
উন্নত জীবন আর বিশ্বমানের শিক্ষার কেন্দ্রবিন্দু কানাডা। দেশটিতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সুযোগ নিয়ে এল ‘কানাডিয়ান গভর্নমেন্ট স্কলারশিপ-২০২৬’। বৃত্তিটির আওতায় মেধাবী শিক্ষার্থীরা কোনো ধরনের টিউশন ফি ছাড়াই দেশটির শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি করার সুযোগ পাবেন। কানাডা সরকারের এই উদ্যোগের ফলে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা, আবাসন, যাতায়াতসহ সব খরচ বহন করা হবে।
সুযোগ-সুবিধা
বৃত্তিটির আওতায় স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা তাঁদের কোর্সের সময়সীমা অনুযায়ী সরাসরি আর্থিক অনুদান পাবেন। চার মাসের কোর্স বা একটি একাডেমিক টার্মের জন্য একজন শিক্ষার্থী ১০ হাজার ২০০ কানাডিয়ান ডলার এবং পাঁচ থেকে ছয় মাসের গবেষণা বা পড়াশোনার জন্য ১২ হাজার ৭০০ কানাডিয়ান ডলার পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা পাবেন। এই বৃত্তির সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এটি ২০ মাস পর্যন্ত সম্পূর্ণ টিউশন ফি এবং আনুষঙ্গিক সব একাডেমিক খরচ বহন করে।
এ ছাড়া, শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য ইকোনমি ক্লাসের বিমান টিকিট, ভিসা বা স্টাডি পারমিটের খরচ এবং বায়োমেট্রিক ফি দেওয়া হবে। কানাডায় পৌঁছানোর পর আবাসন, খাবার ও ইউটিলিটি বিলসহ জীবনযাত্রার ব্যয় মেটাতেও এই স্কলারশিপ থেকে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়। স্বাস্থ্যবিমা, বইপত্র ক্রয় এবং স্থানীয় যাতায়াতের জন্য পাবলিক ট্রান্সপোর্ট পাসের খরচও এই বৃত্তির অন্তর্ভুক্ত।
আবেদনের যোগ্যতা
কানাডা সরকারের এই বিশেষ বৃত্তির জন্য আবেদনকারীকে অবশ্যই নির্দিষ্ট কিছু দেশের নাগরিক হতে হবে। যার মধ্যে এশিয়া অঞ্চল থেকে বাংলাদেশ, নেপাল ও তাইওয়ান অন্তর্ভুক্ত। এ ছাড়া আজারবাইজান, ভুটান, তুরস্ক, ইউক্রেনসহ মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার আরও বেশ কিছু দেশের শিক্ষার্থীরা এ সুযোগ পাবেন।
প্রার্থীর জন্য আবশ্যিক শর্ত হলো তিনি কানাডার নাগরিক বা সেখানে স্থায়ী বসবাসের অনুমতিধারী হতে পারবেন না। এই বৃত্তির অধীনে কানাডার কোনো স্বীকৃত উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পূর্ণকালীন একাডেমিক প্রোগ্রামে ভর্তির সুযোগ পেতে হবে। ভর্তি আবেদনের সময়ই এই স্কলারশিপের প্রতি আগ্রহের কথা উল্লেখ করতে হবে। যেহেতু এটি একটি আন্তর্জাতিক মানের প্রোগ্রাম, তাই আবেদনকারীকে অবশ্যই ইংরেজি বা ফরাসি ভাষায় পড়াশোনা করার মতো প্রয়োজনীয় ভাষাগত দক্ষতা থাকতে হবে।
বৃত্তির মেয়াদ
এই বৃত্তির অধীনে মাস্টার্স ডিগ্রি বা স্বল্পমেয়াদি শর্ট কোর্সগুলোর জন্য দুটি ধরন রয়েছে। শর্ট কোর্স বা এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে এই বৃত্তির সর্বনিম্ন মেয়াদ হলো একটি একাডেমিক বছর বা ৮ মাস। অন্যদিকে, মাস্টার্স ডিগ্রির জন্য এই বৃত্তির মেয়াদ সর্বোচ্চ দুই একাডেমিক বছর বা মোট ২৪ মাস পর্যন্ত হতে পারে। তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো, নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের এ শিক্ষা কার্যক্রম অবশ্যই ২০২৫-এর আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে শুরু করতে হবে।
এই সুনির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে কোর্স শুরু করার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাঁদের কাঙ্ক্ষিত গবেষণা বা উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনে কানাডা সরকারের পূর্ণ আর্থিক সহায়তা উপভোগ করতে পারবেন।
অধ্যয়নের ক্ষেত্রগুলো
কানাডা সরকারের বৃত্তিটি মূলত সব ধরনের একাডেমিক ডিসিপ্লিন বা বিষয়ের জন্য উন্মুক্ত। এর মানে হলো ব্যবসায় শিক্ষা, মানবিক, সামাজিক বিজ্ঞান থেকে শুরু করে বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তির যেকোনো বিষয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ের সীমাবদ্ধতা না থাকায় এটি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত আকর্ষণীয়। বিশেষ করে কম্পিউটার সায়েন্স, জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ বিজ্ঞান, কৃষি, প্রকৌশল এবং এমবিএর মতো চাহিদাসম্পন্ন বিষয়গুলোতে উচ্চতর গবেষণা ও পড়াশোনার চমৎকার সুযোগ রয়েছে।
আবেদনের পদ্ধতি
আগ্রহী প্রার্থীরা লিঙ্কে গিয়ে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।
আবেদনের শেষ সময়: ৩১ মার্চ, ২০২৬।

চলতি মাসের মধ্যেই নতুন কারিকুলাম (পাঠ্যক্রম) কমিটি গঠন ও সদস্য নির্বাচন সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। আজ রোববার মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে...
১৪ ঘণ্টা আগে
নারায়ণগঞ্জের আর পি সাহা বিশ্ববিদ্যালয়ে রিসার্চ ক্লাবের উদ্বোধন ও নতুন কমিটির সদস্যদের বরণ অনুষ্ঠান সম্প্রতি ক্যাম্পাসে প্রাণবন্ত আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কুইজ প্রতিযোগিতা ও পাবলিক স্পিকিং পর্বে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।
১৯ ঘণ্টা আগে
বিশ্বের প্রথম সারির সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম দিকেই রয়েছে আমেরিকার ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এমআইটি)। বহু নোবেলজয়ী, বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী ও উদ্যোক্তা তৈরি হয়েছে এই প্রতিষ্ঠান থেকে। এলিট এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করা অনেক শিক্ষার্থীরই জীবনের একটি দুর্লভ সুযোগ।
২০ ঘণ্টা আগে
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ইউজিসি চেয়ারম্যানের দায়িত্বগ্রহণ করেছেন অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ। ১৪তম চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি তার দায়িত্বগ্রহণের দেড় বছর পূর্ণ করেছেন। দায়িত্বগ্রণের পর থেকে দেশের উচ্চ শিক্ষাঙ্গনে বেশকিছু বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
২০ ঘণ্টা আগে