ব্রিটিশ প্রযুক্তি উদ্যোক্তা এবং মাইক্রোসফট এআইয়ের প্রধান নির্বাহী মুস্তফা সুলেমান তাঁর বই ‘দ্য কামিং ওয়েব’-এ লিখেছেন, ‘ঊনবিংশ শতকের শেষ ভাগে যাঁরা ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে বড় হয়েছেন, জীবনের শেষ সময়ে তাঁরাই উড়োজাহাজে ভ্রমণ করেছেন এবং এমন ঘরে থেকেছেন, যা পরমাণু শক্তিতে উষ্ণ।
একজীবনে এত বড় পরিবর্তন সত্যিই অবিশ্বাস্য।’
ঠিক তেমনি, আমরা এখন দ্রুত পরিবর্তনের যুগে আছি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, অটোমেশন, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম—সব মিলিয়ে পৃথিবী প্রতিনিয়ত বদলে যাচ্ছে। কিন্তু শিক্ষার্থীরা কি এই পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত? প্রস্তুত না হলে, তাদের প্রতিদিনের সমস্যাগুলো নোট করা এবং সমাধানের পথ খুঁজে বের করা প্রয়োজন।
বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা বনাম বাস্তবতা
কিংস্টোন ইউনিভার্সিটির এক জরিপে দুই হাজারের বেশি সফল ব্যবসায়ীর ৭৪ শতাংশ মনে করেন, বর্তমান স্নাতকের শিক্ষার্থীরা এআইভিত্তিক বিশ্বের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত নয়। শিক্ষাব্যবস্থা অনেক বছর ধরে মুখস্থ করা, নির্দেশ পালন এবং নির্দিষ্ট আউটপুট তৈরি করাকে মূল লক্ষ্য হিসেবে দেখেছে। কিন্তু আজকের বাস্তবতা ভিন্ন: ল্যাপটপ, ইন্টারনেট এবং এআইয়ের সহজ অ্যাকসেস থাকলেই একজন তরুণ নিজস্ব আইডিয়াকে বাস্তবে রূপ দিতে পারে। তাই সমস্যা চিহ্নিত করার ক্ষমতা, সৃজনশীল চিন্তাভাবনা এবং উদ্যোগী মনোভাব গুরুত্বপূর্ণ।
পরিবর্তিত অর্থনীতির শিক্ষা
একসময়ে ভূমি, পুঁজি, শ্রম ও উদ্যোগ—চারটি ছিল ক্ষমতার উৎস। শিল্পবিপ্লবের পরে পুঁজি ও শ্রম গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। তথ্যযুগে জ্ঞান ও দক্ষতা প্রাধান্য পায়। আজকের যুগে সবচেয়ে বড় শক্তি হলো ‘উদ্যোগী মনোভাব’।
ছোট অভ্যাস, বড় ফল
ছোট সমস্যাগুলো নোট করুন। বাসের টিকিট কাটতে ঝামেলা? বিশ্ববিদ্যালয়ের নোট সংগ্রহে অসুবিধা? অনলাইন ফরম পূরণে সময় নষ্ট? প্রতিটি ছোট অসুবিধার মধ্যে লুকিয়ে থাকে নতুন সম্ভাবনা।
সপ্তাহে একটি সমস্যা বেছে নিয়ে তিনটি প্রশ্ন করুন:
আজকের এআই প্রযুক্তি প্রোটোটাইপ তৈরি অনেক সহজ করে দিয়েছে।
এআই—প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, অংশীদার
অনেকে ভেবে থাকেন, এআই মানুষের কাজ দখল করবে। বাস্তবে, কাজের ধরন বদলে গেছে। ‘করার’ কাজ প্রযুক্তির হাতে থাকলেও, ‘ভাবার’ দায়িত্ব মানুষের। কোন সমস্যা গুরুত্বপূর্ণ, কোন সমাধান অর্থবহ—এটি এখনো মানুষের বিচারবোধ। তাই সমস্যার নোট শুধু একটি নোটবুক নয়; এটি সমস্যার চোখ তৈরি করার অনুশীলন।
অনিশ্চয়তার সময়ে মানসিক শক্তি
ডিগ্রি থাকলেই নিশ্চিন্ত চাকরি—এ ধারণা ক্রমেই বদলাচ্ছে। নতুন পৃথিবী পুরোপুরি গড়ে ওঠেনি। অস্বস্তি, উদ্বেগ, অনিশ্চয়তা স্বাভাবিক। যারা সমস্যার দিকে মনোযোগ দেয়, তাদের হাতে তৈরি হয় আগামী দিনের বাস্তব সুযোগ।
শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন হওয়া উচিত, ‘কোন সমস্যা আমার কাছে এত গুরুত্বপূর্ণ যে আমি এটি সমাধান করতে চাই?’ কারণ, কোনো প্রযুক্তি এই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে না। ছোট একটি নোটবুক, দৈনন্দিন পর্যবেক্ষণ এবং সমস্যা সমাধানের চেষ্টা আগামী দিনের উদ্যোক্তা, গবেষক ও নেতা তৈরি করবে। আজকের ‘সমস্যার নোট’ একদিন হয়ে উঠবে বড় কোনো পরিবর্তনের প্রথম খসড়া।
তথ্যসূত্র: ফোর্বস

চলতি মাসের মধ্যেই নতুন কারিকুলাম (পাঠ্যক্রম) কমিটি গঠন ও সদস্য নির্বাচন সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। আজ রোববার মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে...
১৪ ঘণ্টা আগে
নারায়ণগঞ্জের আর পি সাহা বিশ্ববিদ্যালয়ে রিসার্চ ক্লাবের উদ্বোধন ও নতুন কমিটির সদস্যদের বরণ অনুষ্ঠান সম্প্রতি ক্যাম্পাসে প্রাণবন্ত আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কুইজ প্রতিযোগিতা ও পাবলিক স্পিকিং পর্বে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।
১৯ ঘণ্টা আগে
বিশ্বের প্রথম সারির সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম দিকেই রয়েছে আমেরিকার ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এমআইটি)। বহু নোবেলজয়ী, বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী ও উদ্যোক্তা তৈরি হয়েছে এই প্রতিষ্ঠান থেকে। এলিট এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করা অনেক শিক্ষার্থীরই জীবনের একটি দুর্লভ সুযোগ।
২০ ঘণ্টা আগে
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ইউজিসি চেয়ারম্যানের দায়িত্বগ্রহণ করেছেন অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ। ১৪তম চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি তার দায়িত্বগ্রহণের দেড় বছর পূর্ণ করেছেন। দায়িত্বগ্রণের পর থেকে দেশের উচ্চ শিক্ষাঙ্গনে বেশকিছু বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
২০ ঘণ্টা আগে