
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলায় নারী ইউপি সদস্য পেয়ারা খাতুন হত্যা মামলার প্রধান আসামি ও তাঁর স্বামী যুবদল নেতা আব্দুল আলীমকে গ্রেপ্তার করেছেন র্যাব-১২-এর সদস্যরা। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায় র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। গ্রেপ্তার আব্দুল আলীম হাবিবুল্লাহ নগর ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। স্ত্রী পেয়ারা খাতুন একই ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নম্বর সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ছিলেন।
র্যাব-১২-এর বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৮ নভেম্বর সকালে শাহজাদপুরের পশ্চিম দুয়ারী এলাকায় নিজের ঘরের বিছানা থেকে পেয়ারা খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পরপরই তাঁর স্বামী আব্দুল আলীম এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান। পরে নিহত ব্যক্তির বাবা হানিফ সরকার শাহজাদপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, র্যাব-১২-এর অধিনায়কের নির্দেশনায় একটি দল অভিযান চালিয়ে সলঙ্গা থানার হরিণচড়া বাজার এলাকা থেকে আলীমকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাঁকে শাহজাদপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে