ঢাকা: মুক্তি পাচ্ছে তামিল সুপারস্টার ধানুশের আলোচিত ছবি ‘জগমে ঠান্ডিরাম’। ১৯০টি দেশে ১৭ ভাষায় মুক্তি পাবে এ ছবি। কাল শুক্রবার নেটফ্লিক্সে দেখা যাবে গ্যাংস্টার ধানুশকে।
‘জগমে ঠান্ডিরাম’কে বলা হচ্ছে গ্যাংস্টার ফিল্ম। এ ছবির ঘোষণা এসেছিল ২০১৬ সালে। কিন্তু যে পরিমাণ অর্থের দরকার এ ছবি বানাতে, তখন প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান তা জোগাড় করতে পারেনি। দুই বছর পর আবার ছবিটি বানানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়।
শুটিং শুরু হয় ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে। প্রায় চার মাস ধরে লন্ডন, ভারতের মাদুরাই ও চেন্নাইয়ে ‘জগমে ঠান্ডিরাম’–এর শুটিং হয়েছে।
ধানুশের দাবি, ছবিটি দর্শকদের চাপ কমাবে। দীর্ঘদিন ধরে লকডাউনের কারণে মানসিকভাবে কেউই ভালো নেই। তাদের জন্য টনিক হিসেবে কাজ করবে ছবিটি।
‘জগমে ঠান্ডিরাম’–এ ধানুশের চরিত্রের নাম সুরুলি। বাহারি গোঁফে যেন একেবারে ডাকাত সরদার! এ চরিত্রের জন্য গোঁফওয়ালা-সানগ্লাস পরা বিশেষ ইমোজি বানিয়েছে টুইটার।
সুপারস্টার রজনীকান্তের ভীষণ ভক্ত ধানুশ। অন্যান্য ছবিতে ধানুশ সব সময় চেষ্টা করেছেন রজনীর প্রভাব থেকে মুক্ত থাকার। তবে ‘জগমে ঠান্ডিরাম’–এ ধানুশের ভেতরে রজনীকান্তকেও পাওয়া যাবে।
প্রথম দিকে ধানুশ কিছুতেই চাননি ছবিটি প্রেক্ষাগৃহ ছাড়া অন্য কোথাও মুক্তি পাক। প্রযোজক যখন নেটফ্লিক্সে বিক্রি করতে চাইছিলেন, তখন বিষয়টি ভালোভাবে নেননি অভিনেতা। তবে পরবর্তী সময়ে মন গলেছে ধানুশের।

দেশপ্রেমের গল্পে শাকিব খানকে নিয়ে সাকিব ফাহাদ নির্মাণ করছেন ‘সোলজার’ নামের সিনেমা। গত বছর অক্টোবরে শুরু হয়েছিল শুটিং। ডিসেম্বরেই সোলজার মুক্তি দেবেন বলে জানিয়েছিলেন নির্মাতা। এর মাঝে গত দুই ঈদে শাকিব খান অভিনীত দুই সিনেমা মুক্তি পেলেও এখনো আলোর মুখ দেখেনি সোলজার।
৫ ঘণ্টা আগে
কথাসাহিত্যিক আবুল বাশারের ‘পবিত্র অসুখ’ উপন্যাস অবলম্বনে তৈরি হচ্ছে দীর্ঘ ধারাবাহিক ‘চাওয়া পাওয়া’। ধারাবাহিকের চিত্রনাট্য লিখেছেন মনসুর রহমান চঞ্চল। এতে প্রথমবারের মতো একসঙ্গে অভিনয় করলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত অভিনেত্রী ডলি জহুর, আবৃত্তিশিল্পী ও অভিনেত্রী মুনিরা ইউসুফ মেমী ও অভিনেত্রী জাকিয়া বারী মম।
৫ ঘণ্টা আগে
গত শনিবার সন্ধ্যায় মুম্বাইয়ে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে উদ্যাপিত হলো প্রযোজক হিসেবে আমির খানের ২৫ বছর পূর্তি। একই সঙ্গে আয়োজনটি ছিল আমিরের প্রযোজিত প্রথম সিনেমা ‘লগান’-এর ২৫ বছর পূর্তির উৎসব। আমিরের আমন্ত্রণে এ অনুষ্ঠানে হাজির হন বলিউডের জনপ্রিয় তারকারা।
৫ ঘণ্টা আগে
মা গুলনাহার বেগমের স্বপ্ন ছিল ছেলে আতিক একদিন জনপ্রিয় শিল্পী হবেন। সেই স্বপ্ন পূরণ হওয়ার আগেই ২০০৩ সালে প্রয়াত হন আতিকের মা। এরপর মায়ের স্বপ্ন পূরণ করতে ঢাকায় ছুটে আসেন আতিক, গার্মেন্টসে চাকরি নেন, পাশাপাশি চালিয়ে চান গানের চর্চা।
৫ ঘণ্টা আগে