
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় চেলা নদী থেকে বালু উত্তোলনের সময় বজ্রপাতে দুই শ্রমিক নিহত হয়েছেন। আজ সোমবার দুপুরের দিকে দোয়ারাবাজার উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন ছাতকের ইসলামপুর ইউনিয়নের নোয়াগাঁও (গনেশপুর) গ্রামের আনছার উদ্দিনের ছেলে দুলন মিয়া (২৮) ও বাহাদুরপুর গ্রামের মুসলিম মিয়ার ছেলে কদ্দুস মিয়া (২৭)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রতিদিনের মতো আজ সকালে দোয়ারাবাজার উপজেলার চেলা নদীতে ছোট নৌকা দিয়ে বালু উত্তোলন করতে যান পাঁচ শ্রমিক। বালু তোলার সময় হঠাৎ ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়। সে সময় নৌকা নিয়ে শ্রমিকেরা নিরাপদ স্থানে যাওয়ার আগেই বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়। তাঁদের সঙ্গে থাকা আরও তিন শ্রমিক আহত হন।
দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বদরুল হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘বজ্রপাতে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষ করে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করব।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে