সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের জৈন্তাপুর উপজেলার চাঙ্গীল ব্রিজ-সংলগ্ন এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন। নিহত যুবকের নাম জামাল আহমদ (৩৫)। তিনি জৈন্তাপুর উপজেলার জৈন্তাপুর ইউনিয়নের মুক্তাপুর টিলাবাড়ী গ্রামের জদু মিয়ার ছেলে।
এলাকাবাসী ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে জামাল আহমদ বাড়ি থেকে কাজে যোগ দিতে বের হন। পথে সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের চাঙ্গীল ব্রিজ-সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে একটি গাড়ি তাঁকে চাপা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে রাস্তার পাশের ঝোপে পড়ে যান।
সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় লোকজন রাস্তার পাশে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে জৈন্তাপুর মডেল থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে মরদেহ উদ্ধার করে।
জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লা বলেন, প্রাথমিকভাবে আঘাতের চিহ্ন দেখে ধারণা করা হচ্ছে, সড়ক দুর্ঘটনার কারণেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে