Ajker Patrika

অস্ট্রেলিয়ার স্কুল কাউন্সিলে নির্বাচিত বাংলাদেশি পিএইচডি গবেষক রাবিউল আলম

ক্যাম্পাস ডেস্ক 
আপডেট : ১৪ জুন ২০২৬, ১৪: ৩২
অস্ট্রেলিয়ার স্কুল কাউন্সিলে নির্বাচিত বাংলাদেশি পিএইচডি গবেষক রাবিউল আলম
মো. রাবিউল আলম।

অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনের সেন্ট লুসিয়ায় অবস্থিত স্বনামধন্য আইরনসাইড স্টেট স্কুলের স্কুল কাউন্সিলের প্যারেন্ট মেম্বার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশি পিএইচডি গবেষক মো. রাবিউল আলম। তিনি বর্তমানে ইউনিভার্সিটি অব কুইন্সল্যান্ডে (ইউকিউ) টিইএসওএল ও অ্যাপ্লায়েড লিঙ্গুইস্টিকস বিষয়ে পিএইচডি করছেন।

বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও ভাষিক পটভূমির প্রায় ৮৭৫ জন শিক্ষার্থী বর্তমানে আইরনসাইড স্টেট স্কুলে পড়াশোনা করছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত স্কুল কাউন্সিল নির্বাচনে পাঁচজন প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে রাবিউল আলম সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। নির্বাচনের পর কাউন্সিল সদস্যদের সম্মতিতে তিনি ২০২৬-২৭ মেয়াদের জন্য স্কুল কাউন্সিলের সেক্রেটারি হিসেবেও দায়িত্ব পান।

স্কুল কাউন্সিল বিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ গভর্ন্যান্স বডি হিসেবে কৌশলগত দিকনির্দেশনা, কমিউনিটি সম্পৃক্ততা এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় ভূমিকা রাখে। ফলে এই কাউন্সিলে একজন বাংলাদেশি গবেষকের নির্বাচিত হওয়া বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশিদের ইতিবাচক অংশগ্রহণ, আস্থা অর্জন এবং নেতৃত্বের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ।

পিএইচডি গবেষণার পাশাপাশি রাবিউল আলম অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষা, স্বেচ্ছাসেবা ও কমিউনিটি কার্যক্রমে যুক্ত। তিনি আইরনসাইড স্টেট স্কুলে তাঁর সন্তানের ক্লাসের প্যারেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন এবং স্থানীয় বিভিন্ন কমিউনিটি উদ্যোগে সম্পৃক্ত রয়েছেন।

নিজের নির্বাচিত হওয়া প্রসঙ্গে রাবিউল আলম বলেন, ‘যেসব অভিভাবক ও কমিউনিটি সদস্য আমাকে ভোট দিয়ে আস্থা রেখেছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞ। বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ বাংলাদেশি কমিউনিটি এবং বৃহত্তর আইরনসাইড স্টেট স্কুল কমিউনিটির প্রতি। এই অর্জন শুধু আমার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; বরং বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশি গবেষক ও পেশাজীবীদের ইতিবাচক অবদানেরও প্রতিফলন।’

বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষা, গবেষণা ও কমিউনিটি সম্পৃক্ততায় এক দশকের বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে রাবিউল আলমের। তাঁর এই অর্জন অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থী, গবেষক ও পেশাজীবীদের ক্রমবর্ধমান অংশগ্রহণ এবং নেতৃত্বের সম্ভাবনাকে নতুনভাবে তুলে ধরে। বিদেশে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য তাঁর অভিজ্ঞতা একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেয়—উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি স্থানীয় সমাজ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কমিউনিটির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হওয়াও আন্তর্জাতিক পরিসরে আস্থা, নেতৃত্ব ও গ্রহণযোগ্যতা তৈরির একটি শক্তিশালী পথ।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত