বিনোদন প্রতিবেদক, ঢাকা
২০১০-১১ সালে প্রকাশিত হয় শিশুশিল্পী শামীম হোসেনের প্রথম অডিও অ্যালবাম ‘মেম্বারের মাইয়া’। প্রথম অ্যালবামেই পরিচিতি পেয়ে যান। সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে তাঁর গাওয়া ‘উদলা ঘরের ছাউনি’, ‘ও আমার প্রেম সোহাগী’, ‘তুমি কার লাগিয়া’, ‘তুমি জ্বালাইয়া গেলা প্রেমের আগুন’ গানগুলো। একে একে প্রকাশ পায় তাঁর ১০টি অ্যালবাম। কিন্তু অডিও অ্যালবামের যুগের শেষে আর খোঁজ পাওয়া যায়নি তাঁর। সময়ের পরিক্রমায় শামীম হোসেন এখন বাদাম বিক্রেতা। চৌগাছার বিভিন্ন বাজার, বাসস্ট্যান্ডে ঘুরে ঘুরে বাদাম বিক্রি করে জীবন চালান তিনি।
এখনো ইউটিউব, ফেসবুক, রিলসে পাওয়া যায় শিশুশিল্পী শামীমের কণ্ঠের গানগুলো। সম্প্রতি ফেসবুকে শামীমের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। সেই ভিডিওতে শামীম জানান, এখন বাদাম বিক্রি করেই তিনি জীবিকা নির্বাহ করছেন। শিশুশিল্পী হিসেবে জনপ্রিয়তা পেলেও গান গাওয়ার বিনিময়ে কোনো পারিশ্রমিক কখনো পাননি।
শামীম এখন থাকেন যশোরের চৌগাছা উপজেলার মশিউর নগর গ্রামে। একাই থাকেন। বেঁচে থাকার তাগিদে প্রতিদিন সকালে বেরিয়ে পড়েন বাদাম নিয়ে। শামীমের সঙ্গে যোগাযোগ করলে অতীত নিয়ে কথা বলতে চাইলেন না তিনি। অনুরোধ করলে শামীম জানান, ছোটবেলায় এলাকার এক পরিচিত মানুষ তাঁকে ঢাকা নিয়ে গিয়েছিলেন। তাঁর মাধ্যমেই শামীমের গানের অ্যালবাম প্রকাশিত হয়। গানগুলো ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। তবে এর বিনিময়ে কখনো পারিশ্রমিক পাননি শামীম। রেকর্ডিং শেষে দুই বেলা খাইয়ে বিদায় করে দেওয়া হতো তাঁকে।
অডিও অ্যালবাম যুগের শেষে অনলাইনের যুগ শুরু হলে ছিটকে পড়েন শামীম। এরপর আর কেউ তাঁর কোনো খোঁজ নেননি। অভিমান করে শামীমও যোগাযোগ করেননি কারও সঙ্গে। কোনো অভিভাবক ছিল না বলেই এমনটা হয়েছে বলে মনে করেন শামীম। তিনি বলেন, ‘আমি যে সময় গান করতাম তখন অডিও ক্যাসেট আর সিডি বের হতো। অনলাইন আসার পর থেকে গান থেকে ছিটকে পড়ি। এরপর কেউ আমার সঙ্গে আর যোগাযোগ করেননি। অর্থনৈতিক সংকটের কারণেই বাদাম বিক্রি শুরু করি।’
শামীম আবার ফিরতে চান গানের জগতে। কিন্তু কোনো অডিও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান কিংবা সংগীত পরিচালকের সঙ্গে পরিচয় না থাকায় তা পারছেন না। শামীম জানালেন, বাদাম বিক্রির ভিডিও ভাইরাল হলে অনেকেই ফোন করে তাঁর খোঁজ নিচ্ছেন, কিন্তু মিলছে না গান গাওয়ার সুযোগ। যদিও শামীম এখনো স্বপ্ন দেখেন আবার প্রকাশ পাবে তাঁর নতুন গান।
নতুন করে গান প্রকাশের আশায় তিন বছর আগে নিজের নামে ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেল খুললেও নতুন গান প্রকাশ করতে পারেননি সামর্থ্যের অভাবে। শামীম বলেন, ‘গানে ফিরতে চাই। কেউ সুযোগ দিলে অবশ্যই কাজ করব। কিন্তু কার কাছে যাব আমি? কারও সঙ্গে যোগাযোগ নেই, পরিচয় নেই। সম্প্রতি অনেকেই ফোন করছেন, তবে গানের কথা কেউ বলছেন না। আমি চেষ্টা করতে চাই। নিজের ফেসবুক ও ইউটিউব চ্যানেলে গান প্রকাশ করে হলেও আবার শুরু করতে চাই।’
২০১০-১১ সালে প্রকাশিত হয় শিশুশিল্পী শামীম হোসেনের প্রথম অডিও অ্যালবাম ‘মেম্বারের মাইয়া’। প্রথম অ্যালবামেই পরিচিতি পেয়ে যান। সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে তাঁর গাওয়া ‘উদলা ঘরের ছাউনি’, ‘ও আমার প্রেম সোহাগী’, ‘তুমি কার লাগিয়া’, ‘তুমি জ্বালাইয়া গেলা প্রেমের আগুন’ গানগুলো। একে একে প্রকাশ পায় তাঁর ১০টি অ্যালবাম। কিন্তু অডিও অ্যালবামের যুগের শেষে আর খোঁজ পাওয়া যায়নি তাঁর। সময়ের পরিক্রমায় শামীম হোসেন এখন বাদাম বিক্রেতা। চৌগাছার বিভিন্ন বাজার, বাসস্ট্যান্ডে ঘুরে ঘুরে বাদাম বিক্রি করে জীবন চালান তিনি।
এখনো ইউটিউব, ফেসবুক, রিলসে পাওয়া যায় শিশুশিল্পী শামীমের কণ্ঠের গানগুলো। সম্প্রতি ফেসবুকে শামীমের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। সেই ভিডিওতে শামীম জানান, এখন বাদাম বিক্রি করেই তিনি জীবিকা নির্বাহ করছেন। শিশুশিল্পী হিসেবে জনপ্রিয়তা পেলেও গান গাওয়ার বিনিময়ে কোনো পারিশ্রমিক কখনো পাননি।
শামীম এখন থাকেন যশোরের চৌগাছা উপজেলার মশিউর নগর গ্রামে। একাই থাকেন। বেঁচে থাকার তাগিদে প্রতিদিন সকালে বেরিয়ে পড়েন বাদাম নিয়ে। শামীমের সঙ্গে যোগাযোগ করলে অতীত নিয়ে কথা বলতে চাইলেন না তিনি। অনুরোধ করলে শামীম জানান, ছোটবেলায় এলাকার এক পরিচিত মানুষ তাঁকে ঢাকা নিয়ে গিয়েছিলেন। তাঁর মাধ্যমেই শামীমের গানের অ্যালবাম প্রকাশিত হয়। গানগুলো ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। তবে এর বিনিময়ে কখনো পারিশ্রমিক পাননি শামীম। রেকর্ডিং শেষে দুই বেলা খাইয়ে বিদায় করে দেওয়া হতো তাঁকে।
অডিও অ্যালবাম যুগের শেষে অনলাইনের যুগ শুরু হলে ছিটকে পড়েন শামীম। এরপর আর কেউ তাঁর কোনো খোঁজ নেননি। অভিমান করে শামীমও যোগাযোগ করেননি কারও সঙ্গে। কোনো অভিভাবক ছিল না বলেই এমনটা হয়েছে বলে মনে করেন শামীম। তিনি বলেন, ‘আমি যে সময় গান করতাম তখন অডিও ক্যাসেট আর সিডি বের হতো। অনলাইন আসার পর থেকে গান থেকে ছিটকে পড়ি। এরপর কেউ আমার সঙ্গে আর যোগাযোগ করেননি। অর্থনৈতিক সংকটের কারণেই বাদাম বিক্রি শুরু করি।’
শামীম আবার ফিরতে চান গানের জগতে। কিন্তু কোনো অডিও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান কিংবা সংগীত পরিচালকের সঙ্গে পরিচয় না থাকায় তা পারছেন না। শামীম জানালেন, বাদাম বিক্রির ভিডিও ভাইরাল হলে অনেকেই ফোন করে তাঁর খোঁজ নিচ্ছেন, কিন্তু মিলছে না গান গাওয়ার সুযোগ। যদিও শামীম এখনো স্বপ্ন দেখেন আবার প্রকাশ পাবে তাঁর নতুন গান।
নতুন করে গান প্রকাশের আশায় তিন বছর আগে নিজের নামে ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেল খুললেও নতুন গান প্রকাশ করতে পারেননি সামর্থ্যের অভাবে। শামীম বলেন, ‘গানে ফিরতে চাই। কেউ সুযোগ দিলে অবশ্যই কাজ করব। কিন্তু কার কাছে যাব আমি? কারও সঙ্গে যোগাযোগ নেই, পরিচয় নেই। সম্প্রতি অনেকেই ফোন করছেন, তবে গানের কথা কেউ বলছেন না। আমি চেষ্টা করতে চাই। নিজের ফেসবুক ও ইউটিউব চ্যানেলে গান প্রকাশ করে হলেও আবার শুরু করতে চাই।’
৪ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা ১ মিনিটে চরকিতে মুক্তি পাবে ইনসাফ। সঞ্জয় সমাদ্দার পরিচালিত এ সিনেমায় ইউসুফ চরিত্রে অভিনয় করেছেন শরিফুল রাজ। আর পুলিশ কর্মকর্তা জাহান খান চরিত্রে আছেন তাসনিয়া ফারিণ।
২ ঘণ্টা আগেজয় চৌধুরী ও কাজী জারাকে নিয়ে মোহাম্মদ ইসলাম মিয়া বানিয়েছেন ‘আমার শেষ কথা’। সচেতন ফিল্ম মিডিয়ার ব্যানারে সিনেমাটি প্রযোজনাও করছেন ইসলাম মিয়া। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে সিনেমাটি। ফেসবুকে চলচ্চিত্র গ্রুপে সিনেমার ট্রেলার প্রকাশ পেলেও এখনো কোনো ধরনের প্রচারে
৯ ঘণ্টা আগেপ্রতি সপ্তাহে নতুন সিনেমা বা ওয়েব সিরিজের জন্য দর্শকদের নজর থাকে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে। এ সপ্তাহেও মুক্তি পাবে নানা দেশের, নানা ভাষার কনটেন্ট। বাছাই করা এমন কিছু কনটেন্টের খোঁজ থাকছে এ প্রতিবেদনে।
৯ ঘণ্টা আগেএক দম্পতির সংসার জীবনের টানাপোড়েনের গল্প নিয়ে জোবায়ের আহসান রচনা করেছেন ‘সহযাত্রী’ নামের ইউটিউব ফিল্ম। গল্প ও পরিচালনায় মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ। দম্পতির ভূমিকায় অভিনয় করেছেন জোভান ও নিহা।
২১ ঘণ্টা আগে