ভূমধ্যসাগরের কোলে অবস্থিত দ্বীপরাষ্ট্র মাল্টার ঐতিহ্যবাহী উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইউনিভার্সিটি অব মাল্টা। বিশ্ববিদ্যালয়টি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে বৃত্তি ঘোষণা করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত নয়, এমন যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীরা এ বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা বৃত্তিটির আওতায় মাস্টার্স ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ পাবেন।
ইউনিভার্সিটি অব মাল্টা ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের অন্যতম প্রাচীন ও মর্যাদাপূর্ণ উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ১৫৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত এই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়টি মাল্টার প্রধান শিক্ষা ও গবেষণাকেন্দ্র হিসেবে স্বীকৃত। এটি ইউরোপীয় উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তাদের একাডেমিক কাঠামো পরিচালনা করে। বর্তমানে এখানে প্রায় ১১ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন। যার মধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ রয়েছে।
সুযোগ-সুবিধা
বৃত্তিটির আওতায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি মওকুফের ক্ষেত্রে একটি কাঠামো অনুসরণ করা হয়। এই বৃত্তির প্রধান আর্থিক সুবিধা হলো পোস্টগ্র্যাজুয়েট পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের টিউশন ফির ওপর ৪০ থেকে সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত মওকুফ সুবিধা প্রদান করা হয়। তবে এই মওকুফের হারটি সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করে ভর্তি কমিটি কর্তৃক গৃহীত ইন্টারভিউতে তিনি কেমন পারফর্ম করছেন তাঁর ওপর। ইন্টারভিউতে প্রার্থীর অর্জিত স্কোর অনুযায়ী মওকুফের পরিমাণ নির্ধারিত হয়।
যেসব শিক্ষার্থী ইন্টারভিউতে ৮০ থেকে ১০০ শতাংশ নম্বর অর্জন করতে সক্ষম হন, তাঁরা শতভাগ টিউশন ফির মওকুফ সুবিধা পান। একইভাবে, ৭০-৭৯ শতাংশ স্কোরের জন্য ৮০% ফি মওকুফ, ৬০-৬৯ শতাংশ স্কোরের জন্য ৬০% এবং ৫০-৫৯ শতাংশ স্কোরের জন্য ৪০% টিউশন ফি মওকুফ করা হয়। বিপরীতে, ৫০ শতাংশের নিচে স্কোর অর্জন করলে কোনো ধরনের আর্থিক সুবিধা পাওয়া সম্ভব হয় না।
আবেদনের যোগ্যতা
এই বৃত্তির জন্য আবেদনের প্রধান এবং প্রথম শর্ত হলো, আবেদনকারীকে অবশ্যই ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইউরোপীয় অর্থনৈতিক অঞ্চলের বাইরের দেশের নাগরিক হতে হবে। তবে মনে রাখা জরুরি, এটি কেবল নতুন ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য প্রযোজ্য। যেসব শিক্ষার্থী ইতিমধ্যেই ইউনিভার্সিটি অব মাল্টায় কোনো প্রোগ্রাম বা কোর্সে পড়াশোনা শুরু করে দিয়েছেন, তাঁরা এই স্কলারশিপের জন্য নতুন করে আবেদন করতে পারবেন না।
এ ছাড়া, এই বৃত্তির জন্য বিবেচিত হওয়ার অন্যতম পূর্বশর্ত হলো ইউনিভার্সিটি অব মাল্টার নির্ধারিত ভর্তির মানদণ্ড পূরণ করা। প্রতিটি কোর্সের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক যে একাডেমিক ও ভাষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন হয়, তা যথাযথভাবে পূরণ করলেই কেবল একজন শিক্ষার্থী স্কলারশিপের জন্য নিজেকে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপন করতে পারবেন।
আবেদনের প্রয়োজনীয় তথ্য
অ্যাকসেপ্টেন্স লেটার, বিস্তারিত জীবনবৃত্তান্ত, মোটিভেশন লেটার ও পাসপোর্টের অনুলিপি। সব ডকুমেন্ট অবশ্যই স্পষ্ট এবং রঙিন হতে হবে। পিডিএফ ফরম্যাটে সবগুলো ফাইল জমা দিতে হবে। আর মোটিভেশন লেটারে প্রার্থীর গবেষণার লক্ষ্য এবং প্রার্থী কেন মাল্টাকে উচ্চশিক্ষার জন্য বেছে নিয়েছেন, তা স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তুলবেন। ইন্টারভিউয়ের আগে এই লেটারটি আপনার প্রস্তুতির মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।
আবেদনের পদ্ধতি
আগ্রহী শিক্ষার্থীরা এই লিংকে গিয়ে মাস্টার্সের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আর এই লিংকে গিয়ে পিএইচডির জন্য আবেদন করতে পারবেন।
আবেদনের শেষ সময়
৩০ এপ্রিল, ২০২৬।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘বৈজ্ঞানিক লাইফস্টাইল ডেভেলপমেন্ট এবং মানসিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম’ চালুর সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। আজ শনিবার (১৪ মার্চ) মাউশির পরিচালক (মাধ্যমিক) অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল স্বাক্ষরিত অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা যায়।
১১ ঘণ্টা আগে
প্যারাগ্রাফ একটি লেখার প্রাণ। ছোট্ট এই গঠনেই একটি ভাবনা পূর্ণতা পায়, স্পষ্ট হয় যুক্তি। একটি সুগঠিত প্যারাগ্রাফে থাকে স্পষ্ট একটি মূল বক্তব্য। মাঝখানে থাকে একটা বিবরণ। আর শেষে থাকে ভাবনার সংক্ষিপ্ত সমাপ্তি।
১৫ ঘণ্টা আগে
শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের কোনো রকম প্রশ্নই ওঠে না। বরং শিক্ষাগত যোগ্যতা ধাপে ধাপে ঠিক আছে কি না, এটা দেখার জন্য প্রথম যাচাই বাছাই করবে ইউএনও, তারপর করবে ডিসি, তারপর তিনটি নাম পাঠাবে স্ব–স্ব বোর্ডে...
১ দিন আগে
আইনি জটিলতায় দীর্ঘদিন স্থগিত থাকা ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে শুরু হতে পারে। পরীক্ষাটি ১৫ থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত চার দিনে নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)।
১ দিন আগে