হবিগঞ্জ প্রতিনিধি
হবিগঞ্জের বাজারগুলোতে সবজি দাম প্রতিদিনই বাড়ছে। একমাত্র কচুমুখী ছাড়া সব ধরনের সবজি সাধারণের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে বলে অভিযোগ করেছেন ক্রেতারা। তবে খুচরা বিক্রেতারা বলছেন পাইকারি বাজারে দাম বেড়ে যাওয়ায় তাঁরাও দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছেন।
হবিগঞ্জের চৌধুরী বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত এক সপ্তাহে সব ধরনের সবজির দাম কেজিতে বেড়েছে ১৫ থেকে ২৫ টাকা পর্যন্ত। টমেটো ও গাজর প্রকারভেদে ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। প্রতিকেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ৮০ টাকায়। চিচিঙ্গা, বেগুন, পটল, ঢ্যাঁড়স, করলা, কাঁচা পেঁপে, ফুলকপি, বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজি দরে। এ ছাড়া বরবটি ৬০ টাকা, ধুন্দুল ৪০ টাকা, লাউ এবং কুমড়া প্রতিটি ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, ধনেপাতা ২০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। শুধুমাত্র আগের দামে বিক্রি হচ্ছে কচুমুখী ২৫ টাকা, বড় আলু ২০ টাকা ও দেশি আলু ২৫ টাকা কেজি। এ ছাড়া লেবু বিক্রি হচ্ছে ১৫ টাকা হালি।
এ বিষয়ে সবজি কিনতে আসা এনজিও কর্মী সীমান্ত বড়ুয়া বলেন, প্রত্যেকটি সবজির দামই বেড়েছে। ৫০০ টাকা নিয়ে বাজার আসলে ৫ কেজি সবজিও কেনা যায় না। আমাদের মতো মধ্যম আয়ের লোকজন কীভাবে বাঁচব? যা বেতন পাই তা দিয়ে আর চলার অবস্থা নাই।
বানিয়াচংয়ের সাঙ্গর গ্রামের কৃষক মো. লুৎফুর রহমান বলেন, বর্ষাকাল ছাড়া কোনো সময় আমাদের সবজি কিনতে হয় না। নিজের খেতেই সবজি চাষ করি। বাজারে আসছিলাম অন্য একটা কাজে। ভাবলাম কিছু সবজি কিনব। কিন্তু সবজির যে দাম তাতে এক কেজিও কিনতে পারছি না।
সরোয়ার আলম নামে অপর এক ক্রেতা বলেন, আগে মাসে দেড়-দুই হাজার টাকার সবজি কিনলে সারা মাস চলে যেত। এখন যে অবস্থা ১৫ দিনের সবজিও ২ হাজার টাকা দিয়ে কেনা যাচ্ছে না। ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে সবজির দাম বাড়িয়েছে।
এ ব্যাপারে খুচরা বিক্রেতারা বলেন, পাইকারি বাজারে দাম বেড়ে যাওয়ায় এমনটা হয়েছে। তবে শীতকালীন মৌসুমে সবজির দাম শিগগিরই কমবে বলে আশা করছি।
হবিগঞ্জের বাজারগুলোতে সবজি দাম প্রতিদিনই বাড়ছে। একমাত্র কচুমুখী ছাড়া সব ধরনের সবজি সাধারণের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে বলে অভিযোগ করেছেন ক্রেতারা। তবে খুচরা বিক্রেতারা বলছেন পাইকারি বাজারে দাম বেড়ে যাওয়ায় তাঁরাও দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছেন।
হবিগঞ্জের চৌধুরী বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত এক সপ্তাহে সব ধরনের সবজির দাম কেজিতে বেড়েছে ১৫ থেকে ২৫ টাকা পর্যন্ত। টমেটো ও গাজর প্রকারভেদে ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। প্রতিকেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ৮০ টাকায়। চিচিঙ্গা, বেগুন, পটল, ঢ্যাঁড়স, করলা, কাঁচা পেঁপে, ফুলকপি, বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজি দরে। এ ছাড়া বরবটি ৬০ টাকা, ধুন্দুল ৪০ টাকা, লাউ এবং কুমড়া প্রতিটি ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, ধনেপাতা ২০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। শুধুমাত্র আগের দামে বিক্রি হচ্ছে কচুমুখী ২৫ টাকা, বড় আলু ২০ টাকা ও দেশি আলু ২৫ টাকা কেজি। এ ছাড়া লেবু বিক্রি হচ্ছে ১৫ টাকা হালি।
এ বিষয়ে সবজি কিনতে আসা এনজিও কর্মী সীমান্ত বড়ুয়া বলেন, প্রত্যেকটি সবজির দামই বেড়েছে। ৫০০ টাকা নিয়ে বাজার আসলে ৫ কেজি সবজিও কেনা যায় না। আমাদের মতো মধ্যম আয়ের লোকজন কীভাবে বাঁচব? যা বেতন পাই তা দিয়ে আর চলার অবস্থা নাই।
বানিয়াচংয়ের সাঙ্গর গ্রামের কৃষক মো. লুৎফুর রহমান বলেন, বর্ষাকাল ছাড়া কোনো সময় আমাদের সবজি কিনতে হয় না। নিজের খেতেই সবজি চাষ করি। বাজারে আসছিলাম অন্য একটা কাজে। ভাবলাম কিছু সবজি কিনব। কিন্তু সবজির যে দাম তাতে এক কেজিও কিনতে পারছি না।
সরোয়ার আলম নামে অপর এক ক্রেতা বলেন, আগে মাসে দেড়-দুই হাজার টাকার সবজি কিনলে সারা মাস চলে যেত। এখন যে অবস্থা ১৫ দিনের সবজিও ২ হাজার টাকা দিয়ে কেনা যাচ্ছে না। ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে সবজির দাম বাড়িয়েছে।
এ ব্যাপারে খুচরা বিক্রেতারা বলেন, পাইকারি বাজারে দাম বেড়ে যাওয়ায় এমনটা হয়েছে। তবে শীতকালীন মৌসুমে সবজির দাম শিগগিরই কমবে বলে আশা করছি।
দীর্ঘ ২২ বছরেও অবকাঠামোগত উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালিশুরি ইউনিয়নের রাজাপুর ছালেহিয়া দাখিল মাদ্রাসায়। ফাটল ধরা দেয়াল ও ছাদ, খসে পড়া পলেস্তরা, ভাঙাচোরা দরজা-জানালা আর বৃষ্টির পানি চুঁইয়ে পড়া—এসব ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন চলছে পাঠদান। ফলে আতঙ্কে রয়েছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা...
২ মিনিট আগেবিজিবির তলুইগাছা বিওপি কমান্ডার আবুল কাশেম জানান, অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের দায়ে মঙ্গলবার রাতে উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার হাকিমপুর চেকপোস্ট এলাকা থেকে নারী ও শিশুসহ ১৫ বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করে বিএসএফ।
৫ মিনিট আগেঅংশীজনদের সর্বসম্মতিক্রমে ‘কোন শিক্ষার্থী নিজ বিদ্যালয়ে মোবাইল ফোন আনতে পারবে না এবং কোন শিক্ষক মোবাইল নিয়ে শ্রেণি কক্ষে প্রবেশ করতে পারবে না’ সহ ১২ নির্দেশনা অনুসরণ করার জন্য চাঁদপুরের শিক্ষা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি দিয়েছেন জেলা প্রশাসক।
১৫ মিনিট আগেডিআরইউতে গোলটেবিল বৈঠক থেকে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের সঙ্গে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে বলে আদালতকে জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন। আজ শুক্রবার শাহবাগ থানায় করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হলে শুনানির সময় অধ্যাপক
১৮ মিনিট আগে