সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় পুকুর থেকে হাঁস তাড়িয়ে দেওয়ায় প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে রঞ্জিত দাস (২৫) নামের এক শ্রমিক নিহত হয়েছেন।
আজ শনিবার দুপুরে উপজেলার পলাশ ইউনিয়নের পেরিনগরে এ ঘটনা ঘটে। রঞ্জিত দাস ওই ইউনিয়নের জয় কুমার দাসের ছেলে।
জানা যায়, শনিবার দুপুরে নিজের পুকুর থেকে হাঁসের পাল তাড়িয়ে দিচ্ছিলেন রঞ্জিত দাস। এ নিয়ে হাঁসের মালিক প্রতিবেশী অধীর দাসের ছেলে অজিত দাসের (২৬) সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা হয়। ওই সময় অজিত দাস ক্ষিপ্ত হয়ে হাতে থাকা ছুরি দিয়ে রঞ্জিত দাসের পেটে আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই মারা যান রঞ্জিত দাস। এ সময় স্থানীয়দের চিৎকারে পালিয়ে যান অজিত দাস। পরে অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করে পুলিশ। পরে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ।
হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অজিত দাসের দৃষ্টান্ত শাস্তি দাবি করেছে নিহতের পরিবার। এই ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরর প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন নিহত রঞ্জিতের বাবা জয় কুমার দাস।
নিহতের বাবা জয় কুমার দাস বলেন, ‘এই পুকুরে সবাই গোসল করে সে জন্য এখানে হাঁস নামানো হয় না। আমার ছেলে নিষেধ করতে গিয়েছিল এই জন্য ছেলেকে মেরে ফেলতে হবে? আমার ছেলের খুনির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
বিশ্বম্ভরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শ্যামল বণিক বলেন, অভিযান চালিয়ে অজিত দাসকে গ্রেপ্তার ও লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে।

এসআই মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ফজরের নামাজ পড়তে গিয়ে স্থানীয় মুসল্লিরা লতা ইউনিয়নের খালপাড়ে বিরিঞ্চী পদ মণ্ডলের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। এরপর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে পুলিশ তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁর মরদেহ শনাক্ত করে।
২৭ মিনিট আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে একটি মিনি ট্রাকের সঙ্গে আরেকটি বড় ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে মিনি ট্রাকটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে মিনি ট্রাকের চালক আবু নাঈম খান ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
৪০ মিনিট আগে
খুলনায় দিনমজুর মো. ডালিম গাজী হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন মামলার একমাত্র অভিযুক্ত জয়নাল আবেদীন গাইন (৩৫)। মাত্র ২০০ টাকা ধারের বিরোধকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে
রোববার দুপুরে উপজেলার বীর রামপুর গফাকুড়ি মোড়ে ফুলকুড়ি দাখিল মাদ্রাসার সুপার হাফেজ মাওলানা ইউনুস আলী বিপুল পরিমাণ সরকারি পাঠ্যবই একটি পিকআপে তুলে দেন। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তাঁরা গাড়িটি আটক করেন।
১ ঘণ্টা আগে