বান্দরবান প্রতিনিধি
বান্দরবানে অস্ত্র মামলায় সাচিং মং মারমাকে (৩৫) ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। আজ বুধবার দুপুরে বান্দরবানের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. আবু হানিফের আদালত থেকে এ আদেশ দেওয়া হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত সাচিং মং মারমা রাঙামাটির কাউখালী উপজেলার বেতবুনিয়া রাবার বাগান এলাকার বাসিন্দা। তিনি পাহাড়ের আঞ্চলিক রাজনৈতিক সংগঠন জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) একজন সক্রিয় কর্মী বলে জানা গেছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালের ৩ জুলাই বান্দরবান সদর উপজেলার কুহালং ইউনিয়নের চাকমাপাড়া এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর নিয়মিত টহল দল দেখে পালানোর সময় ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদে তাঁদের স্বীকারোক্তি মোতাবেক সদর উপজেলার গুংরু আগাপাড়া এলাকায় সেগুন বাগান থেকে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলা বারুদ উদ্ধার করা হয়।
অস্ত্রগুলো হল- ২টি চাইনিজ রাইফেল, ৭ রাউন্ড চাইনিজ রাইফেলের তাজা গুলি, ৪ রাউন্ড মিসফায়ার্ড গুলি, ৯৫ রাউন্ড এমএম রাইফেলের তাজা গুলি, ২৫ রাউন্ড মিস ফায়ার্ড গুলি, ২ সেট সেনাবাহিনীর আদলে জলপাই রঙের পোষাক, ২ সেট গুলি-ম্যাগাজিন বাউন্ডুলারসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম। এ ঘটনায় অস্ত্র-গোলাবারুদসহ গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামীকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে সেনাবাহিনীর লোকজন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-সাচিং মং মারমা এবং নেউ মারমা। তাঁদের মধ্যে সাচিং মং মারমা বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র রাখা, খুন ইত্যাদি অভিযোগে ৫টি মামলা চলমান রয়েছে। অপর আসামী নেউ মারমা অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে শিশু অপরাধ আইনে মামলা চলমান রয়েছে।
বান্দরবান আদালতের অ্যাডভোকেট মো. ইকবাল করিম আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, সাচিং মং মারমার পক্ষে কোনো আইনজীবী না থাকায় সরকারিভাবে লিগ্যাল এইড থেকে আমাকে (অ্যাডভোকেট ইকবাল) নিয়োজিত করা হয়। অস্ত্র আইনে বিশেষ ট্রাইবুনাল মামলা নং ২০ / ২০১১ এর মূল আসামী সাচিং মং মারমাকে বিভিন্ন তথ্য প্রমাণ, স্বাক্ষী এবং আসামীর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির ভিত্তিতে বান্দরবান অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. আবু হানিফের আদালত আজ ১৫ বছরের সশস্ত্র কারাদণ্ডের আদেশ দেয়। আদালতের নির্দেশে আসামীকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তপন কুমার দাস এবং জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তা বেদারুল আলম বলেন, অস্ত্র আইনে গ্রেপ্তার হওয়া সাচিং মং মারমাকে ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ২০১১ সালের ৩ জুলাই অস্ত্র-গোলাবারুদসহ নিরাপত্তা বাহিনী ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছিল। অপর আসামী অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় তার বিরুদ্ধে শিশু অপরাধ আইনে মামলা চলমান রয়েছে।
বান্দরবানে অস্ত্র মামলায় সাচিং মং মারমাকে (৩৫) ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। আজ বুধবার দুপুরে বান্দরবানের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. আবু হানিফের আদালত থেকে এ আদেশ দেওয়া হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত সাচিং মং মারমা রাঙামাটির কাউখালী উপজেলার বেতবুনিয়া রাবার বাগান এলাকার বাসিন্দা। তিনি পাহাড়ের আঞ্চলিক রাজনৈতিক সংগঠন জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) একজন সক্রিয় কর্মী বলে জানা গেছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালের ৩ জুলাই বান্দরবান সদর উপজেলার কুহালং ইউনিয়নের চাকমাপাড়া এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর নিয়মিত টহল দল দেখে পালানোর সময় ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদে তাঁদের স্বীকারোক্তি মোতাবেক সদর উপজেলার গুংরু আগাপাড়া এলাকায় সেগুন বাগান থেকে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলা বারুদ উদ্ধার করা হয়।
অস্ত্রগুলো হল- ২টি চাইনিজ রাইফেল, ৭ রাউন্ড চাইনিজ রাইফেলের তাজা গুলি, ৪ রাউন্ড মিসফায়ার্ড গুলি, ৯৫ রাউন্ড এমএম রাইফেলের তাজা গুলি, ২৫ রাউন্ড মিস ফায়ার্ড গুলি, ২ সেট সেনাবাহিনীর আদলে জলপাই রঙের পোষাক, ২ সেট গুলি-ম্যাগাজিন বাউন্ডুলারসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম। এ ঘটনায় অস্ত্র-গোলাবারুদসহ গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামীকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে সেনাবাহিনীর লোকজন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-সাচিং মং মারমা এবং নেউ মারমা। তাঁদের মধ্যে সাচিং মং মারমা বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র রাখা, খুন ইত্যাদি অভিযোগে ৫টি মামলা চলমান রয়েছে। অপর আসামী নেউ মারমা অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে শিশু অপরাধ আইনে মামলা চলমান রয়েছে।
বান্দরবান আদালতের অ্যাডভোকেট মো. ইকবাল করিম আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, সাচিং মং মারমার পক্ষে কোনো আইনজীবী না থাকায় সরকারিভাবে লিগ্যাল এইড থেকে আমাকে (অ্যাডভোকেট ইকবাল) নিয়োজিত করা হয়। অস্ত্র আইনে বিশেষ ট্রাইবুনাল মামলা নং ২০ / ২০১১ এর মূল আসামী সাচিং মং মারমাকে বিভিন্ন তথ্য প্রমাণ, স্বাক্ষী এবং আসামীর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির ভিত্তিতে বান্দরবান অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. আবু হানিফের আদালত আজ ১৫ বছরের সশস্ত্র কারাদণ্ডের আদেশ দেয়। আদালতের নির্দেশে আসামীকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তপন কুমার দাস এবং জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তা বেদারুল আলম বলেন, অস্ত্র আইনে গ্রেপ্তার হওয়া সাচিং মং মারমাকে ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ২০১১ সালের ৩ জুলাই অস্ত্র-গোলাবারুদসহ নিরাপত্তা বাহিনী ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছিল। অপর আসামী অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় তার বিরুদ্ধে শিশু অপরাধ আইনে মামলা চলমান রয়েছে।
মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় পুলিশ ক্যাম্পে ডাকাতদের হামলার ঘটনায় ডাকাত দলের প্রধান রিপনসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। আজ বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) ঢাকা ও গাজীপুর থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
২ দিন আগেনরসিংদীর শিবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ খান হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মহসিন মিয়াকে (৪৬) দুবাই থেকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ইন্টারপোলের রেড নোটিশের ভিত্তিতে দুবাই পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে এবং বাংলাদেশ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
২৪ জুলাই ২০২৫সবার সামনে পিটিয়ে হত্যা, পাথরে শরীর থেঁতলে দেওয়া, নিজের বাড়ির সামনে গুলি করে পায়ের রগ কেটে হত্যা, অস্ত্র দেখিয়ে সর্বস্ব ছিনতাই, চাঁদা না পেয়ে গুলি—এ ধরনের বেশ কয়েকটি ঘটনা কয়েক দিন ধরে বেশ আলোচিত। কিন্তু পুলিশ অনেকটাই নির্বিকার। প্রতিটি ঘটনার সিটিটিভি ফুটেজ থাকলেও সব অপরাধীকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ।
১৪ জুলাই ২০২৫এবার রাজধানীর শ্যামলীতে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, মানিব্যাগ, কাঁধের ব্যাগ ও মোবাইল ফোন নেওয়ার পর ছিনতাইকারীরা এক যুবকের পোশাক ও জুতা খুলে নিয়ে গেছে।
১২ জুলাই ২০২৫