অনলাইন ডেস্ক
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) প্রতিবছর উচ্চ রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রার সম্মুখীন হয়, দেশের বাস্তবতায় যা অর্জন করা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সম্ভব হয় না। এ প্রেক্ষাপটে এনবিআর আগামী তিন অর্থবছরের জন্য আরও বাস্তবসম্মত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানিয়েছে। সম্প্রতি এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান অর্থ বিভাগের সচিবকে এ বিষয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন।
এনবিআরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এক দশকের বেশি সময় ধরে রাজস্ব আদায়ে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারে না এনবিআর। এবারও লক্ষ্যমাত্রা অর্জন প্রায় অনিশ্চিত। এমন বাস্তবতায় আগামী তিন অর্থবছরের জন্য আরও বাস্তবসম্মত রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করতে এনবিআরের পক্ষ থেকে অর্থ মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করা হয়েছে।
চিঠিতে এনবিআরের চেয়ারম্যান বলেন, যথাযথ পর্যালোচনা ও গবেষণা ছাড়া লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলে অর্থবছর শেষে তা বরাবরের মতো ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে। দেশের উৎপাদন ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ এবং বিগত বছরের মতো ধারাবাহিক রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থতার দায় থেকে বেরিয়ে আসা প্রয়োজন বলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড মনে করে।
চিঠিতে বলা হয়, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে অনুষ্ঠিত বাজেট ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় উপস্থাপিত তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০২৫-২৬, ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও এর অধীন সব দপ্তরের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে যথাক্রমে ৫,৬৪,৪১১.৯২ কোটি, ৬,৪৯,০৭৩.৭১ কোটি ও ৭,৪৬,৪৩৪.৭৬ কোটি টাকা। এনবিআর মনে করে, পূর্ববর্তী প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ধরে লক্ষ্যমাত্রা স্থির করলে তা অর্জনযোগ্য হবে এবং কার্যকর বাজেট ব্যবস্থাপনা সম্ভব হবে।
অবাস্তব লক্ষ্যমাত্রা এনবিআরের কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে এবং গ্রহণযোগ্যতা কমাচ্ছে। সঠিক পরিকল্পনা ছাড়া উচ্চ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করায় বারবার বাজেট ঘাটতি হচ্ছে। এনবিআর বিশ্বাস করে, বাস্তবসম্মত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা আরও উদ্দীপনার সঙ্গে কাজ করতে পারবেন।
এ বিষয়ে এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আবদুল মজিদ বলেন, জিডিপির তুলনায় রাজস্ব আহরণ এখনো কম হলেও তা বৃদ্ধির যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। এ জন্য এনবিআরকে দক্ষতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও অপ্রয়োজনীয় করছাড় কমানোর দিকে নজর দিতে হবে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) প্রতিবছর উচ্চ রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রার সম্মুখীন হয়, দেশের বাস্তবতায় যা অর্জন করা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সম্ভব হয় না। এ প্রেক্ষাপটে এনবিআর আগামী তিন অর্থবছরের জন্য আরও বাস্তবসম্মত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানিয়েছে। সম্প্রতি এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান অর্থ বিভাগের সচিবকে এ বিষয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন।
এনবিআরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এক দশকের বেশি সময় ধরে রাজস্ব আদায়ে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারে না এনবিআর। এবারও লক্ষ্যমাত্রা অর্জন প্রায় অনিশ্চিত। এমন বাস্তবতায় আগামী তিন অর্থবছরের জন্য আরও বাস্তবসম্মত রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করতে এনবিআরের পক্ষ থেকে অর্থ মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করা হয়েছে।
চিঠিতে এনবিআরের চেয়ারম্যান বলেন, যথাযথ পর্যালোচনা ও গবেষণা ছাড়া লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলে অর্থবছর শেষে তা বরাবরের মতো ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে। দেশের উৎপাদন ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ এবং বিগত বছরের মতো ধারাবাহিক রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থতার দায় থেকে বেরিয়ে আসা প্রয়োজন বলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড মনে করে।
চিঠিতে বলা হয়, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে অনুষ্ঠিত বাজেট ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় উপস্থাপিত তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০২৫-২৬, ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও এর অধীন সব দপ্তরের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে যথাক্রমে ৫,৬৪,৪১১.৯২ কোটি, ৬,৪৯,০৭৩.৭১ কোটি ও ৭,৪৬,৪৩৪.৭৬ কোটি টাকা। এনবিআর মনে করে, পূর্ববর্তী প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ধরে লক্ষ্যমাত্রা স্থির করলে তা অর্জনযোগ্য হবে এবং কার্যকর বাজেট ব্যবস্থাপনা সম্ভব হবে।
অবাস্তব লক্ষ্যমাত্রা এনবিআরের কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে এবং গ্রহণযোগ্যতা কমাচ্ছে। সঠিক পরিকল্পনা ছাড়া উচ্চ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করায় বারবার বাজেট ঘাটতি হচ্ছে। এনবিআর বিশ্বাস করে, বাস্তবসম্মত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা আরও উদ্দীপনার সঙ্গে কাজ করতে পারবেন।
এ বিষয়ে এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আবদুল মজিদ বলেন, জিডিপির তুলনায় রাজস্ব আহরণ এখনো কম হলেও তা বৃদ্ধির যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। এ জন্য এনবিআরকে দক্ষতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও অপ্রয়োজনীয় করছাড় কমানোর দিকে নজর দিতে হবে।
দেশে শরিয়াহভিত্তিক বিনিয়োগ পণ্য ‘সুকুক’ চালু হয়েছিল ইসলামি আর্থিক মূল্যবোধকে মাথায় রেখে। এটি এমন একটি পণ্য, যেখানে সুদ নেই, দুর্নীতি নেই আর ঝুঁকিও তুলনামূলক কম। অনেকে একে ‘হালাল বন্ড’ বলেও চেনেন। বিশ্বের বহু দেশে যেখানে ইতিমধ্যেই সুকুক বড় বাজার তৈরি করেছে, সেখানে একেবারেই ব্যতিক্রম বাংলাদেশে।
৭ ঘণ্টা আগেবহুদিন ধরে এলসির আড়ালে ওভার ও আন্ডার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে ডলার পাচার চলছিল নির্বিঘ্নে। তবে ইউক্রেন যুদ্ধ-পরবর্তী সংকটে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আন্তর্জাতিক বাজারদর যাচাইয়ের অনলাইন পদ্ধতি চালু করলে সেই গোপন পথ বন্ধ হয়। গত আড়াই বছরে এই নজরদারিতে প্রায় ৩০ বিলিয়ন ডলার পাচার রোধ হয়েছে, যা রিজার্ভ রক্ষায় বড় অবদান
৭ ঘণ্টা আগেঅনিয়ন্ত্রিত কারণে কোনো তৈরি পোশাক শিল্পপ্রতিষ্ঠান রুগ্ণ হলে, ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকের অধিকার নিশ্চিত করতে এবং মালিকের জন্য একটি কার্যকর এক্সিট পলিসি প্রণয়নে সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে বিজিএমইএর নির্বাচনী জোট ফোরাম।
১৫ ঘণ্টা আগেতেলের বাজারে অস্থিরতা এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার প্রভাব পড়েছে সৌদি আরামকোর আয়েও। ২০২৫ সালের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির নিট মুনাফা ৪.৬% হ্রাস পেয়েছে। বিক্রি কমে যাওয়া ও ব্যয় বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি তেলের দাম পড়তির দিকে থাকায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, ওপেক+ দেশের উৎপাদন বাড়া
১৬ ঘণ্টা আগে