম বৃষ্টি কিছুক্ষণের মধ্যেই অনেকটা অস্বস্তিতে রূপ নেয়। প্রায় ঘণ্টাখানেকের টানা বর্ষণে দুর্ভোগ দেখা দেয় খোলা আকাশের নিচে কর্মব্যস্ততায় ছুটে চলা মানুষের। আর সেই বৃষ্টিতে রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক ও অলিগলিতে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েন নগরবাসী...
২ দিন আগে
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, গতকাল বৃহস্পতিবার বরিশাল ছাড়া বাকি ৭ বিভাগেই বৃষ্টি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ৭২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে খুলনায়। এদিন ঢাকায় ৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হলেও পাশের জেলায় টাঙ্গাইলে যার পরিমাণ ছিল ৩৭ মিলিমিটার। এ ছাড়া কুড়িগ্রামের রাজারহাটে বৃষ্টি হয়েছে ৪৮ মিলিমিটার।
৩ দিন আগে