
সুনামগঞ্জের মধ্যনগরে মো. কবির মিয়া ওরফে কবির খাঁকে (৩০) নামে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার পুলিশ তাকে সুনামগঞ্জের আদালতে হাজির করে। শুনানি শেষে বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে গতকাল বুধবার রাতে উপজেলার মাছুয়াকান্দা নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
কবির মিয়া সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি এবং ওই গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে।
মধ্যনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সজীব রহমান তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সহসভাপতিকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।’
জানা যায়, নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ৩৫ / ৪০ জন নেতা কর্মী গত ২৭ নভেম্বর মধ্যনগর বাজারে ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওয়াসেভ আলভী তালুকদারের অফিসে দেশে চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করেন। বৈঠকে তারা দেশের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি এবং অন্তর্বর্তী সরকার পতনে অন্তর্ঘাতমূলক কার্য করার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণের খবর পায় পুলিশ।
বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবনতি করে বুধবার থানার এসআই মো. আলমগীর ও সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে মো. কবির মিয়া ওরফে কবির খাঁকে গ্রেপ্তার করে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে