অর্পণ চৌধুরী
নতুন স্বপ্ন বুকে নিয়ে বায়োমেডিক্যাল সায়েন্স বিষয়ে আন্তর্জাতিক শিক্ষার প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। ঠিক করে রেখেছিলাম বিদেশে পড়তে যাব। সে জন্য স্যাটের প্রস্তুতি নিই এবং গণিত বিভাগে প্রশংসনীয় ৭৮০ পেয়ে মোট ১৬০০ নম্বরে ১৪০০ পেয়ে উত্তীর্ণ হই। স্যাট ও আইইএলটিএস উভয় পরীক্ষার জন্য নিজে প্রস্তুতি নিয়ে সন্তোষজনক ফল পেয়েছি। তখন নিজের ওপর আত্মবিশ্বাস আরও বাড়তে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করেছি এবং এর মধ্যে ১৬টির কাছ থেকে অফার লেটার পেয়েছি। কিছু কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃত্তিও পেয়েছিলাম। এরপর কানাডার চারটি বিশ্ববিদ্যালয় আবেদন করি এবং চারটিতেই ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাই। এর মধ্যে অন্যতম ছিল ব্রিটিশ কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় (ইউবিসি), পিটার্সবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়, ডালাসের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়। কিন্তু কানাডার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ও অনুকূল অভিবাসন নীতিগুলো আমার দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। তাই সেখানে পড়াশোনা করব বলে মনস্থির করি। কানাডার সেরা বৃত্তি প্রদানের পাশাপাশি আলবার্টা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম সেরা প্রোগ্রামগুলোতে ভর্তির সুযোগ ছিল স্বপ্নের মতো।
সহশিক্ষা কার্যক্রমেও ছিলাম
শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের চেষ্টা শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। যদিও উচ্চবিদ্যালয়ে আমার সব সময় ভালো গ্রেড ছিল, সর্বদা বিভিন্ন পাঠ্যক্রমবহির্ভূত ক্রিয়াকলাপের সঙ্গে জড়িত ছিলাম। বাংলাদেশ ইয়ুথ অ্যাসোসিয়েশন ফর ক্যানসার অ্যাওয়ারনেসের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি হিসেবে নিরলস প্রচেষ্টা চালাই তরুণদের মাঝে ক্যানসার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন এবং ক্যানসার রোগীদের জন্য তহবিল সংগ্রহ করতে। এই ভূমিকা নিয়ে সারা দেশে ২০০ জন সক্রিয় তরুণের একটি দল তৈরি করেছি, যেটা ক্রমাগত ক্যানসার সচেতনতা প্রচার করছে। একজন স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে তহবিল সংগ্রহের মাধ্যমে ক্যানসার রোগীদের জন্য তিন লাখ টাকারও বেশি অর্থ সংগ্রহ করেছি। নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশ জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের মতো বিভিন্ন অলিম্পিয়াড এবং প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে জয়লাভ করি।
আলবার্টায় পড়াশোনা
বর্তমানে ৫০ শতাংশ স্কলারশিপ নিয়ে আলবার্টা বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃতীয় বর্ষে পড়াশোনা করছি। প্রাতিষ্ঠানিক যাত্রায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করি। শেখার প্রতি আবেগ আমাকে আলবার্টা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্রেইন অ্যান্ড এজিং রিসার্চ সেন্টারে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট গবেষণায় সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে সাহায্য করেছে। একাডেমিকের পাশাপাশি ফিনটেক ইউনিকর্ন ‘Neo Financial’-এর জন্য এক বছরের বেশি সময় ধরে কাজ করেছি। ফেসবুক ও ইউটিউবের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো ব্যবহার করে বিদেশে পড়াশোনা করতে ইচ্ছুক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা শেয়ার করছি। পাশাপাশি বিভিন্ন পরামর্শমূলক কনটেন্ট আপলোড করে তাদের বিদেশে উচ্চশিক্ষার যাত্রাকে সহজ করে তোলার চেষ্টা করছি।
কিছু পরামর্শ
সাফল্যের জন্য প্রাথমিক প্রস্তুতি
বিদেশে অধ্যয়নে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের বলব, প্রাথমিক প্রস্তুতির গুরুত্বের ওপর জোর দিন। আপনার স্বপ্ন নাগালের মধ্যে আছে। তাই স্বপ্ন পূরণে চাই কঠোর প্রচেষ্টা। আইইএলটিএস, স্যাট, জিআরইসহ পরীক্ষাগুলো ভালোভাবে দিন। এগুলোতে ভালো স্কোর আপনার বিদেশে উচ্চশিক্ষার যাত্রাকে সুগম করে দেবে।
এসওপি
বিদেশে পড়াশোনায় যাত্রার ক্ষেত্রে এজেন্সিগুলোকে পরিহার করে নিজে চেষ্টা করাই ভালো। আপনার নিজের স্বতন্ত্র, নিজের ব্যক্তিত্ব, নিজের শক্তিকে ফুটিয়ে তুলুন। এসওপি লেখার ক্ষেত্রে টেমপ্লেট অনুসরণ করুন। পাশাপাশি সিনিয়র ভাই যাঁরা বিদেশে অধ্যয়নরত, তাঁদের সহযোগিতা নিতে পারেন। আপনার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের একটি বিবৃতি তৈরি করুন, যা ভর্তি কমিটির কাছে আপনার আগ্রহ ও ব্যক্তিত্বকে হাইলাইট করবে।
চাই সহশিক্ষা কার্যক্রম
পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নিন। আপনার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ক্লাবের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ুন। পাশাপাশি বিভিন্ন সমাজসেবা ও স্বেচ্ছাসেবী কাজে যুক্ত হয়ে পড়ুন। এসব কার্যক্রমের সার্টিফিকেট বিদেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে কাজে দেয়। পাঠ্যক্রমবহির্ভূত কার্যকলাপে সক্রিয়ভাবে জড়িত থাকার মাধ্যমে আপনার কর্মদক্ষতা প্রদর্শন করুন। ভর্তি কমিটি শ্রেণিকক্ষের বাইরে বিভিন্ন দক্ষতা প্রদর্শনকারী প্রার্থীদের প্রশংসা করে। তারা সহশিক্ষা কার্যক্রমে যুক্ত আবেদনকারীদের গুরুত্ব দিতে চায়।
বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন
বিদেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে তালিকা তৈরি করার সময় বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে সূক্ষ্ম গবেষণা করুন। একটু ঘাঁটাঘাঁটি করুন এবং সিনিয়রদের পরামর্শ নিন। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব সুবিধা এবং সংস্কৃতি রয়েছে। বিস্তারিত জানতে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রদের কাছ থেকে পরামর্শ নিতে পারেন। এ পদক্ষেপটি আপনাকে সঠিক ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিতে এবং আপনার একাডেমিক সাধনার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় খুঁজে পেতে সহায়তা করবে। দৃঢ়সংকল্পবদ্ধ থাকুন, মনোনিবেশ করুন এবং আপনার অটুট মনোনিবেশ আপনাকে একটি ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছে দেবে।
গ্রন্থনা: জুবায়ের আহম্মেদ
নতুন স্বপ্ন বুকে নিয়ে বায়োমেডিক্যাল সায়েন্স বিষয়ে আন্তর্জাতিক শিক্ষার প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। ঠিক করে রেখেছিলাম বিদেশে পড়তে যাব। সে জন্য স্যাটের প্রস্তুতি নিই এবং গণিত বিভাগে প্রশংসনীয় ৭৮০ পেয়ে মোট ১৬০০ নম্বরে ১৪০০ পেয়ে উত্তীর্ণ হই। স্যাট ও আইইএলটিএস উভয় পরীক্ষার জন্য নিজে প্রস্তুতি নিয়ে সন্তোষজনক ফল পেয়েছি। তখন নিজের ওপর আত্মবিশ্বাস আরও বাড়তে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করেছি এবং এর মধ্যে ১৬টির কাছ থেকে অফার লেটার পেয়েছি। কিছু কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃত্তিও পেয়েছিলাম। এরপর কানাডার চারটি বিশ্ববিদ্যালয় আবেদন করি এবং চারটিতেই ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাই। এর মধ্যে অন্যতম ছিল ব্রিটিশ কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় (ইউবিসি), পিটার্সবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়, ডালাসের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়। কিন্তু কানাডার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ও অনুকূল অভিবাসন নীতিগুলো আমার দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। তাই সেখানে পড়াশোনা করব বলে মনস্থির করি। কানাডার সেরা বৃত্তি প্রদানের পাশাপাশি আলবার্টা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম সেরা প্রোগ্রামগুলোতে ভর্তির সুযোগ ছিল স্বপ্নের মতো।
সহশিক্ষা কার্যক্রমেও ছিলাম
শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের চেষ্টা শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। যদিও উচ্চবিদ্যালয়ে আমার সব সময় ভালো গ্রেড ছিল, সর্বদা বিভিন্ন পাঠ্যক্রমবহির্ভূত ক্রিয়াকলাপের সঙ্গে জড়িত ছিলাম। বাংলাদেশ ইয়ুথ অ্যাসোসিয়েশন ফর ক্যানসার অ্যাওয়ারনেসের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি হিসেবে নিরলস প্রচেষ্টা চালাই তরুণদের মাঝে ক্যানসার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন এবং ক্যানসার রোগীদের জন্য তহবিল সংগ্রহ করতে। এই ভূমিকা নিয়ে সারা দেশে ২০০ জন সক্রিয় তরুণের একটি দল তৈরি করেছি, যেটা ক্রমাগত ক্যানসার সচেতনতা প্রচার করছে। একজন স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে তহবিল সংগ্রহের মাধ্যমে ক্যানসার রোগীদের জন্য তিন লাখ টাকারও বেশি অর্থ সংগ্রহ করেছি। নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশ জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের মতো বিভিন্ন অলিম্পিয়াড এবং প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে জয়লাভ করি।
আলবার্টায় পড়াশোনা
বর্তমানে ৫০ শতাংশ স্কলারশিপ নিয়ে আলবার্টা বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃতীয় বর্ষে পড়াশোনা করছি। প্রাতিষ্ঠানিক যাত্রায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করি। শেখার প্রতি আবেগ আমাকে আলবার্টা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্রেইন অ্যান্ড এজিং রিসার্চ সেন্টারে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট গবেষণায় সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে সাহায্য করেছে। একাডেমিকের পাশাপাশি ফিনটেক ইউনিকর্ন ‘Neo Financial’-এর জন্য এক বছরের বেশি সময় ধরে কাজ করেছি। ফেসবুক ও ইউটিউবের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো ব্যবহার করে বিদেশে পড়াশোনা করতে ইচ্ছুক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা শেয়ার করছি। পাশাপাশি বিভিন্ন পরামর্শমূলক কনটেন্ট আপলোড করে তাদের বিদেশে উচ্চশিক্ষার যাত্রাকে সহজ করে তোলার চেষ্টা করছি।
কিছু পরামর্শ
সাফল্যের জন্য প্রাথমিক প্রস্তুতি
বিদেশে অধ্যয়নে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের বলব, প্রাথমিক প্রস্তুতির গুরুত্বের ওপর জোর দিন। আপনার স্বপ্ন নাগালের মধ্যে আছে। তাই স্বপ্ন পূরণে চাই কঠোর প্রচেষ্টা। আইইএলটিএস, স্যাট, জিআরইসহ পরীক্ষাগুলো ভালোভাবে দিন। এগুলোতে ভালো স্কোর আপনার বিদেশে উচ্চশিক্ষার যাত্রাকে সুগম করে দেবে।
এসওপি
বিদেশে পড়াশোনায় যাত্রার ক্ষেত্রে এজেন্সিগুলোকে পরিহার করে নিজে চেষ্টা করাই ভালো। আপনার নিজের স্বতন্ত্র, নিজের ব্যক্তিত্ব, নিজের শক্তিকে ফুটিয়ে তুলুন। এসওপি লেখার ক্ষেত্রে টেমপ্লেট অনুসরণ করুন। পাশাপাশি সিনিয়র ভাই যাঁরা বিদেশে অধ্যয়নরত, তাঁদের সহযোগিতা নিতে পারেন। আপনার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের একটি বিবৃতি তৈরি করুন, যা ভর্তি কমিটির কাছে আপনার আগ্রহ ও ব্যক্তিত্বকে হাইলাইট করবে।
চাই সহশিক্ষা কার্যক্রম
পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নিন। আপনার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ক্লাবের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ুন। পাশাপাশি বিভিন্ন সমাজসেবা ও স্বেচ্ছাসেবী কাজে যুক্ত হয়ে পড়ুন। এসব কার্যক্রমের সার্টিফিকেট বিদেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে কাজে দেয়। পাঠ্যক্রমবহির্ভূত কার্যকলাপে সক্রিয়ভাবে জড়িত থাকার মাধ্যমে আপনার কর্মদক্ষতা প্রদর্শন করুন। ভর্তি কমিটি শ্রেণিকক্ষের বাইরে বিভিন্ন দক্ষতা প্রদর্শনকারী প্রার্থীদের প্রশংসা করে। তারা সহশিক্ষা কার্যক্রমে যুক্ত আবেদনকারীদের গুরুত্ব দিতে চায়।
বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন
বিদেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে তালিকা তৈরি করার সময় বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে সূক্ষ্ম গবেষণা করুন। একটু ঘাঁটাঘাঁটি করুন এবং সিনিয়রদের পরামর্শ নিন। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব সুবিধা এবং সংস্কৃতি রয়েছে। বিস্তারিত জানতে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রদের কাছ থেকে পরামর্শ নিতে পারেন। এ পদক্ষেপটি আপনাকে সঠিক ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিতে এবং আপনার একাডেমিক সাধনার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় খুঁজে পেতে সহায়তা করবে। দৃঢ়সংকল্পবদ্ধ থাকুন, মনোনিবেশ করুন এবং আপনার অটুট মনোনিবেশ আপনাকে একটি ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছে দেবে।
গ্রন্থনা: জুবায়ের আহম্মেদ
স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে সামার ২০২৫ সেশনে ভর্তি শুরু হয়েছে। এই ইউনিভার্সিটি ৫টি অনুষদের অধীনে ১৪টি বিভাগে ২৯টি স্নাতক ও স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে শিক্ষার্থী ভর্তি নিচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগেবিজ্ঞানের প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে দিনব্যাপী ‘নেক্সট জেন বাংলাদেশ: ইঞ্জিনিয়ারিং টুমরো’ শীর্ষক উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগ এবং অ্যাডমিশন অফিসের যৌথ উদ্যোগে এই আয়োজন অনুষ্ঠ
৮ ঘণ্টা আগেবিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষাজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এই সময়ে শিক্ষার্থীরা কেবল পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানার্জন করেন না, বরং গবেষণা, বিশ্লেষণ ও নানা স্কিল গঠনের সুযোগ পান। এই দক্ষতাগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো অ্যাসাইনমেন্ট তৈরি। অ্যাসাইনমেন্ট শুধু পরীক্ষার বিকল্প কিংবা নম্বর তোলার মাধ্যম নয়, বরং এটি একজন শিক্ষার্থী
১৮ ঘণ্টা আগেমার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বোস্টন ইউনিভার্সিটি প্রেসিডেনশিয়াল বৃত্তি ২০২৫-এর আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে। বিশ্বের যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীরা এ বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। বিভিন্ন ধরনের তহবিলযুক্ত এই বৃত্তির আওতায় শিক্ষার্থীরা স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ পাবেন। প্রতি বছর শিক্ষার্থীদের এই বৃত্তি দেওয়া হয়।
১৮ ঘণ্টা আগে